৫৯১ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
৫৯১ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৮

জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান-এর দেহাবসান

জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান-এর দেহাবসান হল শনিবার ৷ তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর ৷ গভীর শ্রদ্ধা জানাই ৷ ৷৷ শান্তি ৷৷




কফি আনান

কফি আনান ৷ জন্ম এপ্রিল ৮১৯৩৮ - মৃত্যু আগস্ট ১৮২০১৮ঘানার একজন কূটনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব। খ্রিস্টান ধর্মালম্বী হিসেবে প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায় জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আন্নান এবং জাতিসংঘ যৌথভাবে ২০০১ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি কফি আনান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি দা এল্ডারস এর ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা
কফি আনান
Kofi Annan

৭ম জাতিসংঘের মহাসচিব
কাজের মেয়াদ
১ জানুয়ারি ১৯৯৭ – ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬
ডেপুটিLouise Fréchette
Mark Malloch Brown
পূর্বসূরীবুত্রোস বুত্রোস গালি
উত্তরসূরীবান কি মুন
জাতিসংঘ এবং সিরিয়া আরব লীগের দূত
কাজের মেয়াদ
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ – ৩১ আগষ্ট ২০১২
Secretary Generalবান কি মুন (ইউএন)
Nabil Elaraby (AL)
পূর্বসূরীপদ সৃষ্ট
উত্তরসূরীLakhdar Brahimi
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৮ এপ্রিল ১৯৩৮ (বয়স ৮০)
কুমাসিগোল্ড কোস্ট
(বর্তমানে কুমাসিঘানা)
মৃত্যু১৮ আগস্ট ২০১৮ (৮০ বছর)
বের্নসুইজারল্যান্ড
জাতীয়তাGhanaian
দাম্পত্য সঙ্গীটিটি আলাকিযা (1965–late 1970s)
Nane Lagergren (1984–present)
সন্তানKojo
Ama
Nina
প্রাক্তন ছাত্রKwame Nkrumah University of Science and Technology
Macalester College
University of Geneva
MIT Sloan School of Management
ধর্মপ্রোটেস্ট্যান্ট[১]
স্বাক্ষর

শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮

ধারাবাহিক কবিতা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । ১৮-০৮-২০১৮ ।কচি রেজা । ধারাবাহিক অনুকবিতায়

কচি রেজা । ধারাবাহিক অনুকবিতায় । 
অনেক অজানা গাছের নাম আজ দিয়েছি,বাংলাদেশ
চুমু খেয়েছি যাকে তার নাম ও বদলে দিয়েছি
অ্যাপল জুস খাচ্ছি এক ই ষ্ট্র দিয়ে শুনছি ইনিয়ে বিনিয়ে বলা কথা
ভালবাসা শব্দটি আজ ও কুমারী আর বারাঙ্গনাসুলভ




