রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন । রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । বাংলা । নবপর্যায়- ৬০৮ । ০৪-০৯-২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়


ধপধপে সাদা ধোঁয়ায় ভয় পায় না, এমন কেউ নেই।কিন্তু আমাদের নায়ক কিছুটা আলাদা।তার কৌতূহল যতোটা গভীরে, ততটাই আকাশ উচ্চতায়।কেউকেউ অবশ্য আছে, যারা চূড়ায় উঠে আকাশ ধরতে পারে।হাত বাড়িয়ে ধরতে পারে চাঁদের মতো কিছু।তখন বেশ লাগে।বুড়ো হলেও তার আনন্দ, তার প্রশ্ন, তার উত্তর আজও একইরকম।পৃথিবীর বয়স যতো বাড়ে, সেও তার মতো ইতিহাস গুছিয়ে রাখে কোটরে।কোটরে থাকা জীবিতরা সাহায্য করে তাকে, রোজ তার মাথা / পিঠ চুলকে দেয়।গল্প শোনে।এভাবেই কিছুকাল চললো।তারপর, হঠাৎ একদিন সেই ধপধপে সাদা ধোঁয়া।ছোটোবেলায় দেখা বাজ পড়া গনগনের তুলনায়, এ যেনো ভীষনই আলাদা।যদিও চোখে ছানি পড়লেও, অনুভূতি কিন্তু ঠাওর করতে পারে সবকিছুই।অংশগুলোকে তিলতিল করে জোড়া লাগাতে থাকে সে, কিন্তু কোন এক অজানা কারনে পুরোটা হয়েও হয় না।তাহলে এটাই সভ্যতার অতিআধূনিক অভিমুখ? সে দেখে সবকিছুতেই যন্ত্রাংশের সমষ্টি।বিয়োগের পরিবর্তন যদিও কিছু মানুষ করতে চায়, তবে সংখ্যায় কম।সে দেখেছে সেই মানুষগুলোর একসাথে আওয়াজ "রাস্তা নয়।ফ্যাক্টরি নয়।জল চাই।জমি চাই।অরণ্য চাই"।মাঝেমাঝে বড়ো একাত্ম বোধ করে, আমাদের বুড়ো নায়ক।ধপধপে সাদা ধোঁয়া।কতো তরল লাল।কতো আদমশুমারি কম।কতো প্রত্নতাত্ত্বিক কঙ্কাল।এসব পেরিয়ে বেশিরভাগই হাত বাড়িয়ে দখল করতে চায়, তার কোটর।এখন ঝুরিগোছা থেকে দোলনা নেই, বরং তার গুঁড়িতে লাল রং / ঘন্টা / পাথর।এতদিন সে মাটির সাথে খেলা করতে করতে শুষেছে নোনা খনিজযুক্ত জল।সে পেয়েছে বুকভরা আদর, দিয়েছে প্রাণ ভরা সোঁদা নিশ্বাস।আজকাল সবই যেনো এলোমেলো।কলসি ভর্তি জল তার শিকড়ের শেষ বিন্দুতে পৌঁছাবার আগেই কেমন যেনো মুলরোমগুলোকে তীব্রভাবে কামড়ে ধরে।এই মাটিতে মিশে গেছে মাংসমজ্জার লসিকাকোষ, ঘড়ি বলছে টিকটিকটিক্।এবার তারও দখল করার পালা।কিন্তু সে তো আশ্রয় দিতে শিখেছে, দখল করতে শেখে নি।মাটি / নদী / আকাশ / মেঘ / বৃষ্টি ~ ক্রমশঃ আড়াল থেকে হাসে।বলে, আজকাল তারাও ফিরে পেতে চায় জমি।মানুষ নাকি বলে, মাচানতলার বুড়ো বটের গুঁড়িতে ঈশ্বরের অধিবাস।কিন্তু সেই ধপধপে সাদা ধোঁয়া।মাটি / নদী / পাহাড় / আকাশ / মেঘ / বৃষ্টি / শেকড় ~ কেউই জানে না 'ঈশ্বর' কথার অর্থ কি।তবে কি শুধু মানুষই জানে? প্রশ্নগুলো জমাট বাঁধে।ক্রমশঃ জারন-বিজারনের রসায়নে একেএকে জড়ো হয় পরমাণু আকৃতির চুম্বকে।বুড়ো নায়ক জানে, দখল করার পরেও একদিন খুঁড়ে বার করা হবে তাকে, তার ইতিহাস, তার সাক্ষ্য দেবার ইতিকথা।আগামীর মানুষ হয়ে উঠবে স্বচ্ছ স্ফটিকে রূপান্তরিত ~ এই বিশ্বাস নিয়েই বুড়ো বট ডুবে যায় পৃথিবীর গোপন কোটরে।পৃথিবীর বিপরীত বেগ, বিপরীত উষ্ণতা ফিরিয়ে দেয় তার শৈশব।
[এক নতুন ভোরবেলায় ~ মাচানতলাবাসীরা দেখে বুড়ো নায়ক ডুবে গেছে, পৃথিবীর কেন্দ্রীভূত গহ্বরে, আর রেখে গেছে ছোট্ট অঙ্কুর : আগামী মানুষ ও সময়ের ভরসায়।প্রমাণিত সম্পাদ্য পড়ে থাকে এক কোনে, ?-চিহ্ন মিশে যায় আরেক ?-চিহ্নে]

