নিলয় মিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নিলয় মিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২১

আবুল হাসান || নিলয় মিত্র || কবিতা

 আবুল হাসান।।

নিলয় মিত্র।



শুয়ে আছে আবুল পোড়া ঘাসের শরীরে

হাড় মাস জ্বলেনি আশ্চর্য জহ্লাদ আগুনে

বেঁচে আছে রক্তকনা চেতনার

শুদ্ধ শিকড়ে।


একটি নদীর নাম যদি হয় আবুল

হল ধরে থাকা তরুণ মাঝি উন্নত শির আবুল

দুঃখভুমিতে শস্যের প্লাবন এনে দেবে,কবুল।


আবুলের জ্বলে ওঠা চোখে স্পর্ধার উত্তরাধিকার

সমকালের গভীরে প্রোথিত রোদ্দুরের গাঢ় সমাচার

ক্ষোভে রাগে শপথে ইস্পাত মুখ উজ্জ্বল ঘোড়সওয়ার।

 মেদিনীপুর। মানিকপুর।


রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

একটা চিঠি || নিলয় মিত্র || কবিতা

 একটা চিঠি

নিলয় মিত্র





খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে

কোথায়,কেমন আছ তুমি

ঘোলাটে ছবির মতো সময়টা,

শুধু বেঁচে বর্তে থাকা।


ভেবেছি অনেকবার কেমন হয়

যদি একবার,আর একবার 

               দেখা হয়ে যায়

এই বাংলার কোন আঙিনায়

কালজানির দিন,যুবতী মুখ

             ফিরে পাওয়া যায়।

তোমার সেতারের সুর ঠোঁটের

                      কম্পন

আঙুলের সঞ্চারমান 

           চঞ্চলতায় সময় হারায়


বয়সের দীর্ঘ ছায়া পরে গেল

পাতা খসে পড়ার দিন।

বুকের ভিতরেমোচড়ানো কষ্ট

চোখের জলে ভেজা বাদামি

           একটা মুখ দেখি


বহু বছর রোদে পুড়েছি জলে 

             ভিজেছি

তবু, কিজানি,কেন ভুলতে...


