কাব্যযোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কাব্যযোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

i-চিন্তন ও কাব্যযোগ ৷ সৌমিত্র রায়

i-চিন্তন ও কাব্যযোগ
সৌমিত্র রায়

আমরা প্রতি মুহূর্তে চিন্তা করি ৷ আমাদের অনুভব অনুভূতির উৎস হল এই চিন্তা করার ধরন ৷ এই চিন্তা করার ধরন অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের মনের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাসের উপর ৷ যার যেমন বিশ্বাস, তার তেমন চিন্তাচেতনার ধরন ৷ তার তেমন অনুভব-অনুভূতির ধরন ৷

আজকের সমাজ-সভ্যতায় বেশিরভাগ মানুষই পরিবেশ-পরিস্থিতির উপর দাঁড়িয়ে নিরন্তর দু:খ বেদনা যন্ত্রণা হতাশা ব্যর্থতার অনুভবে জর্জরিত ৷ কিন্তু প্রত্যেকেই স্ব স্ব অবস্থানের পরিবেশ পরিস্থিতির মোকাবিলা করেই জীবনে শান্তি, আনন্দ অনুভবে সময় যাপন করতে পরমেশ্বর-আল্লাহ-গডের কাছে কাতর প্রার্থণা করেন ! ঈশ্বর বা দেব-দেবীর স্মৃতিতেও প্রার্থণা জানাই নিরন্তর ! কিন্তু আমাদের চেতনার পরিচর্যা করছি কি ? হয়তো সবাই বলবেন, "সে আবার কী ? তা তো করা হয় না !" এই চেতনা হল অন্তরে সেই বিশ্বাসের জায়গা, যেখান থেকে আমরা আমাদের সম্মুখীন পরিবেশ-পরিস্থিতির মোকাবিলা করার শক্তি খুঁজি ৷ কোয়ালিটি চেতনা অনুযায়ী, কোয়ালিটি শক্তি পেয়ে থাকি ৷ আর চেতনার পরিচর্যা না করলেই কুসংস্কার চেতনাতে আশ্রয় নেয় ৷ "বিজ্ঞান"-এরও কুসংস্কার আছে ৷ ধর্মমতেরও আছে ৷ স্ব-মতেরও আছে ৷ নিরন্তর পরিচর্যার মাধ্যমেই চেতনাকে কুসংস্কারমুক্ত রাখা যায় ৷ জীবনে প্রকৃত শান্তি ও আনন্দলাভ করা যায় ৷

জানতে হবে ৷ নিরন্তর জানার জন্য মনকে প্রস্তুত করে রাখতে হবে ৷

আমরা মনের মধ্যে এক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার কথা বলি ৷ মন যুক্তি খোঁজে ৷ যুক্তি দিয়েই মনে এই বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে এই সৃষ্টি এক মহাকাব্য ৷ যার বিষয়গুলি পূর্বনির্ধারিত , কিন্তু উপস্থাপন টাটকা ৷ পূর্বনির্ধারিত প্রেক্ষাপটেই নিরন্তরভাবেই মহাকাব্যের এই সৃজনশীলতা চলে ! শৈলী, উপস্থাপন, অভিনয়ের নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিরন্তরভাবেই চলে, কিন্তু কোনো কিছুই মূল স্ক্রীপ্ট কিংবা নির্দেশনাকে ছাপিয়ে যায় না ! এই মহাকাব্যের চেতনাকেই নিজ মনে বিশ্বাসে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে ৷ এ বিষয়ে নিরন্তর জানা এবং যুক্তি দিয়ে পরিচর্যার মধ্য দিয়েই জীবনে সাফল্য লাভ সম্ভব ৷ এতে জীবনযাপন কাব্যময়তার সৌন্দর্যে ভরে ওঠে এবং শান্তি, আনন্দ অনুভবে অভ্যস্থ হওয়া যায় ৷

i-চিন্তন এই মহান যোগে নিরন্তর শক্তি যোগাচ্ছে !

নবরূপে এই বিশ্বাসের সাথে যোগসূত্র স্থাপনই হল সমসময়ের যুগচেতনায় দীক্ষা গ্রহণ এবং জীবনে দিব্য আনন্দ ও শান্তি লাভের উপায় ৷

কাব্যযোগের বীজমন্ত্র হল ~ নিরন্তর "শান্তি" "আনন্দ" উচ্চারণ, লিখন, প্রয়োগের অভ্যাস ৷

এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানুন ৷ আসুন নিরন্তর কাব্যযোগ অভ্যাসে থাকি ৷

