রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১

পূরবী- ৭০ ।। অভিজিৎ চৌধুরী ।। Purabi- 70

পূরবী- ৭০ 

অভিজিৎ চৌধুরী 




কোজাগরী পূর্ণিমা খুব কাছেই।তারও আগে তুমুল নির্বাচন পর্ব।জোড়াসাঁকোর বাড়িতে যাওয়ার কথা হল।অধ্যাপিকা দেখাবেন।বাইশে শ্রাবণের ঘরে আজও জমাট বেদনা রয়েই গেছে।বুড়ো বটগাছ আর নেই।পুকুরটা রবীন্দ্রনাথের সময়েই উধাও হয়ে গেছিল।আছে দক্ষিণের বারান্দা। অবন ঠাকুরের বাড়ি।যাব,যাব সেই কবে থেকে বাজছে বীণা।শুধু সুরের বৈঠক আর হচ্ছে না।হৃদয়ের রাজা গেছে হারিয়ে।শিলাবতীর তীরে প্রলম্বিত ছায়ায় নতুন মানুষের কলরব নিশ্চয়ই।

শিলাদিত্য ছিল একলা পথের চিরসঙ্গী।এখন সে আছে জঙ্গলমহলে কিন্তু তীর্থ বহুদূরে নগরায়ণের ঘেরাটোপে।

একদিন সে লিখল,হৃদয়ের রাজা আর কবে দেখা হবে!

তীর্থ বলল,তিনি আসবেন।কথা যখন দিয়েছেন,তিনি আসবেনই।শুধু মনের হাট খোলা রাখতে হবে।

পাখিদের পাড়া পড়শী ।। পঙ্কজ গোবিন্দ মেধি ।। মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ-বাসুদেব দাস ।। দ্বিতীয় অধ্যায়। । Pankaj Gobinda Medhi

 পাখিদের পাড়া পড়শী 

পঙ্কজ গোবিন্দ মেধি 

মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ-বাসুদেব দাস 



দ্বিতীয় অধ্যায় 


দুই


অরণ‍্য  অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় মানুষের সঙ্গে কথা বলতে জানে। রুশ দেশের ভাষা না জানা একজন মানুষ যেমন রুশ দেশের লোকের সঙ্গে কথা বলতে পারেনা; তেমনই যারা অরণ‍্যের ভাষা বুঝতে পারো না, তারা অরণ‍্যের সঙ্গে একান্ত ভাবে কথা বলতে পারেনা। কিন্তু ভাষা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একমাত্র মাধ্যম নয়। অরণ‍্যের ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য।

আমি অরণ্যের ভাষা শেখার জন্য সুযোগ সুবিধা পেলেই অরণ্যের কাছে দৌড়ে যাই। অরণ‍্যের বুকে সন্তর্পনে হাঁটি। হাতে হাত ধরে কথা বলি। কথায় কথায় গুণগুণ করি।

দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে আমি অরণ্যের জন্য সময় বের করি। এখন অরণ্য আমার জীবন, আমার একমাত্র সংসার।

ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের অত্যন্ত ব্যস্ততাপূর্ণ  চাকরি। সকাল নয়টাতেই কর্ম সংগ্রাম আরম্ভ করি এবং রাত ন'টায় কাজ শেষ করি। আমার কুড়ি বছরের চাকরি জীবনে আমি প্রতিদিন অত্যন্ত ব্যস্ত শাখাসমূহে চাকরি করে এসেছি। একই ধরনের দৈনন্দিনপঞ্জী। একই গতানুগতিক কাজ। কাজ করতে গিয়ে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ি না। কাজের মধ্যে জীবনের সৌন্দর্য উপলব্ধি করি, সেজন্যই হয়তো। এভাবেই জীবনটাকে চালিয়ে নিতে শিখেছি। বছরের যে কয়েকটি দিন ছুটি হিসেবে লাভ করি সেই কয়েকটি দিন আমি অরণ্যের সঙ্গে নিবিড় ভাবে কাটাতে ইচ্ছা করি। অরণ্য আমার নিজস্ব পরিবার।