গদ্য । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-৪ । ১৮ -০৮-২০১৮

জলবায়ু উদ্বাস্তু 
সৌমিত্র চৌধুরী

পূর্ববর্তী প্রকাশের পর... 
কেন এমনটা ঘটল? কেন বিশ্বের সব খানে আবহাওয়া বদল হেতু ত্রাহি ত্রাহি চিৎকার?  এ সবের মূল কারণ পৃথিবী গ্রহের বর্ধিত উষ্ণতা। দীর্ঘ দিন ধরে একটু একটু করে গরম হয়ে উঠেছে পৃথিবী। ধুনিক জীবন যাত্রার চাহিদা মেটাতে জ্বালানদহন করে করে ক্রমাগত তাপ শক্তি নিঃসরণ করেছে মানুষনিঃসৃত তাপে উত্তপ্ত হয়েছে বায়ুমণ্ডল।
       আরেকটু গভীরে গিয়ে বলতে হয়, ভোগ্যপন্য উৎপাদন করতে দরকার হয়েছে তাপ শক্তিকোথা থেকে এসেছে? জ্বালানি পুড়িয়েজ্বালানী আদতে রাসায়নিক শক্তি। প্রাকৃতিক জ্বালানী কয়লা, তার দহনে রাসায়নিক শক্তি রূপান্তরিত হয়েছে তাপ শক্তিতে (Thermal power)একে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয় বিদ্যুৎ ( Thermal power)বিদ্যুৎ বিনা জীবন অচলঘরে ঘরে পথে প্রান্তরে বিজলি বাতি প্রয়োজন। বাড়িতে দরকার ফ্রিজ এয়ার কন্ডিশন ওয়াশিং মেশিনএ সবের ব্যবহার বাড়িয়ে দিচ্ছে পৃথিবী গ্রহের উষ্ণতা। 
       শুরু বহু কাল আগে। সেই শিল্প বিপ্লবের সময় (1760-1820) থেকে। কলকারখানায় লোহা ও অন্য ধাতু গলিয়ে গাড়ি রেল জাহাজ তৈরি হতে লাগলো। অগ্রগতির খিদে মেটাতে শক্তি যোগান দিল প্রাকৃতিক জ্বালানী (Fuel), কাঠ তেল কয়লা ইত্যাদি দহন করে বর্তমান সময়ে পৃথিবীর ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ তৈরি হয় কয়লা পুড়িয়ে। আর পেট্রল দহন করে সংগ্রহ হয় ৩৮ শতাংশ শক্তি। যত বেশী পুড়েছে প্রাকৃতিক জ্বালানি, ততই বৃদ্ধি পেয়েছে বাতাসের কার্বন ডাই অক্সাইড এবং চারপাশের উষ্ণতা।
       উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে পৃথিবী গ্রহটাই ধ্বংসের মুখে। টিকবে বড় জোর আর এক শতাব্দী। কারণ যে হারে বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইড তাতে বর্তমান শতাব্দীর শেষে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা 2.5-5 ডিগ্রী সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। ভয়ঙ্কর কথা! তাপমাত্রা 2 ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই তো মৃত্যু ঘণ্টা বেজে যাবে পৃথিবীর। উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রতল উঁচু করে দেবে 230 ফুট। এর পরিণাম? জলের নিচে তলিয়ে যাবে বহু দেশ।
       শুরু হয়ে গেছে বহু গ্রাম শহর দেশের অবলুপ্তি। বস্তুচ্যুত হয়ে মাথা গোঁজার আশ্রয় খুঁজছেন অসংখ্য মানুষ।  
       আমরা আগে থেকে কেন সাবধান হতে পারিনি? যথার্থ প্রশ্ন। বিশ্ব-উষ্ণায়নের পরিণাম ও কারণ বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছিলেন বহু আগে। দুই সুইডিশ বিজ্ঞানী জন টিন্ডাল (1820-1893) এবং স্যাভান্তে আরহেনিয়াস (1859-1927) [নোবেল পান 1903 সালে], বহু প্রমাণ হাতে নিয়ে মানুষকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, ‘বাতাসে অধিক পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতি ভবিষ্যতে পৃথিবীর ভয়ংকর বিপদ ঘটাবে কারণ, এই গ্যাসটিই বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে (Green house effect)’। 
( চলছে ...)


লেখক~ ডসৌমিত্র কুমার চৌধুরী, এমেরিটাস মেডিক্যাল স্যায়েন্টিস্ট, চিত্তরঞ্জন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা, কলকাতা  

শিল্প-সাহিত্যের খবরাখবর । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । ১৮-০৮-২০১৮ ।


বাইশে শ্রাবণ, প্রকাশিত হল মুজনাই
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় 


