কুমারেশ চক্রবর্তী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কুমারেশ চক্রবর্তী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৩

কবি কুমারেশ চক্রবর্তী ' শ্রেষ্ঠ কবিতা ' প্রকাশ , Kolkata

কবি কুমারেশ চক্রবর্তী ' শ্রেষ্ঠ কবিতা ' প্রকাশ 




নিজস্ব সংবাদদাতা:  গতকাল ১৬ নভেম্বর বিকেলে উত্তর  চব্বিশ পরগনার দত্ত পুকুরের উজান স্রোত পত্রিকার পৃষ্ঠপোষকতায় কলকাতার কৃষ্ণচন্দ্র মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাঘরে আশির দশকের বিশিষ্ট কবি কুমারেশ চক্রবর্তীর ' শ্রেষ্ঠ কবিতা ' র আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হল। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ কবিতার মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক সুমিতা চক্রবর্তী । প্রধান ও বিশেষ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে কবি সৈয়দ কওসর জামাল ও কবি অনুবাদক বৌধায়ন মুখোপাধ্যায় ।

           অনুষ্ঠান শুরু হয় ঋদ্ধি পালের সুন্দর কন্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীতের মাধ্যমে । উদ্বোধন সুমিতা চক্রবর্তী কবি কুমারেশ চক্রবর্তীর কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন,  আমরা যা ভাবছি তাই বলছি তাকে অনেকেই কবিতা হিসেবে মানেন না । কিন্তু এই কবি অবলীলায় সেই সত্যকে কবিতা করে দিতে পারেন । বিশিষ্ট কবি ও চিত্রকর শ্যামল জানা শ্রেষ্ঠ কবিতার আলোকপাত করেন । এছাড়া কবিকে নিয়ে আলোচনা করেন প্রবুদ্ধ বাকচি । 

           অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কবিতা পাঠে অংশ নেন অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়,  মধুমিতা রায়,  শর্বানী দাস,  অমিত কাশ্যপ,  তাপস রায়,  নৃসিংহমুরারী দে,  সুধাংশু রঞ্জন সাহা,  অমলেন্দু মন্ডল,  বীরেন শাসমল,  ঈশিতা ভাদুড়ী,  ফাল্গুনী ঘোষ,  সুকুমার গরাণি,  অলোক বিশ্বাস,  উমাপদ কর,  জয়িতা বসাক,  ধীমান চক্রবর্তী  এবং নীলাঞ্জন কুমার । আবৃত্তিতে জমিয়ে দেন রিঙ্কু রায়,  চলন্তিকা চক্রবর্তী ও পূজন ঘোষ । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রবীর মন্ডল ও সত্যবান বিশ্বাস ।

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

কিছু বই কিছু কথা - ২৯৩ । নীলাঞ্জন কুমার ত্রিতাল ও কুয়াশা । কুমারেশ চক্রবর্তী । উজানস্রোত প্রকাশনী , দত্ত পুকুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা । একশো পন্ঞ্চাশ টাকা ।

কিছু বই কিছু কথা - ২৯৩ । নীলাঞ্জন কুমার




ত্রিতাল ও কুয়াশা । কুমারেশ চক্রবর্তী । উজানস্রোত প্রকাশনী , দত্ত পুকুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা । একশো পন্ঞ্চাশ টাকা ।


