দেবাশিস সরখেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেবাশিস সরখেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

কান্না /// দেবাশীষ সরখেল //// অণুগল্প

 কান্না /// দেবাশীষ সরখেল



চায়ের দোকানে কাজ করে বালক ।চা দেয় ,ঘুগনি মুড়ি দেয় ,মাঝেমধ্যে ভাবরা ছঁাকে।

      কলকাতার এক বাবু জয়চন্ডী পাহাড়ে বেড়াতে এসে তাকে দেখে খুব খুশি হলেন ।বললেন,  যাবি আমার সাথে ?তোকে চায়ের গ্লাস ধুতে হবে না । সারাদিন তেমন কাজ নেই ।কেবল ঘর মুছবি ,ভাবড়া ছাঁকবি আর টিভি দেখবি ।

পরদিন বালকের বাবা চুপি চুপি বাবুর হোটেলের ঘরে এসে উপস্থিত া বলে ,দোকান মালিকের কাছে৫০০০ টাকা অগ্রিম নেওয়া আছে । যদি দিয়ে দেন ।ও মুক্তি পেয়ে যাবে ,আপনার সাথে যাবে ।৫০০ টাকা বেতন আর খাওয়া দাওয়া দেবেন ।

বাবু তো এককথায় রাজি ।ফেরার দিন গাড়ি নিয়ে বালকের বাড়িতে এসে দেখে ,গ্রাম জুড়ে খুব কান্নাকাটি চলছে ।

       ব্যাপার কি ? না , বুড়ো মারা গেছে ।বয়স ৯৭ ।বিছানায় পড়েছিল১৩ বছর ।

  বাবু অবাক হলেন ।এর জন্য এত কান্নাকাটি  ?বহুদিন আগে থেকেই তো তার নাম খরচের খাতায় লেখা ছিল  ।

বালকও কাঁদতে কাঁদতে গাড়িতে উঠে বসলো ।

      শক্তিগড়ে গাড়ি থামার পর বাবু তাকে তিনখানা বড় ছানার ল্যাংটা খাওয়ালেন , মুহূর্তে কান্না ভুলে গেল বালক ।

          কলকাতায় এসে আরামে থাকতে লাগল ।  ঘর মোছা আর টিভি দেখা ।মাঝে মাঝে সে ভাবরা পিঠে ছেঁকে দেয় । বাবুর বউ খুব খুশি  । কিন্তু তার কি অসুখ কে জানে, বিছানায় সর্বক্ষণ শুয়ে থাকে  ।

       তারপর একদিন টুপ করে মরে গেল ।বড্ড ভাবরা খেতে ভালোবাসতো ।বালক দেখল ,ফুল সাজানো গাড়ি এলো া মুহূর্তে তাকে নিয়ে চলে গেল ।

        আবার বাবু নতুন মেয়ে মানুষ নিয়ে এলেন।

  কোথাও কোন কান্না নেই ।অনুশোচনা নেই ।বালক ভয় পেল এবার ।বলল , আমি আর এখানে থাকবো না ।

  বাবু বারবার কারণ জিজ্ঞেস করতে থাকেন ।বালক গোঁজ হয়ে বসে থাকে ।

 বারবার পীড়াপীড়ি করায় সে একটি কথাই বলল ,কি করে এখানে থাকি, এখানে কেউ কাঁদে না যে  ?