##### সমাপ্ত ######



শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

প্রকাশিত হল নির্মাল্য ঘরামীর ছোটগল্পের বই ৷ বাংলা-৬০৫ ৷ ০১-০৯-২০১৮

প্রকাশিত হল ছোটো গল্পের বই " সাত রঙের মানুষ"
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিবেদন

নৈষ্ঠিক একাদেমীর পরিচালনায় আজ, রবিবার, 26শে আগস্ট, কোচবিহার রেডক্রস ভবনে,  প্রকাশিত হল নির্মাল্য ঘরামীর ছোটগল্পের বই 'সাত রঙের মানুষ'। সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন কবি অমর চক্রবর্তী। বইটি নিয়ে মূল আলোচনা করেন মুজনাই সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক শৌভিক রায়। ছোটগল্পকার হিসেবে নির্মাল্য ঘরামীর গ্রন্থের গল্পগুলির নানা দিক উঠে আসে তাঁর আলোচনায়। ছোটগল্প কি ও কেন এবং ছোটগল্পের সার্থকতা ঠিক কোথায় সেদিকে দৃষ্টিপাত করে বইটির সাফল্য কামনা করেন তিনি। কবি বিবেক চৌধুরী ও সাহিত্য ব্যক্তিত্ব দ্বিজেন সিংহের আলোচনাতেও উঠে আসে বইটির নানা দিক। বক্তব্য রাখেন তিতির পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় সাহা। নির্মাল্য ঘরামীর গল্প পাঠ ও স্থানীয় কবিদের কবিতা পাঠও ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। নৈষ্ঠিক একাদেমির পক্ষে কবি অজিত অধিকারী উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে নৈষ্ঠিক একাদেমীর পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের কবি-লেখকদের বই প্রকাশের সুখবর জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বর্ষিয়ান কবি আব্দুল্লাহ মিঞা।

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন । রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । বাংলা । নবপর্যায়- ৬০৪ । ৩১-০৮-২০১৮


বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়


জীবনের প্রশ্নগুলো বড়ো অদ্ভুত।আর প্রকৃতি ও সময়ের সহাবস্থান যতোটাই জটিল, ততোটুকুই সহজ।এসব মেঘরোদের সমাধান বুঝতে বুঝতেই একদিন মানুষের ভাষা বদলে যায়।প্রথম প্রথম এক অদ্ভুত গহ্বরে থাকা আমাদের নায়ক এসব ঠাওর করতে পারে নি।তারপর উঁচু হতেহতে যখন পাহাড়, ঝর্ণা, সমুদ্র, নদী, মাঠ, বরফ, আগ্নেয়গিরি ~ এসব ছাড়িয়ে সে পৃথিবীর সম্পূর্ণ ব্যাস জড়িয়ে ধরে, বুঝতে পারে লোভ-লালসার ভাঁওতাবাজীর খেলা।আক্রমণ বা প্রতিআক্রমন কোনোটাই আদপে বিষয় নয়।মুল বিষয় হলো উদ্বৃত্ত বিশেষণ।ভাষা আলাদা তাই সীমারেখা টানাটানি।শুধু চুপিসারে নৈশব্দের গল্প যারা করে, তারাই বোঝে বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয়তা।এভাবেই একেএকে সে সাক্ষ্যের পর সাক্ষ্য তুলে রাখে।তার চামড়া ও খসে পড়া উদ্বৃত্ত পাতায় বিছিয়ে রাখে সৃষ্টি ও ধ্বংসের দ্বান্দিক দলিল।মাটির কোনো অতিরিক্ত পরিচয় নেই, তার পরিচয় মাটি।জলের কোনো অবশিষ্ট পরিচয় নেই, সে কেবলই জল।আকাশের কোনো নির্দিষ্ট পরিচয় নেই, সে এক বিস্তীর্ণ অসীমের অংশবিশেষ।আগুনের আলাদা করে শ্রেণি চরিত্র নেই, তার বিশেষ্য ও বিশেষণ সে আগুনই।জীবন তৈরির প্রতিটি উপাদান এক ও অভিন্ন হলেও, মানুষের সমস্যা কোথায়।সে যতো উঁচু হয়, বৃদ্ধ হতে থাকে।যতো বৃদ্ধ হয়, জীবনী বাড়ে।হয়তো এটাই সভ্যতার প্রকৃত দায়বদ্ধতা।নাড়ির কম্পনের এ এক বেজায় উপলব্ধি।হয়তো এভাবেই একদিন নাড়ির কম্পন আলাদা হবে শরীর থেকে, ধুকপুক আলাদা হবে ফুসফুস থেকে, নিঃশ্বাসের পৃথককরন ঘটবে রন্ধ্রের জলখোর কোষগুলো থেকে।ঝাপসা আলোতে সে দেখতে পায় শরীর শরীরের আদর থেকে মুছে ফেলছে নাম।না।এই মুহূর্তে পৃথিবীর বুকে সঙ্গমের উষ্ণতা নেই, আছে গরম তাপ ও তাজা রক্তের বাষ্প।আরো চাহিদা।আরো চাই।আরো বেশি কিছু চাই।আরো মাংস।আরো মজ্জা।আরো লসিকা।মাংসাশী পাকস্থলীর সংখ্যা কখন যে বেড়ে গেলো, তা অনুভবের আগেই আমাদের বৃদ্ধ নায়ক একদিন দেখে আশেপাশের রঙিন জাদুগুলো কালো পর্দায় ঢেকে দিয়েছে কেউ।তার ছায়া মুছে গিয়ে জায়গা নিয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক সাইনবোর্ড ~ মাচানতলা।সে ভাবে, হয়তো এবার উঁচু থেকে তার ছোটো হবার পালা।শিকড়ের গায়ে এখনো লেগে আছে আদিম গুহামানবীর গন্ধ।একটা তড়িৎ বিস্ফোট কেবল।ছিটকে যাবে সমস্ত ক্রিয়াপদ ও ক্রিয়াহীন বলয়।ঘোরের মধ্যে চলছে যেনো সবকিছুই।আর সময় টুকরোটুকরো না হলে হয়তো এই ঘোর কাটবে না।ঠিক এমনই এক নাইট্রিক অবস্থান্তর থেকে এলডোরাডো অসুখে ক্রমশঃ নামতে থাকে বৃদ্ধ নায়ক।নীচে আরো নীচে।গভীরে ক্রমশঃ আরো গভীরে।কেবল অন্ধকারেই পুঁতে ফেলা যায় সৃষ্টি প্রোথনের বীজ


বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় ৷ বাংলা ৷ নবপর্যায়-৬০২ ৷ ২৯-০৮-২০১৮ ৷

