পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ-৩। মুরারি সিংহ । বাংলা । ০৭-১০-২০১৮


পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ

মুরারি সিংহ




এখন তন্ত্রধর্মের গুহ্য ব্যাপার-স্যাপারগুলোর ভিতর না ঢুকে তার সারকথা নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাক। কারণ তথাগতের ধর্ম ছিল বেদ-বিরোধী তথা প্রাতিষ্ঠানিকতার বিপক্ষে একই সঙ্গে প্রান্তবাসী লোকসমাজের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতাও ছিল অত্যন্ত প্রবল। অনার্য-জনের প্রতি উদার হবার কারণে তাদের অনেক লোকাচার বৌদ্ধধর্মকে সমৃদ্ধ করেছে জনপ্রিয় করেছে। বুদ্ধদেব বললেন বুদ্ধ কোনো ব্যক্তি-মানুষ নয়, বুদ্ধ আসলে একটি শুদ্ধ মানুষের ধারণা।প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বুদ্ধ হয়ে ওঠার অনন্ত সম্ভাবনা আছে। তবে তাকে বুদ্ধত্ব বা পূর্ণত্ব অর্জন করতে গেলে ক্রমাগত অভ্যাসের মাধমে নিজের অন্তর্নিহিত সদগুণগুলিকে বিকশিত ও পল্লবিত করতে হবে। তার জন্যে চাই তীব্র ইচ্ছা ধারাবাহিক চেষ্টা ও নিঃস্বার্থ সাধনা। এই সাধণার প্রক্রিয়া থেকেই বৌদ্ধতন্ত্রের জন্ম। বৌদ্ধতন্ত্র চেয়েছিল মানুষের নিজের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা শক্তিকে আবিষ্কার করার ও জাগানোর আনন্দটিকে সাধারণ মানুষের মধ্য পৌঁছে দিতে। তাঁরা বলেছিলেন মানুষের যে দুঃখ-কষ্ট তার মূল কারণ তার অতৃপ্তি, যোগের মাধ্যমে সেই অতৃপ্তিকে পরিহার করে প্রবল আনন্দময় তৃপ্তি লাভ করতে হবে এবং সেই তৃপ্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হবে।
তন্ত্র সম্পর্কে বলতে গিয়ে এখন আমি আমার 'পোস্টমডার্ন ও জয়-মা-কালী' বইটি থেকে কিছু প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি তুলে দিচ্ছি- "তন্ত্র বলতে আমরা বুঝি তাঁত বোনা। শব্দটির বুৎপত্তি-গত অর্থও তারই কাছাকাছি। 'তন্ত্র' শব্দটিকে যদি দুটি ভাগে ভাঙা যায় তাহলে তার দুটি অংশ পাওয়া যায় – 'তন' এবং 'ত্র''তন' অর্থে বিস্তার, এবং 'ত্র' অর্থে মুক্তি; অর্থেৎ সামগ্রিক ভাবে 'তন্ত্র'-এর শব্দ-গত অর্থে দাঁড়ায় 'মুক্তির বিস্তার' বা 'মুক্তিকে বিস্তৃত করা'তন্ত্রের কাজ তিনটি, মানব-জীবনের ধাঁচাটিকে বোনা, বিস্তৃত করা এবং তাকে ছড়িয়ে দেওয়া। অর্থাৎ মানুষের ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করা। তন্ত্ররহস্যে তন্ত্রকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এইভাবে তন্যতে বিস্তারয়তে জ্ঞানম্ অনেন ইতি তন্ত্রম্। অর্থাৎ তন্ত্র হল সেই বিদ্যা বা শাস্ত্র যার দ্বারা মানুষের ভিতর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে।... তন্ত্র মানে একজন মানুষের প্রকৃত সত্তার উন্মোচন। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় সংকট থেকে একজন মানুষের মনে যে নানান টানাপোড়েন তৈরি হয়, নিয়মিত তন্ত্র সাধনার মাধ্যমে ওই মানুষ তার সেই দোনামনাগুলি থেকে মুক্তি পেতে পারে।... তন্ত্রের সারকথা যতটা বুঝেছি তার থেকে বোঝা যায়, তন্ত্র মানে অতি একান্তে নিজের সঙ্গে বসা; নিজেরই মুখোমুখি হওয়া, অর্থাৎ নিজের ভিতর-আমির সঙ্গে এক নিবিষ্ট কথোপকথন বা আলাপচারিতা। সাধারণত মনে হতে পারে ধর্ম বলতে আমরা যা বুঝি এ যেন তা নয়, আবার হয়ত এটাই প্রকৃত ধর্ম। আসলে একান্তে বসে নিজেকে নিয়ে একটু ভাবলে দেখা যায় প্রতিদিনের নানান ঘটনা-দুর্ঘটনার তানাপোড়েনে একজন মানুষের 'আমি' নামক সত্তাটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। এমনিতেই মানুষের ভিতরের 'আমি' বেশি ভার সহ্য করতে পারে না, সে সব সময় নিজেকে ভারহীন রাখতে চায়, বেশ নির্ভার, ফুরফুরে, হাসিখুশি। নাচতে চায়, খেলতে চায়, গাইতে চায়।কিন্তু যত গণ্ডগোল বাধায় বাইরের 'আমি'-টা; বাইরের আমি মানে যে-আমি সবসময় আমার ধন, আমার সম্পদ, আমার বাড়ি, আমার গাড়ি, আমার ঘটিবাটি করে বেড়ায় অর্থাৎ সে অহং-স্বর্বস্ব; ভারী। এই বাইরের আমি ভিতরের আমিকে মুক্ত থাকতে দেয় না; নানা রকম ভার চাপায়। যার 'আমি' যত ভারী হয়, তার আমি তত দ্রুত এবং তত বেশী করে ভাঙে।...প্রকৃতির কোলেই অতি নির্জনে বসে একমনে চিন্তা করে নিজের সেই ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন আমিগুলোকে এক জায়গায় আনতে বা আরো নিবিড় হয়ে তাদের অতিক্রম করে নিজেরই গভীরে এক বৃহত্তর আমির খোঁজ করে তার মধ্যে মানুষ নিজেকে বিলীন করতে পারে।

শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৮

পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ-২ । মুরারি সিংহ । বাংলা । ০৬-০৯-২০১৮

পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ

মুরারি সিংহ


(২)


যোগের সময় হিসেবে ঊষাকালকে বেছে নেওয়া হয়। কারণ সারা রাত ঘুমের মধ্যে দিয়ে শরীর ও মন বিশ্রাম নেবার পর সেই ব্রাহ্ম-মুহুর্তে তারা আবার নতুন করে জেগে ওঠে। ধরিত্রীও জেগে ওঠে আরেক নতুন সম্ভাবনা নিয়ে। জেগে ওঠে পাখি ও প্রকৃতি। বাতাস অনেকতাই কলুষ-মুক্ত থাকে। সেখানে অকসিজেনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফাঁকা মাঠে। সুতরাং এই সময়ে যোগাভ্যাস করাটা সব দিক দিয়েই বেশ ইতিবাচকআর যোগ ব্যাপারটাও শুধু মনের সঙ্গে মনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা হয়ে যায় মনের সঙ্গে প্রকৃতির যোগ পৃথিবীর যোগ বা আর একটু বিস্তারে গেলে মহাপৃথিবীর যোগ। যা মনকেও প্রসারিত করে, মনের উদারতা বাড়ায়, মনের গ্রহণক্ষমতাও কিছু বেড়ে যায়। মানুষের ব্যক্তিত্ত্বও উন্নত হয়।
এরপর যদি খানিক অতীতের পাতা ওলটাই তাহলে দেখতে পাব যোগ ব্যাপারটা ভারতীয় ঐতিহ্যে বেশ প্রাচীন। ভারতীয় সভ্যতার আদিপর্বে এদেশে যখন আর্য-আগ্রাসন শুরু হয়নি, অর্থাৎ সেই হরপ্পা-মহেঞ্জোদড়োর আমলেও যে যোগের চর্চা ছিল মাটি খুঁড়ে তার পাথুরে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ প্রসঙ্গে আমি সিন্ধু-সভ্যতার সেই প্রাচীন ধ্যানি-মূর্তিটির কথা পাঠকদের মনে করিয়ে দিতে চাই, পশু-পরিবৃত সেই মূর্তিতিকে গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা আদিতম যোগি-মূর্তি হিসেবে চিহ্নিত করে তার নাম দিয়েছেন পশুপতি। কেউ কেউ তার মধ্যে শিবের আদিরূপটিকেও খুঁজে পেয়েছেন, যদিও তখন বৈদিক-ব্রাহ্মণ্য ধর্মের সূচনা হয়নি। নানান চিহ্ন-প্রকরণ দেখে অনুমান করা যায় প্রাচীন সিন্ধু-উপত্যকা বা অনার্য-ভারতের জনগণের মধ্যে তন্ত্রধর্মের প্রচলন ছিল, যা একেবারেই লোকায়তিক। যোগ সেই তন্ত্রধর্মেরই একটা অংশ।
এই উপমাহাদেশে আর্য-যুগ শুরু হবার পরেও উপরতলার প্রাতিষ্ঠানিক বৈদিক-ব্রাহ্মণ্য ধর্মের সমান্তরালে প্রান্তিক জনপদে লোকসমাজে তন্ত্রধর্মই চালু ছিল। আর্য-অনার্য সংঘাত ও সমন্বয়ের প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে সেই তন্ত্রধর্মের ঊর্ধগমন হয় এবং লোকসমাজে তার জনপ্রিয়তার চাপে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মও সেই তন্ত্রকে আত্তীকরণ ও আত্মস্যাৎ-এর চেষ্টা করে এবং সেটি ঘটে বৌদ্ধধর্মের হাত ধরে।

শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৮

পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ । মুরারি সিংহ । বাংলা । ০৫-০৯-২০১৮

লেখাটি কয়েক বছর আগে আই-সোসাইটি 'কাব্যযোগ' সংখ্যায় প্রকাশিত । একটু ফিরে দেখা । 

পোস্টমডার্ন ও কাব্যযোগ

মুরারি সিংহ







 শূন্য দশকের কবি সৌমিত্র রায়। কবিতাকে আপডেট করার ব্যাপারে বহুদিন হল নানান ভাবনা-চিন্তা করছে। সেই ভাবনারই নবতম পদক্ষেপটির নাম কাব্যযোগ। অর্থাৎ কবিতার সঙ্গে যোগের মিলন ঘটানো।

 এই প্রকল্পটির অংশ হিসেবে মেদিনীপুর শহরের কিছু কবি-বন্ধু খুব সকাল সকাল শহরের মধ্যেই জামবাগানে মিলিত হন। হাঁটা-হাঁটি শরীর-চর্চা ও যোগাভ্যাস করেন। কবিতা পড়েন। মোবাইলে গান চালানো হয় 'প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে   আরো আরো আরো দাও প্রাণ' সেই সঙ্গে পাখিদের ও কুকুরদের খাবার বিলোনো। এই বাগানের বিশাল মাঠে আরো আরো অনেকে আসেন ফুটবল খেলা শরীর-চর্চা ছুটোছুটি অভ্যাস করতে। কেউ কেউ হয়ত সকালের মুক্ত বায়ু-সেবনের জন্যেও। কবি-বন্ধুদের সঙ্গে তাদেরও আলাপচারিতা হয়। পারস্পরিক ভাব-বিনিময় হয়।

 সৌমিত্র একদিন সকালে আমাকেও সেখানে টেনে নিয়ে গেল। সেদিন আবার ছিল রাখি-বন্ধন। সুতরাং অন্যান্য কাজকর্মের পাশাপাশি পরস্পরকে রাখি পরানো ও চকলেট খাওয়ানোও হল। সকালটা ভালোই কাটলো। তো সৌমিত্রর ইচ্ছে এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি কিছু লিখি। ও হ্যাঁ সৌমিত্র আবার ইদানিং একটি অনলাইন কবিতা দৈনিক বের করছে। নিয়মিত।

 সৌমিত্রর অনুরোধে অগত্যা কলম ধরতে হল তার আগে বিষয়টা নিয়ে কিছুটা ভাবতেও হল।

 প্রথমেই নতুন শব্দবন্ধটির উপর নজর বোলালাম। লক্ষ করলাম কাব্যযোগ কথাটির দুটি অংশ। প্রথমটি কাব্য, দ্বিতিয়টি যোগ। কাব্য এবং যোগ দুটির সঙ্গেই আমাদের পরিচয় আছে। আলাদা আলাদা ভাবে। আমাদের মধ্য যেমন বিস্তর কবিতা-অনুরাগী আছেন তেমনি যোগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন মানুষজনও কিছু কম নেই। আবার একটু খুঁজে দেখলে একই সঙ্গে কবিতা ও যোগের ভক্ত তেমন  লোকও বেশ কিছু মিলে যাবে। কিন্তু কাব্যযোগ ব্যাপারটি যেহেতু অভিনব তাই সেটি কী বস্তু একটু আলোচনা করা যাক। 