অতি সাম্প্রতিক প্রকাশিত কবি কুমারেশ চক্রবর্তীর ' ত্রিতাল ও কুয়াশা' বইটির ভেতর ঢুকতে গিয়ে দেখি কবি এর আগের কয়েকটি বইতে যেভাবে অন্যস্বাদে লেখার চেষ্টা করছিলেন,  বর্তমান বইটিতে তিনি আবার কিছুটা হলেও ফিরে এসেছেন তার পুরনো লেখনী বৈশিষ্ট্যে। আমরা পড়ে যেতে পারি অত্যন্ত সাদামাটাভাবে লেখা তাঁর কবিতাগুলো যার ভেতরে সামান্য হলেও বিবৃতির স্বাদ পাই,  তবু তার মধ্যে ঠিকরে ওঠে এসব পংক্তি : ' কী চমৎকার জীবন আমার-  / এ এক উন্নততর রিফুময় টেরাকোটা! / বয়ে চলেছি একজন্ম ...দুইজন্ম....( জীবন সংগ্রাম ') ; ' আমার দৃষ্টির বিস্ফারিত ছায়াপথে/  তোমাদের ভাইরাসের গোপনীয় রংগুলো আজ ধরা পড়ে গেছে ! '( ' তোমরা যারা ') , ' ক্ষুব্ধ কবিতাও তার গরিব কবিকে অকারণে/  কাঠগড়ায় তুলে এনে অভিশাপ দিয়ে যেতে থাকে ...' ( ' সম্পাদকীয় ব্যবহার ও শীতঋতু) ।
        কবি কুমারেশের কবিতায় প্রথম থেকে লক্ষ্য করা গেছে যে তার ভেতর গণতন্ত্র,  শান্তি স্থাপন,  প্রতিবাদী অবস্থান দানা বেঁধে আছে।যা তিনি কবিতার ভেতর দিয়ে পাঠকের সামনে তুলে ধরেন । আর আনেন বলেই লিখে ফেলেন ' বুঝিনা দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ  কি এবং কেন? / কোনও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ভেতর দিয়ে/  শ্রমিকের নেতৃত্বে-  / কোথাও কি কোন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?  ( তোমার মতাদর্শ) ইত্যাদি ইত্যাদি যা আগের স্তবকের পংক্তিগুলোর সঙ্গে খাপ খায় না । তবু কুমারেশের নিরন্তর প্রয়াসের জন্য ধন্যবাদ । পলাশ পালের প্রচ্ছদ বিমূর্ত হলেও মনে দাগ কাটে না । বইটির মুদ্রণ প্রমাদ অসহ্য অবস্থায় পৌঁচেছে । যা পেন দিয়ে সংশোধিত হলেও বইটির ভেতর তা চিত্র বিচিত্রের রূপ নিয়েছে ।




শনিবার, ১৬ মে, ২০২০

কিছু বই কিছু কথা || নীলাঞ্জন কুমার || জললিপি । কুমারেশ চক্রবর্তী

কিছু বই কিছু কথা ।। নীলাঞ্জন কুমার 

জললিপি । কুমারেশ চক্রবর্তী । একুশ  শতক।একশো টাকা।

অত্যন্ত সাদামাটার ভেতর দিয়ে প্রায় চোখে আঙুল দিয়ে কোন কবি আমাদের দেখায় বিশ্বের সমস্যা ও তার মতো করে সমাধানের ইঙ্গিত ছুঁড়ে দেন তখন সাবাসি তাঁকে দিতে হয় । কবি কুমারেশ চক্রবর্তীর ' জললিপি তাঁর সাম্প্রতিক কাব্যগ্রন্থ । 'কেন সে পন্ঞ্চায়েতের অফিসেও তার সততার / শংসাপত্র চেয়ে- / আজকাল দাঁড়িয়ে থাকে নীরব বিস্ময়ে !' কিংবা 'আত্মপক্ষ সমর্থনের চতুরতায়/  নিজেকেই  রাজসাক্ষী করে দেয় -/ তার কোন পছন্দের আদালতে ...'-র মতো লাইন কবির  ক্ষোভ ঠিকঠাক ধরিয়ে দেয়। কুমারেশের কবিতায় ব্যঙ্গাত্মক দিকটি অবশ্য প্রশংসনীয় ।তাঁর কবিতা সংযম হারায় না, যদিও অনেক সময় উচ্চগ্রামের কথা বলে বক্তব্যকে জোর দেন । 'বুথ দখলের পরেও তো কিছু লোক/ শীর্ণ মুঠোগুলো পাকিয়ে সোচ্চারে/ যেমন পুননির্বাচনের দাবি তোলে।' আমার কথাকে সমর্থন করবে ।
            কুমারেশের কবিতার গতিধারা বলে দেয় তিনি স্বপ্ন দেখেন ক্ষুধা তৃষ্ণা হীন এক সমাজের ।তার সামনে দাঁড়িয়ে এদের জন্য কবিতা লেখার তাগিদ তাঁকে পেয়ে বসে ।সেখানে তিনি কবিতা ও বিবৃতির ভেদ করতে পারেন।
          এ কবির কবিতা পড়তে হয় কারণ তাঁর কবিতার ভেতরে ভালো লাগা মিশে থাকে ।যা এখনকার মাথার ওপর দিয়ে চলে যাওয়া কবিতার কাছে পাওয়া যায় না।
কবি পূর্বনির্ধারিত কোন ধ্যান ধারণার সঙ্গে নিজেকে সঁপে দিতে নারাজ ।কবি ও  চিত্রশিল্পী  শ্যামল জানার প্রচ্ছদ দাগ কাটে ।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...