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়

ঘুম ভেঙে গেলো হঠাৎ।ঘুম আসলে বড়ো আপাতদৃশ্যের প্রতিফলন, কারন স্বচ্ছ দেওয়ালের দুই বিপরীত পাড়ে ~ একই সাথে চলা ঘটনার আবহমানতা।চোখের গতিবেগ বাড়লে, দেখা যায় কোলাহলের অনুরণন আর শোনা যায় এলোমেলো আঘাত।কেন যে এমন হয়, বোঝে না সে।আসলে পৃথিবীর সেই বয়সে কোনো অভিধান লেখা হয় নি, যেখানে আদর কথাটির কোনো বিপরীত বা বিপ্রতীপ শব্দ লিপিবদ্ধ থাকে।যদিও, তারই মতো খোদাই করা লিপিও এক বিশালাকার ইতিহাসের অংশত উপোষী বসৎ।সাক্ষ্যের তলব পড়লে, তারা উভয়েই জানে কিভাবে বিচারখানায় দিতে হবে নিজেদের নাম / ঠিকানা / পরিচয় / আবাস।মুহুর্মুহু চিৎকারের শব্দ হয়, কোনো উপযাজকীয় শিকার ছাড়াই।আবার, হয়তো এটাই আসলে শিকার, আর যেটা বন্যপ্রাণীর ক্ষেত্রে বোঝানো হয় ~ জাস্ট প্র্যাকটিসের আগে বসানো শূন্যস্থানে ডেমো।কেটে যায় মুহূর্ত।সময় আরো বেশি গতি বাড়াতে থাকে।নায়ক আরো আরো উঁচুতে আকাশী হাওয়াকলের কাছাকাছি।ছায়া ঢেকে ফেলে শরীর।নগ্ন শরীরের অন্ধকারে চলে পারমাণবিক সমীকরণ, আর তারপর আলোর তাপে ও চাপে শাপগ্রস্ত মানসীর আগুনে রূপের উৎসব।সে সব দেখে।সবই দেখে ~ ততদিনের দুপেয়েদের নাম মানুষ, এটা স্থির।সে সব দেখে, সবই দেখে ~ পিঁপড়েরা ফুলের সঙ্গমে তাড়া মারছে, গুটিপোকা তাপ বাড়ানোর কাজ করছে, মাকড়শার প্রাথমিক শিকার মাকড়সা নিজেই, আর হ্যাঁ পাখিদের টুংটুঙির সাথে কচিকাঁচাদের ক্যাঁচরমেচর।হয়তো সে ভাবে, যতোই আগ্নেয়গিরি ফাটুক, কচিরা যেদিন বড়ো হবে, গল্প শুনবে তার কাছে ~ পৃথিবী যখন তরল থেকে দ্রুত কঠিনের চৌম্বকীয় স্তরে।হয়তো ঘুড়ির ডগায় নাতিশীতোষ্ণ মাটির ঢেলা।সময় কেটে যায়।শুকনো পাতা রোদে পোড়ে।তারপর ঝরে।তারপর নতুন জামা।রঙিন স্বপ্ন।আসলে আমাদের নায়ক ~ ইতিহাসের সাক্ষ্য বয়ে নিয়ে চলে না কি স্বপ্নের,এ তত্ত্ব বড়োই গোলমেলে।কারন, ইতিহাসের প্রতিটি স্পর্শে স্বপ্ন ছাড়া আর কিই বা আছে।যাই থাকুক, সে তো একটা খোলোশ মাত্র

অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক কবিতা ক্যাম্পাস। বাংলা ।। নবপর্যায়-৬০২ । অষ্টম বর্ষ । ২৯-০৮-২০১৮


গত ২৬শে আগস্ট, ২০১৮ কলকাতার জীবনানন্দ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হলো অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক কবিতা ক্যাম্পাস ~ 

একটি বিশেষ প্রতিবেদন :