৷৷ আনন্দ ৷৷

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

যোগ, কাব্যযোগ ৷ সৌমিত্র রায় ৷ বাংলা ৷ ১১-০৯-২০১৮

বন্ধুরা ৷৷ আসুন যোগ বিষয়ে আমার ধারণা সুস্পষ্ট করি
সৌমিত্র রায়

আমরা প্রত্যেকেই এই সমগ্র সৃষ্টির সাথে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই একত্রে সংযুক্ত ৷ মানবজাতি-জীবজগৎ-উদ্ভিদ-জড়জগৎ সর্বব্যপি বিস্তারে এই ইউনিভার্সাল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত আমরা ৷ এই একে অপরে মহাসংযোগ প্রাকৃতিক ৷ সর্বময় ব্যপ্ত এই স্ব-অস্তিত্ব বোঝার জন্য অন্তর্চেতনা অর্থাৎ মনের সাথে চেতনার সংযুক্তি ঘটাতে হবে ৷

যুক্ত আছি কিন্তু অনুভব করি না ৷ কারণ  আমি জানার চেষ্টা করিনি কীভাবে এই চরাচর নিরন্তর সচল ! পরিস্থিতিকেই চিন্তার উৎস ভেবে বসি ৷ আসলে চিন্তার উৎস কোথায় খোঁজার চেষ্টা করলে কিংবা তার খোঁজ পেলেই স্ব-অস্তিত্ব বুঝতে পারা যাবে ৷

একাগ্র চিন্তন যার মাধ্যম ৷ এই একাগ্র চিন্তনের মাধ্যমেই অন্তর্চেতনা অর্থাৎ মনের জগৎকে আবিস্কার করার সাথে "যোগ" ঘটে ৷ স্বশক্তিতে স্ব-অস্তিত্ব তথা সৃষ্টিরহস্যকে জানার চেষ্টাই হল যোগ ৷

এই যে ব্রহ্মাণ্ডময় নিরন্তর ব্যস্ততা /সচলতা ৷ এর "আমি"ও এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "পয়েন্ট" ৷ নিরন্তর অভ্যাসে আমরা যোগমাধ্যমে এই পয়েন্টকে দর্শন করি ৷ একাত্ম হই ৷ চিন্তার উৎস এই পয়েন্টে বা নিজের সাথে সংযোগ এরপর অভ্যাসে এরকম অন্যান্যদের চিন্তার উৎস অর্থাৎ অজস্র শক্তিশালী "পয়েন্ট" বা আত্মার অস্তিত্ব দর্শন ৷ আবার সমগ্র সৃষ্টির একটি মাত্র কেন্দ্রবিন্দু আছে ৷ সেই কেন্দ্রবিন্দুকে কেউ বলেন পরমাত্মা বা আল্লাহ বা গড বা শিব বা মারাংবুরু ৷ এই বিন্দু যারা দর্শন করে কিংবা দর্শনে বিশ্বাস করে , নিজের এই সর্বময় অস্তিত্ব অনুভব করে তারাই আস্তিক ৷ নাস্তিক হলেন তারা জানার চেষ্টা করেন না ৷

এই নেটওয়ার্ক জানার ইচ্ছার মাধ্যমে মনজগতের সাথে সংযোগের যে প্রক্রিয়া ৷ তাই যোগ ৷

দেহ-মোবাইলটি আছে ৷ ইন্টারনেট করা সম্ভব বিশ্বাস জন্মালেই নাস্তিকতা থেকে মুক্তি ৷ এরপর নেট অন অর্থাৎ "যোগ" লাগলো এবং এরপর ফেসবুক হোয়াটসআপের মতো নানানভাবে মনজগতের চর্চা ৷

এর সাথে ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহ অর্থাৎ মোবাইলযন্ত্রটিরও যন্ত্রাংশের পরিচর্যা ৷ নানান অভ্যাস মুদ্রা ইত্যাদি ৷

একটা বিষয় মনে রাখতে হবে দেহ যদি হার্ডওয়্যার হয়, অন্তর্চেতনা তাহলে সফটওয়্যার ৷ নিরন্তর জানা এবং সচেতনভাবে এর পরিচর্যার মাধ্যমেই আনন্দ ও শান্তিলাভ জীবনের লক্ষ্য ৷

দেহমনে পরিপূর্ণ শান্তি ও আনন্দের অভ্যাসপ্রাপ্তির প্রাথমিক রহস্য ৷

বন্ধুরা ৷ সৃষ্টি এক মহাকাব্য ৷ কাব্যযোগ জানুন ৷ বিশ্বউষ্ণায়ণ পরিবেশ দূষণ ইত্যাদির মুখোমুখি দাঁড়িয়েও রুখে দাঁড়ানোর মহান কর্তব্যে যুক্ত হয়ে পড়ুন ৷

সবার সবের মঙ্গল কামনা করি ৷

৷৷ শান্তি ৷৷

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...