৬০২ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
৬০২ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৮

আটপৌরে কবিতা, আরিফুর রহমান । বাংলা । ৬০২ । ২৯-০৮-২০১৮

জলমগ্ন কবিতা
আরিফুর রহমান
১. বৈশিষ্ট্য
হাইড্রোজেন২ অক্সিজেন মানে-
              ~জীবন~
    হেঁটে যায় নিজস্ব নিয়মে।
২. রূপান্তর
            উল্লাসে নেমে আসা--
                     জল,
ঝরণার দৃশ্য আঁকে মনক্যানভাসে।
৩. প্রতিদান   
         একমুঠো আকাশ ছড়ানো
                  ...জলাশয়...
রোদ্দুর ভালোবেসে ওড়ায় জলীয়বাষ্প।




--আরিফুর রহমান
প্রভাষক, হিসাববিজ্ঞান
সরকারি ইসলামপুর কলেজ
পোস্ট+থানাঃ ইসলামপুর
জেলাঃ জামালপুর
বাংলাদেশ।
মোবাঃ +০৮৮০১৯১৩ ৯০৫২৬৩

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় ৷ বাংলা ৷ নবপর্যায়-৬০২ ৷ ২৯-০৮-২০১৮ ৷

বুড়ো শিকড়ের আত্মকথন

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়

ঘুম ভেঙে গেলো হঠাৎ।ঘুম আসলে বড়ো আপাতদৃশ্যের প্রতিফলন, কারন স্বচ্ছ দেওয়ালের দুই বিপরীত পাড়ে ~ একই সাথে চলা ঘটনার আবহমানতা।চোখের গতিবেগ বাড়লে, দেখা যায় কোলাহলের অনুরণন আর শোনা যায় এলোমেলো আঘাত।কেন যে এমন হয়, বোঝে না সে।আসলে পৃথিবীর সেই বয়সে কোনো অভিধান লেখা হয় নি, যেখানে আদর কথাটির কোনো বিপরীত বা বিপ্রতীপ শব্দ লিপিবদ্ধ থাকে।যদিও, তারই মতো খোদাই করা লিপিও এক বিশালাকার ইতিহাসের অংশত উপোষী বসৎ।সাক্ষ্যের তলব পড়লে, তারা উভয়েই জানে কিভাবে বিচারখানায় দিতে হবে নিজেদের নাম / ঠিকানা / পরিচয় / আবাস।মুহুর্মুহু চিৎকারের শব্দ হয়, কোনো উপযাজকীয় শিকার ছাড়াই।আবার, হয়তো এটাই আসলে শিকার, আর যেটা বন্যপ্রাণীর ক্ষেত্রে বোঝানো হয় ~ জাস্ট প্র্যাকটিসের আগে বসানো শূন্যস্থানে ডেমো।কেটে যায় মুহূর্ত।সময় আরো বেশি গতি বাড়াতে থাকে।নায়ক আরো আরো উঁচুতে আকাশী হাওয়াকলের কাছাকাছি।ছায়া ঢেকে ফেলে শরীর।নগ্ন শরীরের অন্ধকারে চলে পারমাণবিক সমীকরণ, আর তারপর আলোর তাপে ও চাপে শাপগ্রস্ত মানসীর আগুনে রূপের উৎসব।সে সব দেখে।সবই দেখে ~ ততদিনের দুপেয়েদের নাম মানুষ, এটা স্থির।সে সব দেখে, সবই দেখে ~ পিঁপড়েরা ফুলের সঙ্গমে তাড়া মারছে, গুটিপোকা তাপ বাড়ানোর কাজ করছে, মাকড়শার প্রাথমিক শিকার মাকড়সা নিজেই, আর হ্যাঁ পাখিদের টুংটুঙির সাথে কচিকাঁচাদের ক্যাঁচরমেচর।হয়তো সে ভাবে, যতোই আগ্নেয়গিরি ফাটুক, কচিরা যেদিন বড়ো হবে, গল্প শুনবে তার কাছে ~ পৃথিবী যখন তরল থেকে দ্রুত কঠিনের চৌম্বকীয় স্তরে।হয়তো ঘুড়ির ডগায় নাতিশীতোষ্ণ মাটির ঢেলা।সময় কেটে যায়।শুকনো পাতা রোদে পোড়ে।তারপর ঝরে।তারপর নতুন জামা।রঙিন স্বপ্ন।আসলে আমাদের নায়ক ~ ইতিহাসের সাক্ষ্য বয়ে নিয়ে চলে না কি স্বপ্নের,এ তত্ত্ব বড়োই গোলমেলে।কারন, ইতিহাসের প্রতিটি স্পর্শে স্বপ্ন ছাড়া আর কিই বা আছে।যাই থাকুক, সে তো একটা খোলোশ মাত্র

অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক কবিতা ক্যাম্পাস। বাংলা ।। নবপর্যায়-৬০২ । অষ্টম বর্ষ । ২৯-০৮-২০১৮


গত ২৬শে আগস্ট, ২০১৮ কলকাতার জীবনানন্দ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হলো অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক কবিতা ক্যাম্পাস ~ 

একটি বিশেষ প্রতিবেদন :

