সৈয়দ হাসমত জালাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সৈয়দ হাসমত জালাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

প্রভাত চৌধুরী || সৌমিত্র রায়- এর জন্য গদ্য || ধারাবাহিক গদ্য

সৌমিত্র রায়-এর জন্য গদ্য
প্রভাত চৌধুরী

২৯.
প্রথম বর্ষ পূর্তি থেকে দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তির দূরত্ব মাত্র এক বছর। এটা পাটিগণিতের হিসেব।জ্যামিতি এবং কো-অর্ডিনেট জিওমেট্রিতে দূরত্ব কতটা বাড়বে না কমবে তা মেপে দেখার সুযোগ নেই।
প্রথম বর্ষ পূর্তি : 24 এপ্রিল 1994 |আদ্রা ,পুরুলিয়া
দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি :23 এপ্রিল 1995 | বাজোরিয়া গেস্ট হাউস, লালবাজার , বাঁকুড়া।
কবিতাপাক্ষিক ৪৯ - এ কবিতা সংবাদ  শুরু করেছিলাম :
বাঁকুড়ার কড়া রোদ এত লাবণ্যময় মনে হল কেন  ?   এই কেন-র উত্তর তখন দেওয়া হয়নি। এখন ঢাক পিটিয়ে বলতে পারি কবিতার নিয়মিত পাক্ষিক পত্রিকা তখন পর্যন্ত টানা দু-বছর প্রকাশের কোনো ঐতিহ্য খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বাঁকুড়া লালবাজার মোড়ে রবীন্দ্রনাথের আবক্ষ মূর্তিতে মালা দিতে সমবেতভাবে গিয়েছিলাম। মাল্যদান করেছিলেন উৎসব কমিটির পক্ষে মোহন সিংহ এবং আমি।
দেবনাথ কুণ্ডু-র পরিচালনায় ভারতীয় সংগীত বিদ্যাপিঠের ছাত্রীদের রবীন্দ্রগান দিয়ে শুরু হয়েছিল কবিতাউৎসব।
মঞ্চের নাম : শক্তি চট্টোপাধ্যায় সুনীর বসু মঞ্চ।
উদ্বোধক-সভাপতি : কবি অবনী নাগ।
প্রধান অতিথি : পবিত্র মুখোপাধ্যায়।
স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ : সমরেন্দ্র দাশ।
লেখক প্রভাত চট্টোপাধ্যায় এবং কবি রবি গঙ্গোপাধ্যায় - কে ঢোকরার পঞ্চপ্রদীপ এবং উত্তরীয় দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
 এই উৎসব উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছিল  ভূদেব কর-এর কবিতার বই। তাছাড়া  প্রকাশিত হয়েছিল বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট পত্রিকা কলম্বাস ,সত্যসাধন চেল সম্পাদিত ভোরবেলা , প্রলয় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত উদ্ভিদ , আশিসকুমার রায় সম্পাদিত যামিনী তৎসহ বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থেকে শৈলেন গড়াই সম্পাদিত জীবন।
বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় রাজকল্যাণ চেল পরিকল্পিত কবিতা উৎসব কমিটির স্মারকগ্রন্থ। যার মূল বিষয় : বাংলাকবিতার পাঠক পুনরুদ্ধার।
কবিতাপাঠের সঞ্চালক : জ্যোৎস্না কর্মকার।
এসব কথা আমি ভুলে যেতেই পারি , কিন্তু যা একবার লেখা হয়ে যায় তা মুছে ফেলার ক্ষমতা যেকেবল আমার নেই , এমনটা ভেবে আমাকে দুর্বল ভেবে বসবেন না। ইতিহাস-কে মুছে ফেলার ক্ষমতা কারোই নেই।
কবিতাপাঠের ইতিবৃত্ত আগামীকালের জন্য ঝুলিয়ে রাখলাম , কিন্তু নৈশাহারের বৃত্তান্ত আজই পেশ করছি।
বাঁকুড়া-র বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার পৃষ্ঠপোষক বাবুলাল জালানের বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল সকলের।
বুফে ডিনার। জালানের বাড়ির মহিলা এবং পুরুষেরা সকলে মিলে যে আপ্যায়ন করেছিলেন তার কথা আজও ভুলে যাইনি। ঠিক এরকম অভ্যর্থনা আর কোথাও পেয়েছি তেমনটাও মনে পড়ছে না।
তবে একটা কথা এখনো ভুলে যাইনি । একজন কবি পরিবেশিত একটি খাদ্যকে শনাক্ত করতে পারছিলেন না। আমি বলেছিলাম--- মুগের ডাল। অরিজিন্যাল সোনামুগের ডাল। ওই কবি বিস্মিত হয়েছিলেন। নাম জানানো যাবে না।

