৫৯০ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
৫৯০ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮

ধারাবাহিক কবিতা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯০ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-৩ ।পোস্ট-২ । ১৭-০৮-২০১৮ ।কচি রেজা । ধারাবাহিক অনুকবিতায়

কচি রেজা । ধারাবাহিক অনুকবিতায় । ১৯ আগস্ট পর্যন্ত... 
অবমূল্যায়ন চ্যালেঞ্জ করে অনেক হাঁটতে হলো
নীল চুলে খেলা করছে হাওয়া
সাদা নার্সকে বলি,জানো,জীবনানন্দের এই জ্বর?
এত উচ্চভাবে হাসবার নিশ্চয় কোনো কারন ছিল
গায়ের উপর দিয়ে বেজে যায় হাল্কা ট্রাম





শ্রদ্ধাঞ্জলি~ অটলবিহারী বাজপেয়ী | বাংলা ৷ আই-সোসাইটি ৫৯০ ৷ ১৭-০৮-২০১৮

ছড়ার ছন্দে দেহান্তরিত কবি অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

কবির স্বপ্নে, ভারত উদয়
......................................
সৌমিত্র রায়

কবির স্বপ্নে
নব উথ্থ্বান
ভারত উদয় সত্য ৷

রাজনীতিরও
উর্দ্ধে কবি
উর্দ্ধে শুদ্ধ চিত্ত !

বাংলাদেশের
মুক্তিযুদ্ধে
ইন্দিরাও যে "দূর্গা" ৷

"রাজধর্ম"-এর
অটল বাণী
সদা~ পর ও পূর্বা ৷

ভারত আজও
শ্রেষ্ঠ জীবন
শ্রেষ্ঠ পন্থা খুঁজে ৷

রূপান্তরের
ভিত্তি দেখো
সোনালী চতুর্ভূর্জে ৷

নদীর সাথে
নদী মিলুক  ৷
শহর মিলুক শহরে ৷

পথ পথিকের
আলাপ চলুক
বিঘ্নবিনা  প্রহরে  ৷

প্রধানমন্ত্রী
গ্রামীণ সড়ক
রাস্তা মিলে রাস্তাতে ৷

মোবাইলের
মহামিলন
অটল কবির আস্থাতে !

বিশ্ব খোঁজে
উন্নয়নের
এক সুর এক মত ৷

যোগাযোগের
সূত্র যোগে
মহা যোগ-ই পথ ৷

এক দল যাই
আরেক আসি
দেশকে সবাই ভালোবাসি ?

অটল বলেন
অটুট রেখো
সব মানুষের মুখের হাসি ৷

৷৷ শান্তি ৷৷




আজকের দিন । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯০ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-৩ । ১৭-০৮-২০১৮

🜌  ১৭ আগস্ট ২০১৮, ৩১  শ্রাবণ ১৪২৫ শুক্রবার 🜋  সূর্যোদয় ৫টা. ১৭ সূর্যাস্ত ৬টা.

শ্রদ্ধাঞ্জলি~
জন্মদিবস – উইলিয়াম কেরী । 

১৭৬১ সালের আজকের দিনে ইংল্যান্ডের নর্দাম্পটনশায়ারে আজকের দিনে উইলিয়াম কেরী জন্ম গ্রহণ করেন বাংলায় গদ্যপাঠ্য  পুস্তকে প্রবতক  ছিলেন তিনি ১৭৯৩ সালে ভারতে আসেন  বই  ছাপার দেশী হরফ  স্থাপন করেন ১৭৯৭ সালে ১৮ মার্চ পঞ্চানন কর্মকারের সহায়তায় মঙ্গলসমাচার মতীয়ের রচিত গ্রন্থে প্রথম পাতা বাংলায় ছাপেন প্রথম এই বাংলা গদ্যগ্রন্থে জনক হিসাবে তিনি চিরস্মরণীয় আজকের দিনে তাঁকে  শ্রদ্ধার সাথে  স্মরণ করি




শিল্প-সাহিত্যের খবরাখবর । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯০ । অষ্টম বর্ষ । ১৭-০৮-২০১৮ ।

কলিকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র-র অনুষ্ঠান 


কলকাতা ; ১৭-০৮-২০১৮ ; আই-সোসাইটি নিউজ // গত ৬ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি-র জীবনানন্দ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হল " অধ্যাপক প্রবীরকুমার হুই স্মারক বক্ত্রিতাঃ ২০১৮" । ' বহুভাষিক ভারতবর্ষ ' বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মহীদাস ভট্টাচার্য । অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন কলিকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র, টেমার লেন, কলকাতা । 


গদ্য । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯০ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-৩ । ১৭-০৮-২০১৮