 আগে যোগ ব্যাপারটিও কিছুটা বিশ্লেষণের প্রয়োজন। কী যোগ কেন যোগ কীভাবে যোগ – এসব প্রশ্ন মনে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। যোগ ব্যাপারটিকে আমরা চিনি ও জানি একটা আধ্যত্মিক প্রেক্ষাপটে। আমরা জানি ঈশ্বরের সাধনায় যাঁরা সিদ্ধি লাভ করেছেন তাঁরা সব যোগী-পুরুষ। কিন্তু এখান এই পোস্টমডার্ন সময়ের আয়নায়, মাননীয় পাঠক, আমি যোগকে আমি একটু অন্য দিক থেকে দেখতে বলব। যার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার কোনো সম্পর্ক নেই। এবং সত্যি বলতে কী আমার মনে হয় ধর্ম ও সমাজের উদ্ভবের একেবারে আদিতে যোগের সঙ্গে সমাজের শিষ্ট অংশে প্রচলিত ঈশ্বর-সাধনার কোন সেতু–বন্ধন ছিল না। বরং তা ছিল প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিপরীতে লোকসমাজে পালিত একটি ফলিত শিল্প বিশেষ। হ্যাঁ যোগকে এখানে আমি খুব সচেতন ভাবেই শিল্প বলতে চাইছি, যা মানব-সম্পদের বিকাশ ও তাকে যথাযথ প্রয়োগের কাজে লাগানো হত। বর্তমান সময়ের তথ্য-প্রযুক্তি জৈব-প্রযুক্তি প্রভৃতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একে মানব-প্রযুক্তিও বলা যায়।  

 আমার ধারণাটা কিছুটা খোলসা করেই বলি। এমনিতে যোগ বলতে সাধারণত আমরা বুঝি সংযোজন। একটি বিষয় বা বস্তুর সঙ্গে আরেকটিকে যুক্ত করা। এখানেও যোগের সেই অর্থে কোনো হেরফের ঘটেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সেই সংযোজনের আগে কী পরি বা কী। অর্থাৎ কীসের সঙ্গে কীসের সে মিলন। তার উত্তরে বলা যায় এই যোগ মনের সঙ্গে মনের। আমরা জানি মনের নানান স্তর আছে। তার খুঁটিনাটির ভিতর না ঢুকে মনকে মোটামুটি দুটি অংশে ভাগ করতে পার। একটি বাইরের মন। যে অহরহ আমাদের সঙ্গে আছে, চারপাশে যা কিছু ঘটছে তার উপর নজর রাখছে। চট-জলদি কিছু ভেবে নিচ্ছে। সেই ভাবনার সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমাদের কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। অন্য মনটি্র অবস্থান কিন্তু ভেতরে বা অন্তরে বা বাইরের মনেরও গভীরে। বিশেষ বিশেষ সময়ে বিশেষ প্রয়োজনে আমরা সেই ভিতরের মনটির সঙ্গে কথা বলি। যে জন্য বলা হয় কোনো বিষয় একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখা বা বলা। যোগ হচ্ছে আসলে আমাদের বাইরে মনের সঙ্গে সেই ভেতরের মনের মনের সংযোগ স্থাপন। একেই কেউ কেউ বলেন ধ্যান বা meditation। একথা আজ সবাই স্বীকার করেন এই ধ্যানের দ্বারা মনোযোগ বা মনঃসংযোগ বাড়ে। অর্থাৎ সেই বাইরের মনের সঙ্গে গভীর মনের যোগ। তাতে করে বাইরের মন অনেকটাই শান্ত হয়। চিন্তার গভীরতা ও তীক্ষ্ণতা বাড়ে। জীবনের অনেক সমস্যা যা অন্য সময়ে বেশ জটিল ও কঠিন বলে মনে হয়, সেগুলিকেও তখন সহজ মনে হয়। ফলে মন অনেকটাই টেনশন-মুক্ত হয়। মনের হারানো স্ফূর্তি ফি্রে আসে। নিজেকে খুব হালকা ও ফুরেফুরে লাগে। সব মিলিয়ে কাজের এনার্জি অনেক বেড়ে যায়। সারা দিনটা বেশ ভালো কাটে। এই তো গেল মনের দিক। যোগের আরেকটা দিক আছে। সেটা নানাবিধ আসনের মাধমে শারীরিক কসরত। তাতে করে শরীরের অনেক স্থবিরতা কেটে যায়। ব্যথা বেদনা মেদ ইত্যাদিরও বেশ কিছু উপশম হয়। এখন বড় বড় চিকিৎসকরাও আসন করার কথা বলেন, কারণ নিয়মিত যোগাভ্যাস চালিয়ে যেতে পারলে শরীরকে অনেক বেশি সচল রাখা যায়। এক কথায় যোগের মাধ্যমে শরীর ও মন দুই সুস্থ থাকে।
                                                                                                                                                                            ( চলছে ) 

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...