জীবনের এক কুড়ি আঠারোটা শীত আমি এভাবে পার করিনি।

প্রকৃতির মধ্যে বসন্তের প্রাচুর্য ঘটলেও আমার জীবনে কোনোকালে বসন্ত এল না।

তার জন্য আমার কোনো আক্ষেপ নেই। প্রত্যেকের জীবন এক রকম ভাবে অতিবাহিত হতে হবে এরকম কোনো কথা নেই।‌ আমার জীবনে বসন্ত আসেনি বলে এমন নয় যে কোকিলের ডাকে আমি অসুন্দর শুনি, গাছের কোমল কিশলয় আমি হলদে দেখি। চঞ্চল মাছের ডুব দিয়ে ভেসে  উঠাকে আমি  অস্পৃশ‍্য  বলে মনে করি। বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের সুগন্ধ বিশ্রী বলে মনে হয়।‍

আমার জীবন সংক্রান্ত  কথা ভাবার জন্য   আমি বছরে মাত্র এক মাস সময় পাই। আমার কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে ছুটি কাটানো সময়টুকুতে আমি জীবন সম্পর্কীয় কথাগুলি চিন্তা করতে পারি। কিন্তু যখন থেকে অরণ্যের মধ্যে প্ৰবেশ শুরু করেছি  তখন থেকে আমি আবার অন্য ধরনে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম । তাই আমি আমার জীবনকে নিয়ে চিন্তা করার জন্য কোনো অবসরই পাচ্ছি না ।

আমার খুব ছোটবেলাতে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। জানিনা আমার বয়স তখন কত।

মায়ের মুখের ছবিটা আমার মনে এখন ধূসর, ক্রমে ক্রমে অস্পষ্ট হয়ে চলেছে। আসলে মায়ের মুখের কোনো  ছবিই আমার মানসপটে সঞ্চিত হয়ে থাকে নি। মায়ের একটি কাল্পনিক মুখঅংকন করে আমি আজও আমার মাকে ভালোবাসি । এরকম মনে হয় তিনি আমার কাছে থেকে আমার দিকে তাকিয়ে থাকেন।

– মায়েরা কেন যে অকালে মরে যায়? 

মিশনারি স্কুলের নিম্ন  শ্রেণিতে পড়ার সময় আমার সহপাঠীদের মায়েদের  সন্তানদের স্কুলে  দিতে আসতে  দেখে আমার মায়ের কাল্পনিক মুখটি আমার বিষাদে পরিপূর্ণ বিমর্ষ মুখে নিয়ে আমি আমাকে প্রশ্ন করেছিলাম।

অন্য অনেক প্রশ্নের উত্তর না থাকার মতো সেই প্রশ্নের উত্তরও আমার কাছে ছিল না।

মায়ের মৃত্যুর পরে বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করেছিলেন এবং আমাকে দাদুর বাড়িতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। আমাকে খ্রিষ্টান মিশনারি বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে রেখে দাদুরা নাকি বাবা পড়িয়েছিলেন সে কথাও আমি ভালোভাবে জানতে পারলাম না। আজও আমার কাছে সেকথা রহস্য হয়ে  রইল।বিদ্যালয় বন্ধের সময়ও আমাকে ছাত্রাবাসেই  থাকতে হয়েছিল।অনাথ শিশুদের জন্য বিদ্যালয় বন্ধের দিনেও ছাত্রাবাস খুলে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবং সেই মতে আমাকে  অনাথ ছেলেদের সঙ্গে থাকতে  হয়েছিল। আমি অনাথ ছিলাম না, কিন্তু অনাথ হতে বাধ্য হয়েছিলাম। দাদু ঠাকুমারা সময়ে বৃদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। কাকাদের  নিজের নিজের সংসার ছিল। তাদের সংসারের একজন সদস্য হওয়ার জন্য আমি কোনো কথায় অপারগ ছিলাম। একটি সন্তানের জন্ম দিয়ে বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর ও  নাকি মৃত্যু হয়েছিল। বাবা তৃতীয়বারের জন্য বিয়ে করেছিলেন। তারপরে আমি বাবার অবস্থিতির বিষয়ে কোনো কথাই জানতে পারিনি। বর্তমানকে সব সময় প্রাধান্য দেওয়া তার জন্য আমি বোধহয় অতীত হয়ে পড়েছিলাম এবং বাবা আমার কাছ থেকে ক্রমশ দূরে সরে গিয়েছিলেন।  বাবার কাছে সেটাই বোধহয় বাধ্যবাধকতা ছিল। বাবার মনোজগতের কথা আমি আজও সে ভাবেই ভাবি। কিন্তু মায়ের কাল্পনিক মুখটা আমার মনে পরার মত বাবার মুখটা আমি মনে করতে পারছিলাম না। কেন এরকম হয়েছিল? বাবা আমার  জন্য চরম ত‍্যাগ  না করার জন্য! করতে না পারার জন্য। জানিনা। অন্য অনেক কথা না জানার মতো সে কথাও আমি জানতাম না।