গত শতকের আশির দশকের প্রারম্ভে সাবেক জলপাইগুড়ির ফালাকাটা থেকে প্রকাশিত হতে শুরু করে মুজনাই সাহিত্য পত্রিকা। ফালাকাটার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর নামে এই পত্রিকার নাম। সেসময়কার প্রথিতযশা লেখক-কবিদের লেখায় সমৃদ্ধ হত পত্রিকাটি। সমীর চট্টোপাধ্যায়, নীরজ বিশ্বাস, পুণ্যশ্লোক দাশগুপ্ত, তুষার বন্দোপাধ্যায়ের মতো বিখ্যাতদের সাথে পবিত্র দাস, রবীন মন্ডলের প্রচ্ছদ দেখা যেত মুজনাইয়ে। শিশু-কিশোরদের জন্যও প্রকাশিত হত মুজনাই। 
লিটল ম্যাগাজিনের নিয়ম মেনেই মাঝে কিছুদিন অনিয়মিত হয়ে পড়ে পত্রিকাটি। ২০১৪ থেকে অনলাইন ও সোশাল মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যমে মুজনাই সাহিত্য পত্রিকা (সম্পাদক- শৌভিক রায়, প্রকাশক- রীনা সাহা) প্রকাশিত হচ্ছে অনলাইনে এবং মুদ্রিত আকারেও। অনলাইনে প্রতি মাসে পত্রিকাটি যেমন নানা সংখ্যা প্রকাশ করছে তেমনি মুদ্রিত আকারে সাধারণ বার্ষিক সংখ্যার পাশাপাশি প্রকাশ করছে বিশেষ সংখ্যাও। ডুয়ার্স নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের পর অতি সম্প্রতি, বাইশে শ্রাবণ, প্রকাশিত হল মুজনাইয়ের 'জন্ম-দ্বিশতবর্ষের আলোকে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর' বিশেষ সংখ্যাটি। কোচবিহার ফিল্ম সোসাইটির হলঘরে কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে  বর্ষিয়ান সাহিত্যিক ও 'ত্রিবৃত্ত' পত্রিকার সম্পাদক রণজিৎ দেবের হাত দিয়ে মোড়ক উন্মোচিত হল বিশেষ সংখ্যার। উপস্থিত ছিলেন কবি অমর চক্রবর্তী, কবি গৌতমকুমার ভাদুড়ী, কবি মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস, নাট্যব্যক্তিত্ব দীপায়ণ ভট্টাচার্য, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক দেবব্রত চাকি, অধ্যাপক ডঃ অলক সাহা ও ডঃ জয়দীপ সরকার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এই উপলক্ষ্যে ছিল কবি-স্মরণ ও আলোচনা। পরিবেশিত হয় সঙ্গীত, আবৃত্তিও। 

আই-সোসাইটি । বাংলা ।
www.dainikbangla.in 





আজকের দিন । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-৪ ।পোস্ট-৬ । ১৮-০৮-২০১৮

আজ শনিবার । আই-সোসাইটি দিবস ।


🜌 ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১  ভাদ্র ১৪২৫ শনিবার  
🜊 সূর্যোদয় ৫টা. ১৭ সূর্যাস্ত ৬টা.   


🜉 প্রয়াণ দিবস - হুমায়ুন কবির  

লেখক  শিক্ষাবিদ ও রাজনীতি হুমায়ুন কবির এর পুরো হুমায়ুন জহীরুদ্দীন আমীর কবির এর জন্ম ১৯০৬ সালের  ফরিতপুরের এক গ্রামে  কল্লোল  পরিচয় পত্রিকার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে  যুক্ত ছিলেন চতুরঙ্গ নামে পত্রিকাটির সূচনা করেন বুদ্ধদেব বসুকে সাথে নিয়ে তিনি ছিলেন রবীন্দ্র অনুসারী কবি  দেশিকোত্তম পুরস্কার পান ১৯৬৯ সালের আজকের দিনে তিনি প্রয়াত হন  আই-সোসাইটির পক্ষ  থেকে  আজ তাঁর প্রয়াণ দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা



আজ শনিবার । আই-সোসাইটি দিবস । সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই । ।। শান্তি ।।



আজকের কবিতা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । ১৮-০৮-২০১৮ । আটপৌরে কবিতাঃ নীলিমা সাহা



আটপৌরে কবিতা, আজকের কবিতা

নীলিমা সাহা

       বিনোদবিহার

   পথ । পথিক  ।পথিকার
             <    ভ্রমণ  >
    অন্তহীন যাত্রার রহস্য দুর্জ্ঞেয়

       বিন্যস্ত যাপন
     দহন । ব্যাধি । দীর্ঘশ্বাস 
            < বিরহ >
   খুলে দিচ্ছে নীল ব্যথা 

       

         অদৃশ্য বাস্তব 
          মন । স্বপ্ন  ।  ইচ্ছা 
             ...ছুটছে ...
  ট্রাফিক সিগন্যালেও  অদ্ভুত চালক



      সহজ ভাবনা 
      ঘর।  শান্তি  । সুখ
         < জীবন >
       দেব-তা,যা আমার



            চলচ্ছবি 
      বৃষ্টি। নদী  । ঢেউ 
       ...  পাঁচালি ...
    যাপিত জীবন@মেঘলা আকাশ 

           বিনির্মাণ 
     ছুঁচ  ।  সুতো। আমি 
          < সম্পর্ক >
    সেই থেকে  সেলাই  করছি 





Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...