চিঠিটা পাবে কিনা যানিনা

পেলে.....।

শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০

সম্পর্ক ধ্বনি || নিলয় মিত্র || কবিতা

সম্পর্ক ধ্বনি

নিলয় মিত্র



এখন সূর্যগ্রহণ প্রতিদিন, 

                        চন্দ্রগ্রহণ

রোদ্দুরের নক্ষত্র আলোর ছুটি

                         এখন।

হিম আঁচ লাগছে স্নায়ুতে,

দৃশ্য মুখ রক্তমাখা ধানের

                         শীষে,

প্রতিটি দিন রাত গুমড়ে 

                   ওঠে দুঃস্বপ্নে।

অন্তর প্রহরী বড় বেশি স্পষ্টে

                   কন্ঠ ছাড়ে জোরে

ভয় পেওনা, ভয় পেওনা হে

বিপদের তলায় যাবার আগে,

অসংখ্য মুখের শ্বাসপ্রবাহ 

                    পেয়ে যাবে

সম্পর্কধ্বনি শস্যহৃদয় বুকে।

সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০

ফেলে আসা আমি || নিলয় মিত্র || কবিতা ।।এক।।

 ফেলে আসা আমি

নিলয় মিত্র। কবিতা ।।এক।।



চোখের পাতায় ঘুম নেমে এলে

কালজানির মাথার উপরে 

              উঠতেন জেগে

চিত্রা ফাল্গুনী অনুরাধা

স্বাতী শতভিসা।

ঠাম্মার হবিস্যিঘরের পেছন  

                             থেকে

গন্ধলেবুর গন্ধ ঝাঁপিয়ে পড়ত

                   উঠোনে ঘরে।

শুরু হতো কালজানির রাতের 

                         সংসার,

ব্যাপারীদের ছই নৌকা আর

বৃহস্পতি রবিবার হাট নৌকার

                             রান্নার

ছোঁক ছাঁক শব্দ,জেলে ডিঙির

                   গীতিময় দ্যোতনা

জলযাত্রার নাবিকদের 

             ভাটিয়ালি ভাওয়াইয়া

বুক ধরে দিত টান,

উত্তরের মেঘ ভাসতে ভাসতে

সনচারিত হত প্রণয় নির্মাণে।

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন।। পর্ব ছয়। নিলয় মিত্র

 ডুয়ার্স ভূমির কথন।। পর্ব ছয়। নিলয় মিত্র




"বাহা"সাঁওতাল জনজীবনে অতি পবিত্র ধর্মীয় উৎসব।বাহা বসন্ত ঋতুর উৎসব।এই 

উৎসবের না হওয়া পর্যন্ত এই

সম্প্রদায়ের মানুষেরা মহুয়া ফুল খায়না।মেয়েরা মাথায় শাল ফুল পড়েনা।প্রকৃত পক্ষে

শাল গাছের প্রতি স্রোধ্যা জানানোর উদ্যেশেই তাদের এই উৎসব হয়ে থাকে।

জাহের এরা পূজার থানে নির্দিষ্ট জায়গাতেই আয়োজন

করা হয় এই পূজা উৎসবের। এই উপলক্ষে জাহের থানে শাল খুঁটি দিয়ে অন্যান্য দেবতার প্রতীক হিসেবে ছোট

ছোট কয়েকটি চালাঘর তৈরি

করেন।সাধারণত যুবক ছেলেরাই জংগল শাল গাছ কেটে আনে এবং চালাঘর তৈরি করতে সহযোগিতা করে

চালাঘর তৈরির পুর পুরোহিত বা নায়েক পূজার জায়গাটিকে পরিষকার পরিছন্ন করেন।গোবর দিয়ে  পুজোর  জায়গাটি নিকানো হয়।চালের গুঁড়ো দিয়ে পুজোর জায়গায় আল্পনা দেওয়া হয়।

   এই বাহা পুজো উৎসব উপলক্ষে পুরোহিতকে কিছু নিয়মকানুন অবশ্যই পালন করতে হয়।পূজার পূর্বরাত্রে তিনি মাটিতে শয়ন করেন। মাদুর কিংবা খাটিয়াতে শয়ন

করেননা।স্নান করে নতুন কলসিতে জল আনতে হয় পূজার জন্য।পূজার জন্য দেবতার আসন প্রস্তুত করেন।

পূজার উপকরণ হিসেবে ফল মূল ও পূজার  নানা সামগ্রী তিনি কুলোতে সাজিয়ে রাখেন।শিকারের অস্ত্রে সিঁদুর  মাখিয়ে রাখেন।এইসব কাজে 

পুরোহিতকে সহযোগিতা করার জন্য অবশ্যই ও-বিবাহিত সাঁওতাল যুবক থাকে। পূজা উপলক্ষে পুরোহিত বা নায়েককে বাড়ি থেকে সবাই মিলে গান করতে করতে পূজা স্থানে নিয়ে যায়।

   জাহের স্থানে পুরোহিত মন্ত্র 

পাঠ সহ দেবতার স্মরণ করেন। পূজা আরম্ভের প্রথমে

মহুয়ার নির্মাল্য দেওয়া হয়।পুজোতে মোরগ উৎসর্গ কোরার রীতি আছে।দেবতাদের রক্ত পান করতে

দেওয়া হয়।পুরোহিত দেবতাদের কাছে গ্রামের সকলের কল্যাণের জন্য আবেদন জানান।পূজা শেষে

পূজার উৎসর্গীকৃত পশু পাখির মাংস দিয়ে খিচুরি তৈরী হয়।উপস্থিত সবাই প্রসাদ গ্রহণ করেন।পূজা শেষে পূজার জায়গা জল দিয়ে ধুয়ে পরিষকার করা হয়।জাহের থানে পূজার কাজ

শেষ করার পর পুরোহিত বা

নায়েক কলোতে করে ফুল নিয়ে প্রত্যেক বাড়িতে বিতরণ

করেন।এই সময় গ্রামের মেয়ে বউরা পুরোহিতের পা ধুয়ে তেল মাখিয়ে দেন এবং পুরোহিতের কাছ থেকে শাল ফুল গ্রহন করেন।এরপর থেকেই সেই বছরের জন্য মেয়েরা শাল ফুল ব্যবহার করতে পারেন।সবাই আনন্দে 