বিশ্বসাহিত্যে অনুকবিতার চর্চা বহুদিনের।সে আমাদের বৈদিক শ্লোকওই হোকা, বা হাইকু, বা তানকা, বা ট্রিওলেট ইত্যাদি।কাকে বলবো অনুকবিতা, না কি কবিতারও অনু হতে পারে?বাংলা সাহিত্যে অনু কবিতার চর্চা এই পর্যন্ত কতোটুকু? এইসব আলোচনা নিয়েই গত ২৬শে আগস্ট, ২০১৮ কলকাতার জীবনানন্দ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হলো অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক ছিলো কবিতা ক্যাম্পাস।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দিল্লী থেকে আগত কবি শ্রী গৌতম দাশগুপ্ত।এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন দিল্লী হাটার্স পত্রিকার সম্পাদক কবি দিলীপ ফৌজদার, কবি তৃপ্তি সাঁতরা এবং কবি প্রশান্ত গুহমজুমদার।প্রথমেই কবিতা ক্যাম্পাস সম্পাদক কবি শ্রী অলোক বিশ্বাসের সংক্ষিপ্ত ভাষনের পর, রাখি বন্ধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা । রাখী পরিয়ে দেন কবি জয়শ্রী ঘোষ এবং সৌমিত্র রায়।অতিথিরা সংক্ষেপে কবিতা ক্যাম্পাসের সাথে তাদের আত্মীয়তার কথা তুলে ধরেন।অনুকবিতা চর্চাতেও বা তারা এলেন কিভাবে একথাও আমরা জানতে পারি। কবিতাপাঠের মাঝে কবি শান্তিময় মুখোপাধ্যায় পরিবেশন করেন গান ।উপস্থিত অতিথি কবিদের সাথে বহু অগ্রজ ও অনুজ কবির কবিতাপাঠের পাশাপাশি মনোরম ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় অনুকবিতার উপর।কবিতা পাঠ করেন উমাপদ কর, অমিত কাশ্যপ, দেবাশিস লাহা, দেবাশিস বন্দোপাধ্যায়,সঞ্জয় ঝষি, বিশ্বজিৎ,সৌমিত্র রায়,রঞ্জন মৈত্র, সব্যসাচী হাজরা, ভাস্বতী গোস্মামী প্রমুখ।উঠে আসে ১৯১৬ সালে কবিগুরুর জাপান যাত্রা, তারপর তার হাইকু নিয়ে কাজ।উঠে আসে বিদেশে অনুকবিতার কাজ, মিনিমালিস্ট পোয়েট্রি মুভমেন্ট, ইমেজিস্ট আন্দোলন, এদেশে ৬০র দশকে হওয়া সংহতি আন্দোলন থেকে iসোসাইটি কৃত শব্দব্রাউজ, ই পোয়েমস্, চ্যাটি পোয়েমস্ ইত্যাদি কথা।উঠে আসে ইউরোপ ও বাংলা সাহিত্যের প্রকৃতিগত বৈচিত্র্য, যে কারনে অনুকবিতা চর্চার ফারাক।উঠে আসে, পাই কবিতা নিয়ে পাইতা ইত্যাদি নানাবিধ কাজের ধারা।আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি প্রদীপ চক্রবর্তী, কবি অনিন্দ্য রায়, কবিতা ক্যাম্পাস সম্পাদক কবি অলোক বিশ্বাস এবং কবি সুজিত সরকার।কবি সুজিত সরকার তুলে ধরেন তাঁর বিখ্যাত অনুকবিতা "দেওয়াল তুললেই ঘর / ভাঙলেই পৃথিবী"।তিনি আরো বলেন কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলা যায়, তাঁর প্রথমদিককার কবিতাগুলির তুলনায় শেষের দিকের কবিতাগুলি অনেকটাই মেদচর্বিহুল ও অনেক বেশী গভীর, যে কারনে আজ অনেক পাঠকের কাছেই তাঁর প্রথম কবিতাগুলি খুব একটা নতুন কিছু বার্তাময়তার নয়।অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয় দিল্লী হাটার্স পত্রিকার ১৪তম সংখ্যা।প্রকাশ করেন কবি রঞ্জন মৈত্র এবং অধুনা দিল্লীবাসী কবি ভাস্বতী গোস্মামী।এছাড়াও, কবিতা ক্যাম্পাস থেকে প্রকাশিত হয় কবি অনিন্দ্য ঘোষের অষ্টম কাব্যগ্রন্থ "কলহের নাম কাবেরী"।গোটা অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সম্পাদক অলোক বিশ্বাস নিজে।কবিতা ক্যাম্পাসের যাত্রাপথ আগামী দিনে আরো মসৃণ হোক, iসোসাইটির পক্ষ থেকে এই কামনা জানাই। 


প্রতিবেদক : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় 


সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় ৷ বাংলা ৷ নবপর্যায়-৬০০ ৷ ২৭-০৮-২০১৮ ৷


বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়

কেটে যাচ্ছে গড়পড়তা সময়, বৃত্তীয় বিন্দুগুলোকে অনুসারী যাপন করে।এঁকে যাচ্ছে রঙপেনসিলের রাস্তা ~ স্বযাপনের কাঠপেন্সিল-স্কেচ।আসলে ধ্রুবতারা যখন বড়ো হয়ে ওঠে, হয়তো তার প্রতিফলনও আকারে বেড়ে যায়, না কি কম ~ এই সব জটিল কোলাহলে সকলকে আশ্রয় দিতে চায় : মাচানতলার অধুনা ভ্রূণ, আমাদের এই গল্পের নায়ক।কোলাহলমুখর আশপাশ / একেএকে সূর্য থেকে চাঁদতারা, আর তাদের ছায়া ~ এটাই হয়তো সভ্যতার ক্রমপরিবর্তন।সে ভাবে আর, বেড়ে ওঠা বয়স তাকে দেখায় ও ভাবায়।মাটির উষ্ণতার ওঠানামায় সে বুঝতে তার বয়স, চারপেয়েদের তৈরি করা শীত বা শীতলতা।এভাবেই একদিন কোলাহল সমীকরণে সে দেখে চারপেয়ে কিছুকিছু হঠাৎ কেমন দুপেয়ে হয়ে হেঁটে বেড়ানো শুরু করেছে।এক বিস্মিত আওয়াজ / অথবা তাদের, তাকে কেন্দ্র করে মেঘবৃষ্টিরোদ-কে ডাকা বা ঘুম পাড়ানো।বড়ো আদর অনুভব করে সে।সে বুঝতে পারে, গোটা মাটিটাকেই সে ছায়া দিয়ে / ঢেকে / না ঢেকে / চুমু খেয়ে / হাত বুলিয়ে ~ জাদুকাঠি আগলে রাখছে।আর এটাই তার সভ্যতাকে কথা দেওয়া আশ্রয়।এই ব্রহ্মাণ্ড কতোই না জানি রঙঘোরে মশগুল।জোনাকির টিপ আর নানান্ শব্দের আবহাওয়ায়, নিজেকে কোনো বিস্মরণের আড়াল নয়।বরং ভালোবাসাবাসির গুহায়, তার হাত বিস্তৃত ও সবল।কথা বলে সে, শব্দের সাথে ও বিপরীত শব্দের সাথে।আস্তেআস্তে মনকেমন করা ঘুমের ঘোরে সে ঘুমিয়ে যায় অনেকক্ষন ধরে, অনেককাল ধরে।মনেমনে ঘুরে আসে রঙিন প্রজাপতির পিঠে চড়ে, মেঘছানা আর নূরপরিদের ছমছমানি দেশ থেকে।মশগুল সবাই।মশগুল সব সবুজ, সমস্ত সাতরঙা ভালোলাগার মাটিবেশ / জল / আকাশ।





রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় ৷ বাংলা ৷ নবপর্যায়-৫৯৯ ৷ ২৬-০৮-২০১৮


বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়



ধুপধাপ শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তার।হয়তো তার অংশ থেকে, তারই মতো আরেকবার ভ্রূণ তৈরি করার প্রস্তুতি।ভ্রূণ কিভাবে সৃষ্টি হয়? সৃষ্টিশীল সৃজনশক্তি ছাড়া ভ্রূণ একথা জানেনা।ভ্রূণ ক্রমশঃ সময়ের সাথে বিক্রিয়াকারী জারন ফসলে, এক আগামীর রূপক শিকড়।জটিলতা বাড়ে তখনই, যখন সে ভাবে ~ কেনোই বা এতোসব ভাবছে সে।কিন্তু ছেদচিহ্ন ওই ধুপধাপ চারপেয়ে শব্দগুলো।এতদিন, সে দেখে এসেছে জল → জলতরী ← তড়িৎ → তড়িৎকোষ → কোষীয় → কোষীজনন → অববাহিকা → অ্যামাইনো অ্যাসিড → অ্যামিবা → সরীসৃপ → উভচর।কিন্তু চারপেয়ে?নিরামিষ ও মাংসাশী যতদিন ছিল, সে শুধু সাক্ষ্য দিয়ে গেছে খাদ্যচক্রের, কিন্তু খাদ্যচক্রের দশাও কি পাল্টায়?সে উত্তর খুঁজতে খুঁজতে আরো উঁচু হয়, চেষ্টা করে আস্ত একটা পাহাড় প্রসব করার।কিন্তু সূর্যপিরামিড, সেই ডানা, সেই মেঘছানা, শীতশীত টুপটাপ ~ এরা মানবে কেন।সে সংযত হতে শেখে, আর তখনই তার ফুসফুসে ঢুকে পড়ে নিষিদ্ধ নিষেকের তরল "যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।রাগ নয়, ভালোবাসা চাই"।সে তখনও শেখে নি ভালোবাসার শব্দগুলো ঠিক কিরকম ও কি কি?
যখন বুঝতে পারে, তখন চারপেয়েরা তার আশেপাশে পরস্পর ভালোবাসায় মত্ত।তারা বসত চায়, সে আশ্রয় দেয়।এই গ্রহে, এটাই হয়তো সেই প্রকৃত মহৎ কাজ।চারপেয়ে ছানাগুলোকে, সে হাত বাড়িয়ে মেঘ পেড়ে দেয়।কখনো জল দেয়, আলো ও আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করে, নদীকে বলে ঝর্ণা হয়ে রঙিন ম্যাজিক দেখাতে।বাছা আমার সাত রাজার ধন, এক মাণিক / আয় সোনা কোলে আয় ~ কোলে থেকেই তুই বড়ো হয়ে ওঠ, রোদছায়ার জাদুকর হ।
@