আমার সম্পর্কীয় লোকের কাছ থেকে ভালোবাসা আদায় করতে না পারা আমি একজন সৌভাগ্যশালী ব্যক্তি। কোনোদিন আমাকে দুর্ভাগা বলে আমার কাছে প্রতিপন্ন করতে না শেখার জন্য চিনতে চাইলাম না । বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষয়িত্ৰীর  কাছ থেকে আমি স্নেহ ভালোবাসা পেয়েছিলাম। তার কারণ ছিল। শ্রেণীর মধ্যে আমি একেবারে নির্বাক ধরনের ছাত্র ছিলাম। অন্য অনেক কথা শেখা থেকেই বঞ্চিত হওয়ার জন্য উৎপাত কীভাবে করতে হয় আমি সে কথাও শিখতে   চাইলাম না। সম্ভবত সেটাই আমার জীবনে পট পরিবর্তন করে ফেলল।

কখন  ও  তড়িৎ গতিতে এবং কখনও ধীরে ধীরে আমার ছাত্র জীবন অতিবাহিত হল। উচ্চতর মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই  আমি  অবতীর্ণ হওয়া ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ক্লারিকেল পোষ্টের পরীক্ষা আমার জন্য সফলতা নিয়ে এল। এই সফলতাই আমার জীবনটির একটি নাটকীয় মোড় দিল। অতি নাটকীয়তা আমার খুব একটা পছন্দ হল না। কিন্তু আমার উপায়হীন জীবনের ধারা পরিবর্তিত করতে চেয়ে আমি চাকরিতে যোগদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করলাম। আমি পড়াশোনা করা বিদ্যালয়টির অবদান, শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রীদের ইচ্ছাকে আমি অস্বীকার করতে পারলাম না, মোটেও চাইলাম না। 

তারপরে আরম্ভ হল  আমার অন্য এক জীবন।






আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৫ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/5 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৫ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/5 Debjani Basu





 আটপৌরে ২৬/৫


১. নক্ষত্রের দিকে পাথর ছুঁড়ি

স্টপ। নিশপিশ - আঙুল। স্টপ।
              উৎসবে
ইয়ার্কি মজাতেও জমাতেও মরছি।

২. তোর সারিয়ে দেব আকাশ

ক্ষয়া-রামধনু। গোলাম- বাগিচা। দীক্ষা-হদিশ।
                     কাপালিক
হনুমানের লেজে শংকরমৎস্য কাঁটা।

৩. ডিজিটালি কূটনৈতিক কাপালিক

দশাসই। ঝাঁকড়ালো। কৃষ্ণচূড়া।
                  টানটান
শ্রেণিচেতনায় আভিজাত্যে চির অমর।

 

আটপৌরে ৩৪ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 34, by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৩৪ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 34, by Sudip Biswas





আটপৌরে কবিতা


৩৪.

পূর্বাপর


নিবিড়তা। আদিমপট।পুনর্জাত।


চন্দনচাল


ফেলে আসা ধ্যান, সায়ংকাল।



নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৭০-৩৭২ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 370-372,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৭০-৩৭২

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 370-372,





 নীলিমা সাহার আটপৌরে

৩৭০)
  সত্যই অস্ত্র,নিষেধই
          ফলা
প্রলুব্ধগন্তব্যে অসংখ্য রোপণ,ফলনও

৩৭১)নীতিবাগিশিদের সিঁড়ির ধাপে
             আছড়ায়পিছড়ায়
শহীদমিনার ,ভেতরে হাসিগুলো ঘুমোয় 