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩

বন্ধু ।। দেবাশিস সরখেল ।। কবিতা

 বন্ধু

দেবাশিস সরখেল



 একা ঘরে বন্ধু তোমার একজন 

সে ঝান্ডা ধরে 

শহীদ মিনারে যায়

 দু দুখানা চিড়িয়া নাচায় ।


 একদিকে কুমড়ো লতা

 কচি লাও অন্য মাচায় ।


 তোমার সাথে খুনসুটি

 তারও বন্ধু নেই প্রেম নেই পরিত্রাণ নেই

 মতে মেলে না

 পথে মেলে না

 চেহারা চরিত্র  ভিন্ন ।


 ভালোবেসে আদর করছে

 দেওয়ালে প্রত্যক্ষ 

ঝুলে আছে তোমার যৌবন ।

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০২২

এক অন্ধ কবুতরের জীবন ।। দেবাশিস সরখেল ।। কবিতা, Debasis Sarkhel

এক অন্ধ কবুতরের জীবন

দেবাশিস সরখেল 



যে বিচ্ছুরণগুলি বন্ধুতার দিকে প্রীতিময় প্রবাহে লালিত।

 তারা স্থিতি জাড্যে আছে ।


 এক মধুর প্রবাহ 

গান গেয়ে     পান করে 

কুলকুচি করে

 চলে গেছে বেহালা বাজিয়ে ।


 তোমার কোন অলৌকিক জাদুকাঠি নেই

 তুমি জানো

 পাঁকাল তুড় মাগুরের চেয়ে  মানুষ ধরা শক্ত ।


 ভাড় ভেঙ্গে  মুখ মুছে 

যে ধুরন্ধর বিড়াল পালায়

 সে প্রকৃত পালায় না

তুতু করে ডাকলে তুড় মাছের কাঁটা দিলে

 খেতে আসে ।


 বকম বকম করা যখন ছেড়েছে অন্ধ কবুতর

   বুঝেছে পরিশীলিত যাপনের কাল ।


 তখন সময় নাই আর  

কালের রাখাল বাঁকা হাসি হেসে 

ডোর বেল বাজিয়ে দিয়েছে ।

সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

বন্ধু || দেবাশীষ সরখেল || কবিতা, Debadis Sarkhel

 বন্ধু 

  দেবাশীষ  সরখেল



 লোকটা তার সাথে পার্কে যায়  ছবি তোলে  সিনেমা দেখে।

 অবসর সময় একসাথে  দাবা খেলে।

 দিদুন ওদের নাম দিয়েছে দাবাদাবি ।

 এমনকি মোবাইলে ডেট ফিক্স করে দিত ।

 নাতি বলে ------  একি শুনছি দাদু ?

 বলেন ----- বাপের কাছে  মেয়ের কখনো বয়স হয় না  সে সারাজীবন শিশুটি থেকে যায়  বেস্ট ফ্রেন্ড।

 দিদুন বলে---- ওখানেই আপত্তি ।  জীবনে আমি দিদি হলাম  বোন হলাম  স্ত্রী হলাম  মা হলাম ।  কিন্তু কোনদিনও ওর বন্ধু হতে পারলাম না ।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১

কামিনীকেতন || দেবাশিষ সরখেল || আজকের কবিতা

কামিনীকেতন 

দেবাশিষ সরখেল



কাজলকৃষ্ণকে কেষ্টঠাকুর বলেও চালিয়ে দেওয়া যায়।

তবে তার সাথেদ ললিতা, বিশাখা, ইন্দুলেখা। সুদেবী, তুঙ্গা কেউ নেই। ঈষিতা বলে, মনে রেখো আমি তোমার বিবাহিত স্ত্রী, শ্রীরাধা নই। সে এক টিয়ারাজাকে খাঁচায় রেখেছে। মাঝে-মধ্যে নীলাকাশে হারিয়ে গেলেও আবার শূন্য খাঁচায় ফিরে আসে।

মাদী ছাগলটাও তিনখানা বাচ্চা দিয়েছে।

তবু ঈষিতা বায়না ধরে, একখানা পুরুষ ছাগল নিয়ে এসো, এর যা গায়ের গন্ধ বাড়িতে টিকে থাকা দায়।

কাজল বলে, শিঙ দিয়ে ঢুঁ মারলে বাপের নাম ভুলে যাবে।

ঈষিতা রেগে যায়। যেমনি কথার ছিরি, তেমনি লাইফ স্টাইল। এনিম্যাল ফার্মের ম্যানেজার একটা।

মাদী কুকুরটা মাঝে মাঝে বিছানায় শুয়ে পড়ে। চোখ মুখ লাল হয়ে যায় ঈষিতার।

বলে, এদের নিয়েই তো দিব্যি থাকতে পারতে, কেন খামোখা আমায় শাঁখা – সিঁদুর দিয়ে আনতে গেলে।

মাদী কুকুরটা বাচ্চা পাড়লো চারখানা। তাদের ছেঁড়াকম্বল, সেঁক তাপ দেখে গা - পিত্তি জ্বলে যায়।

আবার নোংরাটাকে বিছানায় তুলে আদর। ছ্যা ছ্যা। 

এক লাঠি দিতেই ঝাঁঝিয়ে উঠলো। ঈষিতার স্তনে ঊরুসাজিতে সজোরে কামড়।

শুশ্রুষায় ঝাঁপিয়ে পড়লো কাজলকৃষ্ণ। বল্লে, কোনো ভয় নেই ডার্লিং। ওকে ইনজেকশন দেওয়া আছে। কোনো ক্ষতি হবে না তোমার।

বাচ্চাগুলো একটু বড় হোক তাড়িয়ে দেবো।

এদিকে স্নানঘরে, জলের গেলাসে হঠাৎ হঠাৎ মাদীকুকুরটার বাচ্চাগুলোকে দেখে আঁতকে ওঠে ঈষিকা।

কামিনীকেতন শোক ও সন্তাপের ছায়ায় ভারী হয়ে রইলো কয়েকমাস।

ঈষিকা চলে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই অর্ধোন্মাদ কাজলকৃষ্ণ মাদীকুকুরটাকেও খুন করলো। তাকেও সিঁদুর – আলতা পরিয়ে ঈষিতার পাশেই দাহ করে এলো। সে এখন তিনখানা সারমেয় সন্তানের পিতা।