সময়-পথিক হাঁটতে থাকে, পক্ষীরাজ চড়ে পাখপাখালি পাল্কিপালক, গল্পদাদুর ঘরে


বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৮

দেহলিজ-এর দ্বিতীয় সংখ্যা। বাংলা ৷ অষ্টম বর্ষ ৷নবপর্যায়৫৯৬

দেহলিজ-এর দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ





সম্প্রতি ১৮ই আগস্ট, ২০১৮ প্রকাশিত হলো দিল্লীর সাহিত্যকর্ম সংক্রান্ত অনলাইন পত্রিকা দেহলিজ-এর দ্বিতীয় সংখ্যা।এটি একটি অনন্য প্রকাশ, কারণ এর সম্পাদকীয়তে বর্ণিত স্পষ্টতর উদ্দেশ্য, যার এক এবং একটাই উদ্দেশ্য ~ তুলে আনা সেই সাহিত্য, যা দিল্লীর এবং যেখানে সর্বত্র পাওয়া যাবে দিল্লীস্থিত বাংলার রস ও গন্ধ।সম্পাদকীয়-র কিছু অংশ খুব গুরুত্বপূর্ণ, "ডায়াস্পোরা নিয়ে কথা হয়, দিল্লীর বাংলা শব্দে হরিয়াণভি ঠাট্, বরিশালের গাংচিল আর রংপুরের লালমাটির মতোই স্পষ্ট।তো জাহির হে, বাংলাকে শুদ্ধ বলতে যত প্রয়াসই হোক, আমরা আরাবল্লির মাটির গন্ধকে কি করে ভুলে যাই?"।এর আগে দেহলিজের প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয় দিল্লী রবীন্দ্রভবনে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন।প্রকাশ করেন দিল্লীর বাংলা কবিতার প্রাণপুরুষ ও দিল্লী হাটার্স পত্রিকার সম্পাদক, কবি শ্রী দিলীপ ফৌজদার।দিল্লীর লেখক কমিউনিটি দ্রুত ডেভেলপ হওয়ার ভিতরেই শুরু হলো দেহলিজ পত্রিকার পথ চলা।নিজস্ব ডোমেন সহযোগে তাদের ঠিকানা http://www.dehlij.com


সংবাদদাতা : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় , আই-সোসাইটি নিউজ

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন , রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯৬ । অষ্টম বর্ষ । ২৩-০৮-২০১৮ । গল্প

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন
-------------------------------------------------------------
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় 

ভূমিষ্ঠ হবার সাথেসাথেই ভ্রূণটি ভ্যাঁভ্যাঁ করে কাঁদে।আসলে ভ্রূণের প্রকাশ এরকমই, অন্ততঃ এই ব্রহ্মাণ্ড তা মানে।ব্রহ্মান্ডের অন্তর্গত প্রতিটা আকৃতিরই একটি পুনঃপ্রাথমিক শাব্দিক ক্ষেত্রফল থাকে, যেখান থেকে প্রমাণিত হয় দূরত্ব বাড়ানো নৈশব্দ-ও একটি বিপরীত শব্দের আত্মকথন।এতক্ষন, যা পড়লেন পাঠক ~ হয়তো ভাবছেন, আমরা তো বিপরীত শব্দের গল্প শুনতে অভ্যস্ত নই।তবু ঠিক এমনটাই হতে চলেছে বিশ্বাস করুন।কারণ, মাত্রাহীনতার মতো প্রলাপে বিশ্বাস ~ আদি ও অকৃত্রিম গুহামানুষের অধুনা জন্মগত অধিকার।আর, আমরা তার বংশজ আগামীর বীজ।ঠিক এরকমই বীজ থেকে জন্ম নিয়েছিল ~ মাচানতলার বটগাছ।পৃথিবীর বয়স তখন (-)৪০০০।ইনিই আমাদের গল্পের একা এবং অদ্বিতীয় কেন্দ্রীয় চরিত্র।কোনোরকম শালিশি ছাড়াই, সে দেখেছিল তার অংশানু সম ভাইবোন, বন্ধু, পরিজন, বাবা ও মা।ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় একথার।প্রথমদিকে যখন সে খিলখিলিয়ে হেসে উঠতো, মা বলতো বাছা আমার সাত রাজার ধন / এক মাণিক।বাবা বলতো, আয় সোনা কোলে আয় ~ কোল থেকেই তুই বড়ো হয়ে ওঠ।পরিজনরা বলতো, সাবধানে থাকিস।সূর্যিমামার দুষ্টুমি, হাওয়াবেগের শনশনানী, বৃষ্টির ঘুমপাড়ানি চঞ্চলতা, পাখিদের ঘুমভাঙানি কিচিরমিচির তাকে মুগ্ধ করে তুলতো।সে ভাবতো, পৃথিবীটা কত্তো সুন্দর, যেনো ছোট্ট ঘরে সময়ের আহ্লাদীপনা।খেলা বলতে, সে বুঝতো শুধু ~ বন্ধুদের সাথে পাল্লা দিয়ে, কে কতো উঁচুতে হাত বাড়িয়ে মেঘছানা ছুঁতে পারে।ছুমন্তর দেখতে চাইলেই আবার, কিছু বন্ধু নানান্ রকম রঙের খেলা দেখাতো।মাকে যখন সে বলতো, রঙের খেলা সে কেনো পারে না ~ বাবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলতো, সোনা আমার রোদ আর ছায়ার ম্যাজিক দেখাবে।হিজিবিজি উষ্ণতায় চুকিতকিত খেলা সময়, আর নাতিশীতোষ্ণ মাটির সোঁদা গন্ধ মাখানো বাষ্প।এভাবেই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ এক রাত্তিরে কোথা থেকে যেনো বেড়ে গেলো আলো।উফঃ কি গরম, সীসার আস্তরণে যেনো গোটা পৃথিবী আগুনে আলোর মশাল।বৃষ্টি নামো, বর্ষা নামো।সবই যেনো ছুটিতে ঘুরতে গেছে মামাবাড়ি।রঙিন বন্ধুগুলোর বিদায়, তারপর বেশ অনেকটাসময় জুড়ে তার চোখের জল শান্ত করলো তার শরীর, সে চোখ মেলতে পারলো।আর দেখলো, সে সবচেয়ে শক্তিশালী উঁচু হয়ে উঠেছে রাতারাতির আকাশী জাদুকাঠির স্পর্শে।