৩৭২)
মুঠোহাত আকাশের দিকে
        নীলকোলাজে
বিশ্বস্তপদপাত,  আঘাতে আঘাতে দিনাতিপাত

শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬৭-৩৬৯ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 367-369,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬৭-৩৬৯

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 367-369,





 নীলিমা সাহার আটপৌরে

৩৬৭)
অ-ভাবেই বন্দিত স্বভাব 
ভাবলেশহীনসন্ধ্যা
রোজনামচায় কোটিবৎসরের এই জীবাশ্মপৃথ্বী

৩৬৮)আমরা এখন পরিবর্তিতশিলায়
                 রূপান্তরিত
         অস্তিত্ব  সংস্কৃতি ধ্বনি সভ্যতা 

৩৬৯)
   নিয়ত  প্রণীত হই
       বহমান 
    ভূত ও অধিভূত রহস্যজীবনে 

আটপৌরে ৩৩ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 33, by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৩৩ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 33, by Sudip Biswas





আটপৌরে কবিতা


৩৩.

আখ্যান


অনিঃশেষ।ধূপাধার। হলাহল।


অবগাহন 


ভেসে চলে পূর্ণ মহাকাল।



আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৪ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/4 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৪ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/4 Debjani Basu





 আটপৌরে ২৬/৪


১. গুডমর্নিং আকাশ বাতাস ভরা

দমবন্ধ। ছটফটানি। ডানাবদ্ধ।
                 বাক্যবাগীশ
হওয়াটুকুই তোর রেখেছি মনে।

২. হকারবুলি নিজের বুলির প্রভেদ

হরবোলানি। ঘরভোলানি। মনভরানি।
                       গোল্লাছাতু
শুকনোপারা জলে ভিজিয়ে খেতিস।

৩. আমিও আছি অপেক্ষাতে

রাগারাগি। খুনসুটি। অভিমান।
                    জলাঞ্জলি
দিয়ে ভাসালি ডানা সত্যিকারের।
                 

শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬৪-৩৬৬ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 364-366,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬৪-৩৬৬

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 364-366,





 নীলিমা সাহার আটপৌরে

৩৬৪)
দশেরা>দশাহরণ>দশচক্র 
           উদযাপন
জীবন এক আশ্চর্য দহ

৩৬৫)সাতকান্ডে রামায়ণ বহুগমন
                লক্ষণরেখা   
জৈবিকপ্রবৃত্তজখেলা সীতার নাকি রাবণের!!

৩৬৬)পূর্বাচলের দিকে তাকাই
               সীতাহরণসংবাদ
জলচুপ,রাবণহরণ নেই পশ্চিমপারেও

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৩ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/3 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/৩ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/3 Debjani Basu





 আটপৌরে ২৬/৩


১. সব্জি ধোওয়ার আদর

জ্ঞানদাত্রী। জ্ঞানদাতা। পটাসপারম্যাঙ্গানেট।
                 অসহ্য
সব্জিরা নিজেরাই গা ধুয়েছিল।

২. মৃতদেহ খাবার কেউ নেই

জীবনবদল। পথবদল। কথাবদল।
                   মুখোমুখি
বালখিল্য জাতিরা ঝগড়ায় বাঁচে।

৩. কি অবোধ ভাষার সাক্ষাতে

কিসমৎ। মৎ-কিস। খুশমোতিয়া।
              হিরেবাঁধানো
ঘিলুর ভিতর ঘুমন্ত রাজকুমার।

আটপৌরে ৩২ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 32, by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৩২ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 32, by Sudip Biswas





আটপৌরে কবিতা


৩২.