এখন মাদী খরিস, ঢেমনা, হরিণী দুখানা ময়ূরী সহ বহু কামবাহিত কামিনীরা কাজলকৃষ্ণকে ভীড় করে পরমার্থ খুঁজে বেড়ায়।

যে কেউ ভিজিট করতে পারেন।

প্রতিদিন মনময়ূরের অচিনপাখি সংগ্রহ শালার বাঁদিকে কামিনীকেতন। প্রত্যহ বিকেল তিনটে থেকে পাঁচটা খোলা। রবিবার রেষ্ট ডে।

 দেবাশিস সরখেল *** রঘুনাথপুর *** পুরুলিয়া (পশ্চিমবঙ্গ), সূচক – ৭২৩১৩৩

ফোন – ৯৯৩২৬৬৭৮৮১

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

সন্দেশ || দেবাশিষ সরখেল || গল্প

সন্দেশ
দেবাশিষ সরখেল


দেশের নাম সন্দেশ। সেই দেশে এক মুখোশহীন মানুষ ঢুকে পড়েছে। এ্যাতো টাইট সিকিউরিটি সিস্টেম থাকতে ব্যাটা ঢুকলো কি করে। রাজরাজেশ্বর ভেবে পান না।
এদেশে মানুষ মানে মুখোশ, মুখোশের আড়ালে সব মানুষ।
এও অতি গোপন সূত্রে শোনা যাচ্ছে, বেশ কিছু বেয়াদপ মূখোশ ফেলে গান শুনছে, প্রেম, স্নেহ দাম্পত্যের ব্যাপারে ঐ আহাম্মকের লেকচারবাজী দেখছে। সংখ্যা করোনা সঙ্ক্রমনের মতো বাড়তির দিকে। সংক্রমণই বটে।
অবশেষে সেই যাদুকরের কাছে রাজরাজেশ্বর নিজে হাজির।
-দেখি তোমার ক্ষমতা, আমায় মুখোশমুক্ত করো।
যাদুকর বলেন, এ তো রক্তমাংস, অস্থিমজ্জাময় খোলা যাবে না।
বলেন, তোমার পে-টিএম বলো, যত চাও দিচ্ছি কিম্বা ক্যাশ নিলে ক্যাশ, ঝামেলা থাকবে না।
যাদুকর নিরুত্তর। একটুও ভয় না পেয়ে রহস্যের হাসি হাসে।
ক্ষোভে, অভিমানে গভীর নিশীথে রাজরাজেশ্বর সূর্যোকরো হল প্রাসাদের গায়ে সজোরে মাথা ঠোকেন, মুখোশ ভেঙে চৌচির।
খণ্ড মুকুটের ওপর এক কুকুর ঠ্যাং তোলে।

 
দেবাশিষ সরখেল
রঘুনাথপুর
পুরুলিয়া (পশ্চিমবঙ্গ), সূচক – ৭২৩১৩৩
ফোন – ৯৯৩২৬৬৭৮৮১

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

চপ || দেবাশিষ সরখেল || গল্প

চপ
দেবাশিষ সরখেল


রঘু ও তাপস দু’জনেই মূলত ফুটপাতে চপ বিক্রি করে। কে আসল এবং কার ঢপের চপ, তা সময়ই বলবে। তাপসের দোকান অনেক পুরোনো, তার কিছু বাঁধা খদ্দের আছে। সে সারাদিন খুলে রাখে। তার দোকানে আড্ডা জমে। চপের সাথে চা, ফুলুরি, কুচো নিমকি ইত্যাদিও থাকে। চপ সে তিনটাকা করে নেয়। চা ইত্যাদিতে খরচ পুষিয়ে যায়। চপে লাভ কম।
এবার রঘুর চপের দাম দু’টাকা। তার দোকানে কোনো আড্ডাবাজি নেই। সারাদিন সে থাকে না। বিকেলে ঘন্টা তিনেক। তার চপের ভেতর ফুলকপি, বাদাম, কাজু ইত্যাদি দিয়ে তৈরি বলেস্বাদ উত্তম। তবু প্রথমার্ধে তেমন পাত্তা পায় নি। ধীরে ধীরে ভীড় বাড়তে থাকে। চপ আমি খাই না। পেটে সয় না, তবু তার চপ নাকি প্রখ্যাত মাখন দত্তের সমতুল্য। ফলে লোভে পড়ে কিনলাম, খেলামও।
একদিন জিজ্ঞেস করেই বসলাম, তোমার দু’টাকায় পুষিয়ে যায় ? বলে, না দাদা। খরচ তিন টাকা। প্রতি চপে দু’টাকা লস্‌। ওর খদ্দের আর সিকিভাগ আছে। দেখবেন অতি শিগগির ঝাঁপ বন্ধ হবে। তখন আমি দাম বাড়িয়ে চার পিস চার টাকা করব।
রঘুর মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম। সে নির্বিকার ঠোঙায় চপ ভরছে।

