গড়বেতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গড়বেতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১

গড়বেতার সিভিল আর্মির উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ৷৷ সংস্কৃতি সংবাদ, Garhbeta

 গড়বেতার সিভিল আর্মির উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ৷৷ সংস্কৃতি সংবাদ, Garhbeta



নিজস্ব সংবাদদাতা, গড়বেতা,পশ্চিম মেদিনীপুর......রবিবার ভারতবর্ষের  ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের দিনটি শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করলো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিভিল আর্মি।এদিন সকালে প্রথমে গড়বেতার ১২ বিঘা এলাকায়  তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সাথে নিয়ে তাঁদের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয়।এরপরে গড়বেতা  রেলওয়ে টেশনে স্টেশন মাস্টার  জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপস্থিত ছিলেন সিভিল আর্মির সদস্য-সদস্যারা। এরপর সংস্থার পক্ষ থেকে

স্টেশন চত্বর  পরিষ্কার করা। তারপর গরবেতা বিডিও অফিসের সামনে স্বাধীনতা সংগ্রামী  সরোজ রায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন গড়বেতার বিধায়িকা উত্তরা সিংহ, গড়বেতা ১ নম্বর ব্লকের বিডিও ওয়াসিম রেজা, স্থানীয় সিআই,আলোর জোয়ার পত্রিকার সাংবাদিক শ্যামল কুমার সাহা সমাজকর্মী জয়দীপ ব্রম্ভ, সমাজকর্মী সদানন্দ দাস,সমাজকর্মী জয়ন্ত দাস। এছাড়াও উপস্থিত সিভিল আর্মি গ্রুপের প্রত্যেক সদস্য সদস্যা।

মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১

নদিগর্ভে বিলীন হতে বসেছে বলদঘাটার দ্বাদশ শিবালয় || মঙ্গলপ্রসাদ মাইতি || Dwados Shibalaya, Baladghata, Mangalprasad Maity

 সংরক্ষণের অভাবে 

নদিগর্ভে বিলীন হতে বসেছে বলদঘাটার দ্বাদশ শিবালয়

মঙ্গলপ্রসাদ মাইতি





   পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা-১ ব্লকের অধীন বলদঘাটা গ্রামের সবচেয়ে বড়ো ঐতিহ্য হল এখানকার দ্বাদশ শিবালয়। যার ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে পূরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের সাক্ষ্য বহন করছে। কিন্তু উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে এই পুরাতত্তিক নিদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বসেছে। মালবান্দি হয়ে বলদঘাটা গ্রামে ঢোকার ঠিক আগে বামদিকে শিলাবতী নদীর একেবারে পাড় ঘেঁষে এই দ্বাদশ শিবালয়ের অবস্থান। ১২ টি বিশাল বিশাল মন্দির নিয়ে এককালে গড়ে উঠেছিল এই দ্বাদশ শিবালয়। পশ্চিম দিকে ছ’টি মন্দির এবং পূর্ব প্রান্তে ছ’টি। মাঝখানে মূল প্রবেশদ্বার। যা অত্যন্ত সুদৃশ্যভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এই বারোটি মন্দিরের মধ্যে পশ্চিম প্রান্তের চারটি এবং পূর্ব প্রান্তের দু’টি মন্দির ইতিমধ্যে শিলাবতী নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙাচোরা অবস্থায় যে ছ’টি মন্দির অবশিষ্ট আছে অর্থাত্‍ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে তাও অচিরেই যে শিলাবতী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে তা সহজেই অনুমেয়। বর্তমানে মানুষ এখানে ঢোকে না। যত সব বিষধর সাপ, শিয়াল, বেজি আর চামচিকের বাস। যেন শ্মশানপুরীর চেহারা নিয়েছে। 



   কথিত এখানকার তত্‍কালীন জমিদার কালাচাঁদ সামন্ত অনেককাল আগে এই দ্বাদশ শিবালয়ের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শিব ছাড়াও বিষ্ণু, গঙ্গা ও অন্যান্য দেবদেবীর পূজার্চনা এখানে হত। এইসব দেবতারা ছিলেন সামন্ত বংশের কূলদেবতা। সেই সময় এই দ্বাদশ শিবালয়ে বারামাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকত। রসমেলা, বারুণীমেলা, লক্ষ্মীপুজো, সরস্বতী পুজো সব জাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হত। অনুষ্ঠিত হত নবকুঞ্জ। এককালে এই দ্বাদশ শিবালয়কে ঘিরে এলাকাবাসীর আনন্দের সীমা-পরিসীমা ছিল না। কিন্তু আজ তা কালের গর্ভে তলিয়ে গেছে। এখন এখানে পুজো হয়না, সন্ধ্যায় বাতি জ্বলে না। নি:সীম-নি:সাড়ে পড়ে থাকে এই ভগ্ন দেউল। বর্তমানে সামন্ত বংশের কেউ এখানে থাকেন না। কর্মসূত্রে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করছেন। যাইহোক নিশ্চিতভাবে বলা যেতে পারে এই দ্বাদশ শিবালয়টি বলদঘাটা গ্রামের পুরাতাত্ত্বিক সম্পদ। এই সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখতে অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন আছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। 






শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১

*গড়বেতার বন্ধু সমাজের অরণ্যবন্ধু কর্মসূচি... || সংস্কৃতি সংবাদ, Garbeta

*গড়বেতার বন্ধু সমাজের অরণ্যবন্ধু কর্মসূচি...




নিজস্ব সংবাদদাতা, গড়বেতা,পশ্চিম মেদিনীপুর || সোস্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে গড়ে ওঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "গড়বেতা বন্ধু সমাজ" সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার গ্রুপের উদ্যোগে গড়বেতার আমলাগোড়া  ৯ নম্বর অঞ্চলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা বুড়িয়ামি গ্রামে  দু'দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো বনমহোৎসবের "অরণ্য বন্ধু" নামে বিশেষ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির প্রথম দিনে বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে সচেতনতা মূলক বার্তা প্রচার এবং গ্রামে গিয়ে বাচ্চাদের সাথে আলাপ করে গাছ লাগানোর জন্য গর্ত তৈরি করা হয়।পরের দিন শিশুদের হাতে চারা গাছ তুলে দেওয়া হয় এবং।শিশুদের নিজেদের উদ্যোগে চারাগাছ রোপণ ও বৃক্ষ-পরিচর্যা সম্পর্কে শিশুদের  ওয়াকিবহাল করা হয়। দুদিনের এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন সমময়ে উপস্থিত ছিলেন আমলাগোড়া ৯ নম্বর অঞ্চলের প্রধান পূর্ণিমা চৌধুরী ও বুড়িয়ামি শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষিকা রত্না পাল কর,স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা পলি রজক প্রমুখ। বন্ধু সমাজের সদ্যপ্রয়াত এক বন্ধু অভিষেক গনের মা এই  বৃক্ষরোপণ কর্মযজ্ঞে "গড়বেতা বন্ধু সমাজ"কে বিশেষ সহযোগিতা করেন।গড়বেতা বন্ধু সমাজের সদস্য দেবব্রত পাল বলেন "উষ্ণায়ন কে পরাস্ত করতে সবুজায়নই একমাত্র পথ'। তিনি আরো বলেন,আগামী দিনে তাঁরা তাঁদের সাধ্যমত সবুজায়নের পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক কাজকর্ম করার ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর।বন্ধু সমাজের  এই কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর কাছে যথেষ্ট প্রংশসা পেয়েছে।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...