জলবায়ু উদ্বাস্তু 
সৌমিত্র চৌধুরী

পূর্ববর্তী প্রকাশের পর... 
উদ্বাস্তু কারা? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ (1951 Geneva Refugee Convention ) বলল, ‘নিজের দেশের বাইরে স্থান পাওয়া একজন মানুষ যার স্বদেশে ফিরলে জাতি ধর্ম রাজনীতি বা মতাদর্শের কারণে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে’   
       এই যুক্তিতে আবহাওয়ার কারণ হেতু বাস্তুচ্যুতদের উদ্বাস্তু বলতে নারাজ অনেকে। কারণ, আবহাওয়া উদ্বাস্তুদের দেশে ফিরলে শাস্তির মুখে পড়তে হয় না। কিন্তু দেশে ফিরতে পারাটাই যে সমস্যা! একরকম আসম্ভবদেশটাই যে বসবাসের অনুপযুক্ত। কোথাও দেশের মানচিত্র গ্রাস করেছে মরুভূমি, কোথাও আবার তলিয়ে গেছে জলের তলায়। অতএব, মানুষ নিজ ভূমি থেকে বিতারিত। 
       কম নয় এই আবহাওয়া উদ্বাস্তুর সংখ্যা। বর্তমান বিশ্বে প্রায় পাঁচ কোটী।  প্রতি বছর, ২০০৮ সাল থেকে, দুই কোটি পনের লক্ষ মানুষ আবহাওয়া বদলে যাবার কারণে দেশ ছারতে বাধ্য হয়েছেন। বছরে বছরে লাফ দিয়ে সংখ্যাটা বেড়ে চলেছে।
       কারণ, কোথাও জলোচ্ছ্বাস, সামুদ্রিক ঝড়। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, হিউস্টোন বা ফ্লোরিডার হঠাৎ বিধ্বংসী ঝড় বাস্তুচ্যুত করেছিল বহু মানুষকে। কোথাও ধ্বংস নেমে আসছে ধীর গতিতে। ক্রমশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে সমুদ্র তীরের গ্রাম শহর নগর। গোটা একটা দেশ ঢুকে যাচ্ছে সমুদ্রের জঠরে। কখনও বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বা সরকারী বদান্যতায় আশ্রয় মিলছে। কিন্তু রুটিরুজির সংস্থান বিহীন বড় কষ্টের সে জীবন।  কোথাও মানুষ সরকারী সাহায্য বিনা যেথায় যেমন সুযোগ পাচ্ছেন, চলে যাচ্ছেন। 
       ‘এই স্থানান্তরিত মানুষদের রিফুজি ছাড়া আর কী বলতে পারি’? এমন প্রশ তুলেছেন বহু বিজ্ঞানী ও সমাজকর্মীএরা জলবায়ু রিফুজি না স্থানান্তরিত মানুষ? বিতর্ক বহমান।
       যেমনি হোক আইনি সংজ্ঞা, জলবায়ু উদ্বাস্তুরা ঘর ছাড়া মানুষ। ভিটেমাটি খুইয়েছেন নিজের গ্রাম, নিজের বেড়ে ওঠা শহর ছারতে বাধ্য হয়েছেনযে শহরে লেখা পড়া শিখেছেন, ভোট দান করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন তারা, সেই শহরটার অস্তিত্বই নেই। কোথাও বা স্বদেশ ছেড়ে ভিন্ন দেশের অজানা পরিবেশে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই করছেণ এই উদ্বাস্তুরা
       একটা গোটা দেশের ক্রমশ জলের নিচে তলিয়ে যাওয়া, ভয়ঙ্কর ঝড়ে তছনছ হয়ে যাওয়া এসবই ঘটছে বর্তমান বিশ্বে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। 

       উষ্ণায়ন ব্যাপারটি কতটা মারাত্মক বোঝাতে কয়েক বছর আগের (১৯০৯) মালদিভ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের একটা কথাই যথেষ্টমালদ্বীপ সমুদ্র গর্ভে ক্রম বিলিয়মান। দ্বীপ রাষ্ট্র তার ১২০০ দ্বীপ, সারে তিন লক্ষ অধিবাসী, দীর্ঘ কালের গড়ে ওঠা সভ্যতা সব নিয়ে ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে সমুদ্র গর্ভে। শঙ্কিত দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাসীকে বলছেন (Copenhagen Climate Summit in 2009), ‘যদি উষ্ণায়ন আর দুই ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড বাড়তে দাও, তাহলে জানবে, তোমরা আমাদের হত্যা করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছ’
( চলছে ...)


লেখক~ ড. সৌমিত্র কুমার চৌধুরী, এমেরিটাস মেডিক্যাল স্যায়েন্টিস্ট, চিত্তরঞ্জন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা, কলকাতা  

আজকের কবিতা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯০ । অষ্টম বর্ষ । ১৭-০৮-২০১৮ । প্রসাদ রায়


Translate message
Turn off for: Bangla
আজকের কবিতা 

স্পষ্ট  করো নির্দেশিকাপ্রসাদ রায়

নিজেকে কথামালা পড়ি৷
এক এক পাতা মুখস্থে আসে অভ্যেসে,শিকড়ে
চুঁইয়ে নামে জল,মাথা তোলে নিমতরু;
অভিধা সম্পন্ন হয় প্রত্যহ৷

বোধে শব্দগুলো জানান দেয়
আস্থাজ্ঞাপক,তা থেকে
অর্জিত আলো ছড়িয়ে দিই  অন্ধকারে_
তুমিও প্রসন্ন বুঝি
                            স্পষ্ট  করো নির্দেশিকা,
অভিমুখ লক্ষ্যপথে মাইলফলক
সম্ভবনাময়;

যাপন থেকে নৈরাশ্য তখন,অপসৃতছবি৷





Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...