গুরুপ্রসাদ যশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গুরুপ্রসাদ যশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

কিছু বই কিছু কথা || নীলাঞ্জন কুমার || করতলে হ্ঋদয়রেখা

কিছু বই কিছু কথা । নীলাঞ্জন কুমার 

করতলে হ্ঋদয়রেখা । গুরুপ্রসাদ যশ । নান্দনিক । একশো টাকা ।

কোন কোন কাব্যগ্রন্থে যেমন কবিতাগুণে বাড়তি অক্সিজেন পাই,  তেমন আবার কোন কোন ক্ষেত্রে অবান্ঞ্ছিত শব্দচয়ন,  আযৌক্তিক বিস্তার ও ক্লান্তিকর কবিতা বিন্যাসে খেই হারাই ।মনে হয় কখন শেষ হবে কাব্যগ্রন্থটি,  যার পর মুক্তশ্বাস নিতে পারব । খারাপ কবিতা কতখানি মানসিক অশান্তি বয়ে আনে,  প্রকৃত পাঠককুল তা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন । সে উপলব্ধি পাই গুরুপ্রসাদ যশের কাব্যগ্রন্থ ' করতলে হ্ঋদয়রেখা ' কাব্যগ্রন্থে । ' ফেরার কথাটা মনে রেখো মনে করে/  ন-ই পৌষ মিনির জন্মদিনে , ' অঝোরে ভিজবে প্রেমিক প্রেমিকা/  অন্ধকারের কোনো প্রেম নেই/  আছে শুধু ভোগের লালসা ' , ' জীবনটাকে চালিয়ে যাব/  শিল্প টাকে ধরে ।' - র মতো অসংখ্য অপটু পংক্তি পড়তে হয় কাব্যগ্রন্থটিতে । ফলে খেই হারানো স্বাভাবিক ।
           তবু তার মধ্যে ফুলকি ওঠে তাঁর সামান্য কিছু উচ্চারণে , যেমন:  ' তবু ছুঁইনি তোমাকে/  নিজেকে যাচাই করতে/  নিজেকেই  পুড়িয়েছি বারবার ' ( ' যাচাই '),' চৌকাঠ পেরিয়ে বাইরে পা রাখলেই/  ছায়ার চোখে অস্পষ্ট/  দৃষ্টি জেগে ওঠে/  আমার সঙ্গে হাঁটে আমারই মতো ।'(' ছায়া নিয়ে ')। সত্যি বলতে কি,  কবিকে কবিতার ভেতরে ঢুকতে হবে,  নাহলে ফাঁক রয়ে যাবে । আমি বললেও থাকবে,  না বললেও । তাঁর কিছু কবিতা পত্রিকায় ছাপাটাপা হতে পারে , কাব্যগ্রন্থে হাস্যকর । তবু কবি ধৃতরাষ্ট্র হয়ে বই ছাপান , মন্তব্য আশা করেন ।
লাভের ভাঁড়ারে শূন্য বিরাজ করে । চন্ঞ্চল গুঁই এর প্রচ্ছদ গ্রন্থটির মতো আকর্ষণহীন ।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

কিছু বই, কিছু কথা ।। নীলাঞ্জন কুমার || প্রসঙ্গ~ শ্রীচরণেষু মা । গুরুপ্রসাদ যশ ।

কিছু বই, কিছু কথা ।। নীলাঞ্জন কুমার


শ্রীচরণেষু মা । গুরুপ্রসাদ যশ । আলোপৃথিবী । ত্রিশ টাকা ।


' মা আত্মদর্পণে লিখে রাখে/ ছোট ছোট/ অশ্রুকথা ' কিংবা ' তুমি হাত ধরলে/ নুড়ি কুড়াবো/ যার মধ্যে লুকিয়ে থাকবে/  নারায়ণ শিলা । '-র মতো পংক্তির সামনে  দাঁড়িয়ে কবি গুরুপ্রসাদ যশ কে আবিষ্কার করি । তাঁর ' শ্রীচরণেষু মা ' কাব্য পুস্তিকায় ভালো খারাপ মিশ্রিত নামহীন কবিতাগুলি পড়তে গিয়ে বোঝা যায় তাঁকে লক্ষে পোঁছোতে হলে আরো বহুদূর  কণ্টকাকীর্ণ পথ ধরে চলতে হবে । যে পথ তাঁকে অভিজ্ঞতা জোগাবে ।কবির ভেতরের আকুলতা অনেকাংশে অতিরিক্ত আবেগী হওয়ায়  তা অতিসরলীকরণের স্বাদ নেয় । মাত্র বারোটি কবিতারএক ফর্মার কাব্য পুস্তিকার ভেতর দিয়ে তাঁর কবিতা নির্মাণ তেমন আকর্ষণীয় না হলেও কিছু কিছু শব্দ কৌশলের কাছে দাঁড়াতে ইচ্ছে করে । যেমন,  ' সকালে পথে এসে/ খুঁজতে থাকে মেয়েবেলা ' অথবা 'এখনও সন্তানের অসুখ হলে/ মা শুঁয়ো কাপড়ে মন্দিরে ছোটেন/  অন্তরে দপদপে ভয় ।' কবির কবিতা আরো পড়ার প্রত্যাশায় থাকলাম ।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...