চলছে...



সোমবার, ২০ আগস্ট, ২০১৮

শিল্প-সাহিত্যের খবরাখবর । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯৩ । অষ্টম বর্ষ । ২০-০৮-২০১৮ ।

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়-এর প্রতিবেদন 

আইফেস্ট ২০১৮, বই-চিত্র সভাঘর  

গত ১৪ই জুলাই, ২০১৮তে অনুষ্ঠিত হলো i-সোসাইটি-র উদ্যোগে আইফেস্ট উৎসব।প্রধান অতিথি ছিলেন প্রভাত চৌধুরী, তাপস রায় এবং নীলাঞ্জন কুমার।এছাড়াও i-সোসাইটি থেকে 'কাব্যযোগ শান্তি সম্মান' পেলেন বিশিষ্ট কবি নাসের হোসেন, 'চ্যাটমোড কবিতা সম্মান' পেলেন বিশিষ্ট কবি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়, 'i-সোসাইটি শান্তি সম্মান' পেলেন দিলীপ মজুমদার ।প্রকাশিত হলো কয়েকটি বই। আটপৌরে কবিতা সঙ্কলন, m-কোলাজ এবং " কবিতা এখন "
।এছাড়াও প্রকাশিত হলো কবি ও জিমন্যাস্ট অনন্যা
রায়ের লেখা কবিতা উল্কি।কবি প্রভাত চৌধুরীর উদ্যোগে সকল অগ্রজ ও অনুজ কবিরা রচনা করলেন একটি যৌথ কবিতা।







প্রকাশিত হলো মধ্যবর্তী আগস্ট সংখ্যা



বিগত ৩০ বছর ধরে, প্রকাশিত হয়ে আসছে মধ্যবর্তী সাহিত্য মাসিক পত্রিকা।সম্পাদক বিশ্বরূপ দে সরকারের নেতৃত্বে, প্রথম থেকে তারা বলে আসছে ভিন্ন ধারার সাহিত্যের কথা।বক্তব্য নিয়ে তারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে, তরুন কবি প্রতিভাকে সুযোগ করে দিচ্ছে।সম্প্রতি গত ৫ই আগস্ট প্রকাশিত হলো মধ্যবর্তী আগস্ট সংখ্যা, তাদের সদর দপ্তর রায়গঞ্জে।সংখ্যাটি কবিতা,গল্প, গদ্য, দীর্ঘ কবিতা, ধারাবাহিক উপন্যাস নিয়ে সমৃদ্ধ। প্রথাগত সাহিত্য চর্চা ছেড়ে, ভিন্ন ধারার সাহিত্য চর্চা নিয়ে মধ্যবর্তীর এই সময়পর্বে যোগদান, অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...