বিশ্বসাহিত্যে অনুকবিতার চর্চা বহুদিনের।সে আমাদের বৈদিক শ্লোকওই হোকা, বা হাইকু, বা তানকা, বা ট্রিওলেট ইত্যাদি।কাকে বলবো অনুকবিতা, না কি কবিতারও অনু হতে পারে?বাংলা সাহিত্যে অনু কবিতার চর্চা এই পর্যন্ত কতোটুকু? এইসব আলোচনা নিয়েই গত ২৬শে আগস্ট, ২০১৮ কলকাতার জীবনানন্দ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হলো অনুকবিতার কার্নিভাল।আয়োজক ছিলো কবিতা ক্যাম্পাস।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দিল্লী থেকে আগত কবি শ্রী গৌতম দাশগুপ্ত।এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন দিল্লী হাটার্স পত্রিকার সম্পাদক কবি দিলীপ ফৌজদার, কবি তৃপ্তি সাঁতরা এবং কবি প্রশান্ত গুহমজুমদার।প্রথমেই কবিতা ক্যাম্পাস সম্পাদক কবি শ্রী অলোক বিশ্বাসের সংক্ষিপ্ত ভাষনের পর, রাখি বন্ধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা । রাখী পরিয়ে দেন কবি জয়শ্রী ঘোষ এবং সৌমিত্র রায়।অতিথিরা সংক্ষেপে কবিতা ক্যাম্পাসের সাথে তাদের আত্মীয়তার কথা তুলে ধরেন।অনুকবিতা চর্চাতেও বা তারা এলেন কিভাবে একথাও আমরা জানতে পারি। কবিতাপাঠের মাঝে কবি শান্তিময় মুখোপাধ্যায় পরিবেশন করেন গান ।উপস্থিত অতিথি কবিদের সাথে বহু অগ্রজ ও অনুজ কবির কবিতাপাঠের পাশাপাশি মনোরম ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় অনুকবিতার উপর।কবিতা পাঠ করেন উমাপদ কর, অমিত কাশ্যপ, দেবাশিস লাহা, দেবাশিস বন্দোপাধ্যায়,সঞ্জয় ঝষি, বিশ্বজিৎ,সৌমিত্র রায়,রঞ্জন মৈত্র, সব্যসাচী হাজরা, ভাস্বতী গোস্মামী প্রমুখ।উঠে আসে ১৯১৬ সালে কবিগুরুর জাপান যাত্রা, তারপর তার হাইকু নিয়ে কাজ।উঠে আসে বিদেশে অনুকবিতার কাজ, মিনিমালিস্ট পোয়েট্রি মুভমেন্ট, ইমেজিস্ট আন্দোলন, এদেশে ৬০র দশকে হওয়া সংহতি আন্দোলন থেকে iসোসাইটি কৃত শব্দব্রাউজ, ই পোয়েমস্, চ্যাটি পোয়েমস্ ইত্যাদি কথা।উঠে আসে ইউরোপ ও বাংলা সাহিত্যের প্রকৃতিগত বৈচিত্র্য, যে কারনে অনুকবিতা চর্চার ফারাক।উঠে আসে, পাই কবিতা নিয়ে পাইতা ইত্যাদি নানাবিধ কাজের ধারা।আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি প্রদীপ চক্রবর্তী, কবি অনিন্দ্য রায়, কবিতা ক্যাম্পাস সম্পাদক কবি অলোক বিশ্বাস এবং কবি সুজিত সরকার।কবি সুজিত সরকার তুলে ধরেন তাঁর বিখ্যাত অনুকবিতা "দেওয়াল তুললেই ঘর / ভাঙলেই পৃথিবী"।তিনি আরো বলেন কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলা যায়, তাঁর প্রথমদিককার কবিতাগুলির তুলনায় শেষের দিকের কবিতাগুলি অনেকটাই মেদচর্বিহুল ও অনেক বেশী গভীর, যে কারনে আজ অনেক পাঠকের কাছেই তাঁর প্রথম কবিতাগুলি খুব একটা নতুন কিছু বার্তাময়তার নয়।অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয় দিল্লী হাটার্স পত্রিকার ১৪তম সংখ্যা।প্রকাশ করেন কবি রঞ্জন মৈত্র এবং অধুনা দিল্লীবাসী কবি ভাস্বতী গোস্মামী।এছাড়াও, কবিতা ক্যাম্পাস থেকে প্রকাশিত হয় কবি অনিন্দ্য ঘোষের অষ্টম কাব্যগ্রন্থ "কলহের নাম কাবেরী"।গোটা অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সম্পাদক অলোক বিশ্বাস নিজে।কবিতা ক্যাম্পাসের যাত্রাপথ আগামী দিনে আরো মসৃণ হোক, iসোসাইটির পক্ষ থেকে এই কামনা জানাই। 


প্রতিবেদক : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় 


আজকের দিন । বাংলা ।। নবপর্যায়-৬০২ । অষ্টম বর্ষ । সংখ্যা-১৫ । ২৯-০৮-২০১৮

২৯  আগস্ট ২০১৮, ১২  ভাদ্র ১৪২৫  বুধবার সূর্যোদয় ৫টা. ২১ সূর্যাস্ত ৫টা. ৫৭  



শ্রদ্ধাঞ্জলি~
প্রয়াণ দিবস -কাজী নজরুল ইসলাম, মোহনানন্দ ব্রহ্মচারী,  স্বরূপানন্দ গিরি মহারাজ 






Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...