বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য ১৭৭ || প্রভাত চৌধুরী || ধারাবাহিক গদ্য

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য

প্রভাত চৌধুরী



১৭৭.

আমাদের কবিতাপাক্ষিক চলছে ।এসবই প্রথম দশ বছরের কীর্তি বা কার্যকলাপ সম্পর্কিত কথাবার্তা।দশ বছরের পরের কথা পরে কখনো লেখা যাবে।

এখন বলছি হিমাদ্রিশেখর দত্ত-র কথা। হিমাদ্রির আগমণ ছিল সুমিতেশ সরকার সূত্রে।

হিমাদ্রিশেখর লিখেছিল :

' বাঁকুড়ার গেস্ট হাউসে মাঝরাতে কার্তিকদার গাছে উঠে কাঁচা আম পেড়ে খাওয়ানোয় বা বহরমপুরে রাতভোর আড্ডায় যে উষ্ণতা, সেইসব শ্রাব্যদৃশ্য অভিজ্ঞতা আছে মনের মন্তাজে , অমলিন।

কবিতাপাক্ষিক ঘিরে যে ৭০ মিমি অভিজ্ঞতা তা তো অশেষ , শুধু দশকপূর্তির দিক তাকালে বোধ হয়, আরে ! একটা দশক ঝরে গেল।'

এসব টুকরো স্মৃতিকে  মৃলধন করে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করছি। বাংলাকবিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছি।

দেবাশিস সাহা -র লেখা থেকে আমি তুলে দিচ্ছি। পড়তে থাকুন :

'প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই কবিতাপাক্ষিকের সঙ্গে আলাপ। কবিতাপাক্ষিক-৫০ বেরিয়েছে।আমি সদ্য এসেছি কলকাতায়। আর আজ কবিতাপাক্ষিক ২৫১ বেরোচ্ছে।এর মাঝে ২০০টি সংখ্যা অতিক্রান্ত।কবিতা

পাক্ষিকের সঙ্গে সম্পর্ক নিবিড়  ও গহন হয়েছে। সে দিনটির কথা এখনও স্পষ্ট। কলকাতা বইমেলার মাঠে প্রভাতদা আমাকে নিয়ে বসলেন , শুনলেধ আমার কবিতা। তারপর কানে দিলেন কবিতার ইষ্টমন্ত্র। আজ তা উল্লেখ না করে পারলাম না। --- দেবাশিস , কবিতা উপলব্ধির জিনিস। পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত কত কী ঘটে যাচ্ছে। এর বাইরেও আরো কিছু ঘটে যেতে পারে তো। যেটা ঘটেনি তুমি সেটাকে কাব্যে চিত্রিত কর। 

আমি কতটুকু পেরেছি জানি না তবে কথাগুলো আজও আমার কানে মন্ত্রের মতো বেজে চলেছে। সহৃদয় আন্তরিক প্রভাতদা বহরমপুরে প্রায়ই আসতেন  । দেখা হলেই কবিতাময় শরীরটি বেজে উঠতো ।'

দেবাশিস সাহা শেষ করেছিল :

' কারণ কবিতা নিয়ে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা কবিতাপাক্ষিক ছাড়া কেউ করে না  । সারাবাংলা এমনকী ভারতের বাইরেও যখন কবিতাপাক্ষিক পাতা মেলে তখন আমাদের গর্ব হয় । কবিতাপাক্ষিক আজ শুধু কবির পরিবার নয় , বাঙালির পরিবার ।

দেবাশিস সাহা-কে ধন্যবাদ।

এরপর দীপংকর সরকার । আমার জীবনে দীপংকর সরকার একাধিক ।এই দীপংকর সরকার চাকদা-র।সুমিতেশ সরকার সূত্রে কবিতাপাক্ষিক। এই দীপংকর কবিতাপাক্ষিক প্রকাশনার প্রথম ক্রেতা। প্রথম গ্রন্থমালা সিরিজটি কিনেছিল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। সেই হিসেবে তো দীপংকরের নাম কবিতাপাক্ষিকের ইতিহাসে লেখা হয়ে গেছে।

দীপংকর সরকার লিখেছিল :

' কবিতাপাক্ষিকের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অন্যান্য সকলের মতো এ গর্ব আমারও , বলতে পারেন অহংকারও। '

দীপংকরকেও ধন্যবাদ।

এরপরের জন তাপস দাস। তাপস লিখেছিল :

' যা কিছু জন্ম দেওয়া, খুব শক্ত। লালন পালন করা আরও শক্ত। এ ব্যাপারে প্রভাত চৌধুরীর ওপর সকলের গভীর আস্থা। এতবড়ো একটা কাজ যত্ন নিয়ে করা, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের কবি ও সৃজনশীল মানুষজনের সাথে সেতুবন্ধন করা সেতো শুধু কথার কথা নয়। ...   ...   ... ছোটো ছোটো কাজের মাধ্যমে আরও গভীরে যাওয়ার সুবাদে বুঝলাম কবিতাপাক্ষিকের এত সতেজভাবে বেড়ে ওঠার কারণ। দূরের মানুষকে কাছে আনার অস্ত্র যে তাদের মুঠোয়। অস্ত্রটি ভালোবাসা ।'

একদম হককথা বলেছে তাপস দাস।  এই ভালোবাসা দিয়েই সবকিছু জয় করার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু !

এখন কোনো কিন্তু নয় । কিন্তুগুলো তুলে রাখলাম। পরে অনেক কিন্তু বলা যাবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নস্টালজিয়া ৩৭ || পৃথা চট্টোপাধ্যায় ||

  নস্টালজিয়া ৩৭ পৃথা চট্টোপাধ্যায় নস্টালজিয়া ৩৭ পৃথা চট্টোপাধ্যায় খুব ছোটবেলার কথা লিখতে কেন যে এত ভালো লাগে জানি না। টুকটুক করে মনে পড়ে যায়...