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

কিছু বই কিছু কথা || নীলাঞ্জন কুমার || স্তব্ধতার গান শোনো

কিছু বই কিছু কথা । নীলাঞ্জন কুমার 


স্তব্ধতার গান শোনো। শঙ্কর বসু । একুশ শতক। একশো টাকা ।


কবিতায় অহেতুক পান্ডিত্য দেখানোর প্রলোভন অনেক কবির ভেতর বিদ্যমান । শুধুমাত্র সেরিব্রাল কবিতা তাই আলোচনার ভেতর আসেনা। জনমানসে তা বেশ ভালো রকম পরিত্যাজ্য হয় । দুর্বোধ্য কবিতা নামেকিছুকবিতা লিখে নিজেকে জ্ঞানী প্রতিপন্ন করার বিষয়টি সত্তর দশকে বেশ দেখা গিয়েছিল,  এখন তা অস্তমিত । কবি শঙ্কর বসু  দীর্ঘদিন কবিতা গল্প লিখে যাচ্ছেন, কিন্তু দেখা যাচ্ছে কবিতার ভেতরে তিনি পাণ্ডিত্যের ধারকাছ দিয়ে যাচ্ছেন  না । তাঁর সাম্প্রতিক কাব্যগ্রন্থ ' স্তব্ধতার গান শোনো ' -তে যে মেজাজ খুঁজে পাই, যেমন:  ' অজস্র দুঃখের ক্যানভাসে/ লুকিয়ে আছে আমাদের স্বাধীনতা । ' (স্বাধীনতা- স্বাধীনতা) বা, '' রিমোট কন্ট্রোলে শাসন  করছি/  তোমাদের আত্মাকে - আজও এই মুহুর্তে ' (ভারতবর্ষ আজ')।
        শঙ্কর বসু সেই মাপের কবি যিনি অহেতুক জনপ্রিয়তায় লালায়িত নন। তাঁর কবিতা কখনো কখনো কাগজে পাওয়া যায় । তিনি কবিতাকে অনেক
দিন ধরে মনে পুষে তারপর প্রকাশ করেন : ' আমাদের মাঝখানে এখনও প্রশ্ন আসে/  কেন বিচ্ছেদের বিষ গোপন, বিন্দু বিন্দু দহন ?'(প্রশ্ন ) এর মধ্যে দিয়ে তা বুঝতে পারা যায় ।
            এ বই কতখানি সচেতন পাঠকের যাবে, কতখানি তার সমাদর হবে বোঝা দায় । তবু যদি পাঠক
মগ্ন হয়ে পড়েন তবে তিনি পাবেন এক বিশেষ স্বাদ । যার মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা, ক্ষোভ, নিম্নগ্রামের আস্ফালন ইত্যাদি ইত্যাদি । তাঁর তির্যক কবিতাগুলি বেশ টানে । প্রবীর আচার্যের প্রচ্ছদ টেনে রাখে,  তাঁর ড্রয়িং ভেতরে মোচড় দেয় ।