মেতে ওঠে।পুরোহিতের বাড়িতে নৃত্য গীত হয়।ছেলেরা 

মাদল বজায়, মেয়েরা নৃত্যে অংশ নেয়।এই ভাবেই তারা  পবিত্র শাল গাছের উদ্যেশ্যে

"বাহা" উৎসব পালন করেন। শাল গাছকে তারা সত্য সনধানী হিসেবে সম্মান করেন।গ্রামের প্রান্তে শাল গাছ কে কেন্দ্র করে তাদের জাহের থান তৈরি হয়।বাহা 

উৎসবের পবিত্রতা রক্ষার জন্য সাধারণত দু দিন ব্যাপী

পালিত হয় এই বাহা উৎসব 

পূজা।প্রথম দিনে স্নান,দ্বিতীয় দিনে শাল কুঞ্জের জাহের থানের প্রকৃতি দেবী,জাহের এরা-র প্রতি অর্ঘ দান।এই উৎসবকে কেন্দ্র করেই গ্রামের

ছেলে মেয়েরা পরস্পরের গায়ে জল ছিটায়।জল ছিটানোর মধ্য দিয়ে পূর্বের সব মনঃক্ষুণ্ণতা মিটে যায়।ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে সকলে 

আনন্দে মেতে ওঠেন।

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন ।। পর্ব পাঁচ।। নিলয় মিত্র।

ডুয়ার্স ভূমির কথন ।। পর্ব পাঁচ।। নিলয় মিত্র।



সাঁওতালদের মৃত সৎকার ও পরবর্তী আচার সম্পর্কে E T DALTON  একটি উদ্ধৃতিতে বলেছেন,  It is to be observed that the Sanyal in disposing of their dead

Differ from the Munda's,

The formar approximates to the Brah

-manicul customs.It is 

Infact a rough outline of

The Brahman mutual and

Only wants filling it.

:Descriptive Ethnology of Bengal:E T DALTON.:

সাওন্টালদের বিবাহ ও সাঁওতাল জীবনে যৌন জীবন

সম্পর্ক(বিবাহ পূর্ববর্তী)বিষয়ে

H H RISLEY  বলেছেন

[26/09, 12:27 pm] Niloy Mitra Kobi: "Girls are married as adults mostly to men of

Their own choice.Sexual 

Intercourse before marriage ,it being under-

Stood that if the girl becomes pregnent the young man is bound to marry her.

সাঁওতালদের বড়ো দেবতা "মারা ও বুরু"।তাঁরা বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠান করে থাকে।

বীজ বপনের সময় "এরহঃক সিম"উৎসব হয়।বীজ বপন হয়ে গেলে"হারিয়ার সিম",শস্য

কর্তনের সময় "জান্থার",

উৎসব পালন করেন।শস্য সংগ্রহের পর "সহরায়"উৎসব

পালিত হয়।সহরায় উৎসব সম্পর্কে H H Ridley লিখেছেন "The chief festival of santana is the

SOHRAI or harvest festival,celebrated in POSh(November-Decem

Ber) after the chief rice crops of the year has been get in the sacred Grove pigs,goats and bowls are sacrificed by the private families and a

General saturnalia of darkness and sexual  license prevails chastity is in abeyance for the time ,and all unmarried

Persons may indulge in

Promiscuous intercourse."

সহরায় উৎসব সাঁওতাল জীবন শিল্পের এক মুগধ প্রকাশ। তাঁদের জীবনে "প্রকৃতি"হলো "মা"।প্রকৃতির কোলে তাঁরা মানুষ।তাই বসন্তের আগমনে যখন চারদিকে কুসুমিট,পশু পাখিদের কলকাকলিতে হয়ে ওঠে মুখরিত,তখন প্রকৃতি দেবীর পূজা হয়।"বাহা"(Flower Festival)।

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন।। নিলয় মিত্র।। পর্ব।। তিন

 ডুয়ার্স ভূমির কথন।। নিলয় মিত্র।। পর্ব।। তিন



    এখনও সর্বত্র সাঁওলরা নিজেদের "হর"বা "হোরো" বলে পরিচয় দেয়। ভাষাচার্জ

সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়  এর মতে সাঁওতাল শব্দটি সম্ভবত"শাওনতার'" শব্দের থেকে এসেছে। স্যার জি এ 