দেবাশিষ সরখেল
রঘুনাথপুর
পুরুলিয়া (পশ্চিমবঙ্গ), সূচক – ৭২৩১৩৩
ফোন – ৯৯৩২৬৬৭৮৮১

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০

শেষ শিক্ষা || দেবাশিষ সরখেল || গল্প

শেষ শিক্ষা
দেবাশিষ সরখেল


অসিতকৃষ্ণের জাবতীয় দুর্বলতা ছেলের প্রতি। দু’দুটো সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর এই মানিকচাঁদ। তাই সাধারণভাবে বাবারা ছেলের আব্দার মেটাতে মোবাইল, দুধ, ফল ইত্যাদি সরবরাহ করেন। অসিতকৃষ্ণ প্রয়োজনে মদের বোতল জোগান দিতেও দ্বিধাবোধ করেন না। তবু বেঁচে থাক, আনন্দে থাক। অসিতকৃষ্ণ নিজেও জানেন, তিনি ভালো নন, পথভ্রষ্ট। একজন কনফিউজড পার্সন।
ছেলে বলে বাবা তুমি তাড়ি, বাশি, রাম, হেইড়্যা, মহুল্যা, ঘাড় সরু কিছু বাদ দাও না, আর আমার বেলা শুধু ওয়াইন। মুখ পঁচে গেল।
কথায় বলে, ১৮ বছর পার হলে বাবা ছেলে ইয়ার দোস্ত। তারা এক টেবিলে বসে খায়।
পরে তাম্বুল সেবনে আর পানদোষ থাকে না।
একদা গলা পর্যন্ত গিলে ঠ্যাঙ, হাত, বাক্যবাণ কিছুই আর নিজের বশে নেই। ছেলে বায়না ধরে বার-এ বসে খাওয়ার মজাটাই আলাদা। আজ বারে যাই চলো।
-জনসমক্ষে?
নেশা এ্যাতোখানি চড়ে গেল যে সে ভেউ ভেউ করে কাঁদে। - শখের লাগিয়া যে ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।
ছেলে টলতে টলতে বলে, তাহলে তুমি যাবে না ?
জেনে রেখো, মদ আমি খাই না, মদ আমাকে খায়।
ছেলে বোতল ছুঁড়ে মারে, নিশানা অব্যর্থ।
রক্তাক্ত অসিতকৃষ্ণ মাটিতে পড়ে কাতরাতে থাকে এবং দাড়িবাবার কবিতা মনে পড়ে যায়। রাত দুপুরে আবৃত্তি জুড়ে দ্যায়-
            এ্যাতোদিন হোল তোর বোধ
              অন্যায়ের কি করিয়া লয় প্রতিশোধ।
            শেষ শিক্ষা দিয়ে গেনু আজি শেষবার
              আশীর্বাদ করি তোরে হে পুত্র আমার।
এখানে নায়ক চতুরঙ্গ বল নয়, একটি সুরম্য মদের বোতল।

দেবাশিষ সরখেল
রঘুনাথপুর
পুরুলিয়া (পশ্চিমবঙ্গ), সূচক – ৭২৩১৩৩
ফোন – ৯৯৩২৬৬৭৮৮১

শনিবার, ২৩ মে, ২০২০

ক্ষমা || দেবাশিস সরখেল || কবিতা

ক্ষমা   
দেবাশিস  সরখেল 

পরিহাস প্রিয় প্রকৃতির হাসি বেজে ওঠে
অবিকল আমার শৈশবের হাওয়া ফিরফিরি
আকাশে খেচর জান  নাই
রেলগাড়ি নাই   
বিরস কৃষ্ণচূড়া হাসে
পাখিদের মধুর  প্রখর উড়াউড়ি 
24 ঘন্টার দিনে আমরা তো 6 মিনিট 
জুরাসিক পার্ক এর গল্পে ভয় নামে আজ
হে  করম দেবতা   ডলফিনরাশি ঘাইহরিণীর দল  তোমাদের আনন্দ গাথা নতুন করে লিখেছেন জননী আমার 
অরণ্য প্রান্তে হাঁটু গেড়ে বসি 
হে পরিহাস প্রিয় জননী আমার 
আমাদের ভুল গুলো ধুয়ে দাও জলজ ছায়ায়
 তোমার অনিন্দ্য ফুল গুলিসহ   আমাদেরও ঢেকে রাখো তোমার আঁচলে

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...