রবিবার, ১৭ মে, ২০২০

প্রভাত চৌধুরী || সৌমিত্র রায়- এর জন্য গদ্য ১৫ || ধারাবাহিক

সৌমিত্র রায়-এর জন্য গদ্য ১৫
প্রভাত চৌধুরী

১৫.
আর একবার মনে করিয়ে দিই আমি দশ বছর বামপন্থী গণসংগঠন তথা  পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সেমতোই সাংগঠনিক কাজকর্ম চলছিল।
সুনীলদার বাড়ি গেলাম ।পবিত্রদাও ছিলেন। প্রথম সংখ্যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করার অনুরোধ সহ। সুনীলদা সানন্দে সম্মতি দিলেন।
সিনেমা চর্চাকেন্দ্র চিত্রবাণী-র সঙ্গে যুক্ত ছিল সুজিত হালদার।সুজিত জানালো ফাদার গাঁস্ত রোবের্জ সহ চিত্রবাণী-র একটা টিম উপস্থিত থাকবেন।
শান্তিময়-এর শিকড় তো বহরমপুর। প্রশান্ত গুহমজুমদার  এসেছিল সেই অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানের আগের কিছু কথা বলা হয়নি। বিশেষত কবিতাপাক্ষিক- এর ছাপানো পোস্টার। আমাদের যুক্ত কমিটির পোস্টার ছাপা হত কেশব সেন স্ট্রিটের একটা লিথো- প্রেসের। ম্যাটার নিয়ে চলে গেলাম। যিনি ডিজাইন করতেন তিনি শিল্পী , আন্তরিকতার সঙ্গে ডিজাইন করে দিলেন কোনো দক্ষিণা ছাড়াই।পোস্টার ছাপার পর মূলত শান্তিময় , সুজিত আর আমি বিভিন্ন পয়েন্টে সেই পোস্টার সাঁটিয়ে দিলাম।
আগেই ঠিক হয়েছিল কালীঘাট মিলন সংঘের ঘরে এই অনুষ্ঠান হবে। মূলত ষষ্ঠী এবং কার্তিক-এর সৌজন্যে ক্লাবঘর পাওয়া গিয়েছিল।এবং আলো- পাখা ছাড়াও যাবতীয় ডেকরেশন করে দিয়েছিল কল্যাণী এন্টার প্রাইজের ভরত বাগ।
আমার ঝাড়লণ্ঠনের প্রতি একটা তীব্র আকর্ষণ আছে। ভরতের গোডাউনের সবথেকে বড়ো ঝাড়বাতিটি লাগানো হয়েছিল সেই অনুষ্ঠানে।আর পাখা। টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়ায়  ঝড় তোলার জন্য যে পাখা ব্যবহার করা হয় , ভরত সেই পাখা দিয়েছিল কবিতাপাক্ষিক-কে।
এবং সেই ঝড় যে বাংলাকবিতায় উঠেছিল এটা আমার পক্ষে বলাটা শোভন নয়। বললাম না।কিন্তু প্রকাশ অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছু তথ্য তো দেওয়া যেতেই পারে।
আগামীকাল সেই সংবাদপ্রবাহ।

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮

কলকাতার শিশির মঞ্চে রূপশালীর ১০ বছরের বার্ষিক উৎসব । বাংলা । আই-সোসাইটি -৫৮৯ । ১৬-০৮-২০১৮

কলকাতার শিশির মঞ্চে রূপশালীর ১০ বছরের বার্ষিক উৎসব


কলকাতা ; ১৬-০৮-২০১৮ ; স্টাফ রিপোর্টার ।।   ১০ আগস্ট কলকাতার শিশির মঞ্চে রূপশালীর ১০ বছরের বার্ষিক উৎসব পালিত হল। সংস্থার কর্ণধার কবি রিনা গিরি জানান, এইটি আসলে সূচনা, সারা বছর ধরে কলকাতা, শান্তিনিকেতন ও গোবরডাঙ্গা তে মোট ১০ অনুস্ঠানের মাধ্যমে ১০ বছর পালিত হবে। ১০ তারিখের এই আয়োজনে একত্রে ১০ জন কবির কবিতা পাঠ দিয়ে শুরু হয় এই অনুস্ঠান অংশগ্রহন করেন কবি কৃষ্ণা বসু, সৈয়দ হাসমত জালাল,সুজিত দাস,সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋজুরেখ চক্রবর্তী,  অর্ঘ্য রায়, তাপস রায়,সুমিতাভ ঘোষাল, তন্ময় চক্রবর্তী, বিশ্বজিৎ আকুড়ে। মুখেমুখি রবীন্দ্রনাথ শীর্ষক উপস্থাপনায় অংশগ্রহন করেন মুনমুন মুখার্জি, সত্যজিৎ  বিশ্বাস, সুবর্ণ গাঙ্গুলী। উপস্থিত ছিলেন অতনু পাল, আশিস গিরি, আজিজুল রহমান, সন্দীপ দত্ত,ইরা ভঞ্জ প্রমুখ। রূপশালী স্মারক সম্মান প্রদান করা হয় তরুণ কবি অনুক্তা ঘোষাল কে। প্রকাশিত হয় রূপশালী স্মারক পুস্তিকা। এই আয়জনে ৩০ জন তরুণ জেলার কবির অনু কবিতা পাঠ আলাদা মাত্রা যোগ করে। সংগঠনের পক্ষে ছোট্ট বিতান সকলকে ধন্যবাদ জানান।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...