গ্রীযারসন তাঁর Linguistic

Survey of India গ্রন্থে সাঁওতাল ভাষাকে "খেরওয়ারী"ভাষা বলে উল্লেখ

করেছেন। সাঁওতালরা ডুয়ার্স

এলাকায় আসার সময় তাঁরা

তাঁদের ভাষা,ধর্ম,সংস্কৃতি ও 

একান্ত নিজস্ব জীবনায়ন নিয়েই আসেন।সাঁওতালরা ১২টি গোত্রে বিভক্ত।

গোত্রের নাম।    ধর্মীয় প্রতীক

-------------------    ------------------

হাঁসদা।               হাঁস

কিসকু।              শঙ্খচিল

মুর্মু                     নিলগাই

মানডি।              মেরদা(ঘাস)

হেমরম               সুপারি

সরেন।                সপ্তর্ষি

বাস্কে।                পান্ত ভাত

বেসরা।              বাজ পাখি

চঁড়ে।                 গিরগিটি

পাউরিয়া।          পায়রা

টুডু।             (মূল প্রতীকের 

                  সন্ধান পাওয়া 

                  যায়নি।উপ গোত্র

                  'সোনা'

বেদেয়া।       সন্ধান পাওয়া 

                   যায়নি।

    সাঁওতালদের গ্রামীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থ্যার যিনি প্রধান তাকে বলাহয় মাঝি।(Headman.) তিনি সর্বময় কর্তা। গ্রাম সংগঠন হলো ১.মাঝি ২.পারণিক (মাঝির সহকারী)৩.জগ মাঝি-ইনি গ্রামের যুবক যুবতী দের পরিচালক।৪.জগ পারণিক ৫.গডেত(মাঝির বার্তাবাহক) 

৬.নায়কে- গ্রামের পূজারী।,৭.

কুজম নায়কে-নায়কের সহকারী,বন জংগল ও প্রকৃতির পূজারী। ইনি শিকারের নিশ্চয়তার জন্য 

পার্গানা-দেবতা ও সীমা দেবতার পূজা করেন।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন || পর্ব চার || নিলয় মিত্র।

 ডুয়ার্স ভূমির কথন। পর্ব চার।

নিলয় মিত্র। 




    সাঁওতাল সমাজের প্রাচীন বিবাহ পদ্ধতি আজও অনেকে

অনুসরণ করেন।

১.কিরিঙ-বাই-বাপলা: কনে দেখতে যাবার সময় কনো অশুভ ঘটনা দৃশটিপথে পড়লে ,তাঁরা সে বাড়িতে বৈবাহিক  সম্বন্ধ করেননা।গরু

বাঘের ছাপ, কিংবা জল ভরা 

কলসি দেখা শুভ লক্ষণ।আগুন,সাপ,বা স্ত্রীলোকের মাথায় জ্বালানি কাঠের বোঝা 

দেখা অশুভ লক্ষণ।বিয়ের কয়েক দিন আগে বিয়ের মন্ডপ তৈরি করা হয়।জাহের এরা,মড়েকো এবং মারাং বুরুর উদ্দেশ্যে তিনটি মুরগি 

উৎসর্গ করা হয়।পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে হাঁড়িয়া উৎসর্গ করা হয়।এ বিয়েতে শুধু কন্যাপন দরকার করা হয়।

২.টুংকি-দিপিল-বাপলা:এটা গরিবদের বিয়ে,ঢাক ঢোল বাজেনা।

৩.ওর-আদের-বাপলা: হিন্দু শাস্ত্র মতে এ হলো রাক্ষস বিয়ে।ছেলে মেয়েকে পছন্দ করেছে কিন্তু মেয়ে ছেলেকে পছন্দ করেনি।ছেলে জোর করে মেয়েকে বিয়ে করেছে।

৪.ইর-বল-বাপলা:,ছেলে মেয়ে

রাজি,কিন্তু অভিভাবক বাধা দিচ্ছেন।জগমাঝির সাহায্যে 

মেয়ে সংসারে প্রবেশ করে।

৫.ইতয়-সিঁদুর-বাপলা:এ হলো 

জবরদস্তি মূলক বিয়ে।ছেলে মেয়ের ভাব ভালোবাসা আছে

কিন্তু অভিভাবক বাধা দিচ্ছে।এবার ছেলে একদিন সুযোগ

মত্ জোর করে মেয়ের সিঁথিতে সিঁদুর লাগিয়ে দেয়।

মেয়েটি চলে যায় স্বামীর সাথে।

৬.সাঙ্গা:বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্ত মেয়ের সাথে বিয়ে।

৭.কিরিও জাওয়ার বাপলা:

এই বিয়েতে বরপন দিয়ে জামাই ক্রয় করা হয়।

    সাঁওতালরা অন্য সম্প্রদায়ে 

বিয়ে করলেও তা ভালো চোখে দেখা হয়না।

সাঁওতালরা মৃতদেহ দাহ করে।যাঁরা খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেছেন তাঁরা কবর দেন। অন্তঃসত্ত্বা নারী বা শিশুর মৃতদেহ দাহ করা হয়না।শ্বশানে যাবার পথে খই ও তুলা বীজ ছড়িয়ে 

দেয়।চিতা সাজানোর পরে একটি মুরগির বাচ্চা বলি দেওয়া হয়।পাঁচদিন পর "তলনাহান" অনুষ্ঠান হয়।তখন মারাংবুরু ও পূর্বপুরুষ

দের উদ্দেশ্যে মুরগি ও হাঁড়িয়া

উৎসর্গ করা হয়।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন || নিলয় মিত্র || আজ পর্ব- দুই

ডুয়ার্স ভূমির কথন
নিলয় মিত্র

পর্ব- দুই

    তরাই,ডুয়ার্স এলাকায় সাঁওতাল আগমন প্রসংগে ,
"Sunders Report:8th March 1895 " এর একটি অংশের উল্লেখ করছি,"while
Holding the charge of ,Bisa Sub_division ,I
Communicated with Mr. Stark,Deputy Magistrate ,
Who was then in charge of the DAMINI Forest in
Song hal Por ganas,and I also sent song hal servants , at my own cost,to the district' to find out whether song hala would be willing to come and settle in the waste 
Lands of western Duars.
The reports which reached me made me hopefully that they would
Do so, and I accordingly
Recommended,in my letter no.769G of the 4th January,1890,to the Dy.
Commissioner of Jalpaiguri ,that a Sonthal
Colony be started in Dhara.
  ১ লা মার্চ ১৮৯১সালে আলিপুরদুয়ার এ একটি সম্মেলন হয় গদাধর ও রায়ডাক নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলের সামুকতলায়।শামুক -তলা আলিপুরদুয়ার শহরের সামান্য কয়েক কিলোমিটার দূরে। সেখানে সাঁওতাল বসতি
পতনের ব্যবস্থা হয়। "By Govt. Notification no.
4300L.R dt. 27th August
1891 a block of land measuring more or less
29Sq. ME,has been resumed fur the Song hala.
Please read 29Sq.Me.has
Been resumed for the songbad.
Please read last two lines as ",29Sq. Me. has
Resumed for the Month als.
 Plese read sonthals. Not
Song hala.

সাঁওতাল কিছু অগ্রিম অর্থ ঋণ হিসেবে দেবার জন্য Rev. A.J.Shields এবং Mr. Heawood নামে দুই উদার ইংরেজ ভদ্রলোক অগ্রণী হন,
তাঁরা নিজেদের পকেটের থেকে  এই ঋণ দান করেন।
১৮৯১ সালে Sunder সাহেবের উপস্থিতিতে ৫০০জন সাঁওতাল নরনারী
ও শিশুর দল শামুকতলায় তাদের বসতি পত্তন করেন।
 সাঁওতাল পরগনা থেকে জলপাইগুড়ির মোঘলঘাট পর্যন্ত সাঁওতাল দের আনার
জন্য বাঙলার গভর্নর রেলওয়েতে ফ্রি পাস এর ব্যবস্থা করেছিলেন। এই সাঁওতাল চাষাবাদ করতেন।
তাঁদের রোজগার ছিল প্রতিদিন আট টাকা থ্যেকে দশ টাকা।
   চা বাগানের পত্তম শুরু হলে
চা বাগানের কাজের জন্য সাঁওতালদের নিয়ে আসা শুরু হয়। প্রায় সব চা বাগানেই
সাঁওতাল পরিবার আছেন,কিন্তু গোষ্ঠীবদ্ধ জীবন
থ্যেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব স্বকীয়তা এখন আর সহজলভ্য নয়।চা বাগানের বাইরে সাঁওতালরা বসতি স্থাপন করেছেন ফালাকাটায়,
শালকুমারে,মাদারিহাটের খগেন হাটে সাঁওতাল পল্লী হয়েছে।উল্লেখযোগ্য সাঁওতাল
সংখ্যা রয়েছে চা বাগান গুলিতে।

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডুয়ার্স ভূমির কথন || নিলয় মিত্র || ধারাবাহিক বিভাগ

ডুয়ার্স ভূমির কথন
নিলয় মিত্র।

পর্ব-১

ট্রেনে বা বাসে যে কোনো যান চেপে চলুন যাই ডুয়ারসে। চোখে পড়বে নদী,পাহাড়,ঝর্ণা
ঝোরা।চোখে পড়বে মাথা ছাঁটা ছোটো ছোটো দশ থেকে পনেরো মিটার দীর্ঘ গাছ থেকে মাথায় বিনুনি করা ফিতের সাথে টুকরি বাঁধা ,তাতে দুটি পাতা একটি কুঁড়ি নিপুণ হাতে তুলে আনছে মেয়ে পুরুষ চা শ্রমিক।একমনে ফেলছে টুকরিতে। এই নরম পাতা ও
কুঁড়ি থেকে তৈরি হয় নানা রকমের চা পাতা।
দীর্ঘকাল আগে সম্ভবত শত
বর্ষের ও আগে জসিডি,
গিরিডি,চাইবাসা,সাঁওতাল
পরগনা থেকে সাঁওতাল জন
জাতিকে আনা হয়েছিল চা
বাগিচা সৃষ্ঠি ও লালন পালনের জন্য, আড়কাঠীদের
মাধ্যমে।পূর্ব পসচিম ডুয়ার্স এ
সাঁওতালরা এলেন Sunder  সাহেবের হাত ধরে।
মান্দার, পলাশের রাঙামাটির
টিলা থেকে সাঁওতালদের নিয়ে আসা হলো কিরাত ভূমিতে।D H E SUNDER ছিলেন WESTERN DOOARS  এর Settelment
Officer.এই ভূমিতে তাদের
পরিচিতি ঘটলো মেচ,toto, রাভা, রাজবংশী,গারো, দোবসিয়া জনজাতি ও তাঁদের জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে ৷
( চলছে...

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

কত সত্য জেগে রয় || নিলয় মিত্র || কবিতা

কত সত্য জেগে রয়।
নিলয় মিত্র।










আকীর্ন চোখের গভীরে
কত বিপন্ন বিস্ময় খেলা করে
খেলা করে মানুষ হৃদয়ে,
ঘাসে, শিশিরে,নদীর জলে
প্রতিদিন কত রৌদ্র ঝরে,পূর্ণিমা,
আলাপী জিভের তরে
মমতা ভালোবাসার শ্বাস ধুয়ে
                           ধুয়ে
বিশ্বাস জাগিয়ে দেয় মানুষ
                 মানুষের অন্তরে।

সূর্যের বুকের তলে জমে ওঠে
                        স্বপ্ন কতো
কতো গাঢ় আকাঙ্খার আলো,
শরীরের সাধ,প্রেমের সহিষ্ণু
                                 মুখ
প্রীত স্পর্শে জেগে থাকে কত
                          প্রিয় বুক।

পক্ষিণীর ঠোঁটে ঠোঁটে তৃনরা
                          জমা হয়
নীড়ের আয়োজনে
বুকের দুধ ঢেলে দেয় ধান
জেগে ওঠে মানবসমাজ উঠান,
মানব মানবীর নিবিড় গাঢ় শ্বাস
আস্থা পেয়ে যায় জীবন,রক্তে
              নতুন আশ্বাস।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...