তরাই


পাইনকথা। শিলালেখন।জলপ্রপাত।


অর্কিড-আদর


চুঁইয়ে নামছে পাহাড়ি বনপথ।




এলেম নতুন দেশে ।। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় ।। অনুগল্প, Aurobinda Mukherjee

এলেম নতুন দেশে 

অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় 



যে দুজন একরাস্তা দিয়ে কখনোই চলাফেরা করতো না,  তারা এখন একটু তফাতে হলেও একই রাস্তা ধরছে । যাদের মধ্যে সীমানা নিয়ে বিরোধ প্রায় লেগেই থাকতো, তারা যেন কোন মন্ত্রবলে চুপ করে আছে ।যার হাসিমুখ দেখা আর অমাবস্যায় চাঁদ দেখা একই ব্যাপার বলে কানাঘুষো হয়, তাকেও দেখা যাচ্ছে দাঁতের বিজ্ঞাপন দিতে । কতসময় যে কিপটে লোকটা রাস্তায় বসে থাকা কুষ্ঠ ভিখিরি'টাকে পাশ কাটিয়ে উদাসীন ভাবে চলে গেছে ; কিন্তু আজ যেন সে অন্য গ্রহের মানুষ । দু- এক বার  কিছু ভাবনা ভেবে সন্তর্পণে এদিক ওদিক একটু তাকিয়ে খুঁজে খুঁজে এক টাকার কয়েন'টি সগর্বে টং করে ফেলে দিলে । বাবা তার অবাধ্য ছেলের বায়না মেটাচ্ছে আর ছেলেটি অবিশ্বাসের চোখ নিয়ে দু- এক বার দেখে নিচ্ছে তার বাবাকে । স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যেন কোনও কালে কোনোরকম বিরোধ ছিল না । এখন হাসিমুখ এনে তিনি কল্পতরু । রাত্রিগুলো যেন অজ্ঞাতবাসে চলে গেছে । দিনের আলোও এত মুখরিত করেনা । এককথায় স্থান কাল পাত্র দেখে শুধু একটা গানই গাইতে ইচ্ছে করছে সবার---'এলেম নতুন দেশে ....' ।

          এ কোন মন্ত্রবল ? এ বহুবলধারিনী'র মন্ত্রবল । এ আনন্দময়ীর আনন্দিত রচনা । আনন্দ ।শুধু আনন্দ । শারদ আনন্দ । সমস্বরে সবার মুখে একটাই কথা--- মা আসছেন ...। ভুবনভোলানো মা । মা দুর্গা ।


              ================

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১

বিদেহ নন্দিনী~ ৩১ ।। ডঃমালিনী ।। মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদঃ বাসুদেব দাস bideha nandini

 বিদেহ নন্দিনী~ ৩১

ডঃমালিনী 

মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদঃ বাসুদেব দাস 

(৩১)

  হনুমান আমাকে  বালীর ভার্যা তারার বিচক্ষণতার কথা বলেছিল-' হে মাতা সীতাদেবী, সেদিন মহারানী তারা না হলে মহারাজ সুগ্ৰীব সুমিত্রা নন্দন লক্ষ্মণের ক্রোধ থেকে রক্ষা পেত না। স্বামী বিয়োগের শোক সম্বরণ করে প্রত্যুৎপন্নমতি তারা মহারাজ সুগ্রীবকে প্রতিটি কথায় বুদ্ধি ভরসা দিয়ে রাজকার্য সঠিকভাবে চালানোয় আরম্ভ থেকেই সাহায্য করছিলেন। সুগ্রীবের উপরে লক্ষ্মণের কেন রাগ হয়েছিল আমি সে কথা জানতে চাওয়ায় হনুমান কিছুই না লুকিয়ে বলেছিল-' হে দেবী, সুমিত্রা নন্দনের রাগ হওয়ারই কথা। দুঃখের জীবন যেন আর শেষ হতে চায় না। প্রভু রামচন্দ্র না হলে সুগ্রীব কিস্কিন্ধার রাজা হতে পারত না। তিনি সুগ্রীবকে যেভাবে কথা দিয়েছিলেন ঠিক সেভাবে কাজ করে দিলেন ।কিন্তু সুগ্রীব বর্ষা আরম্ভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রভুকে কথা দেওয়া মতে কাজ করে দিল না। তাই রাঘব সুগ্রীবকে বর্ষার দিন কয়টি কিস্কিন্ধায় থেকে রাজ্য শাসন করার জন্য উপদেশ দিলেন। কিন্তু শরৎ ঋতু শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবাই একত্রিত হয়ে সীতাদেবীর অন্বেষণে লেগে যাওয়ার জন্য  বলে পাঠালেন।প্রভু রামচন্দ্রের উপদেশ অনুসরণ করে আমরা সবাই কিস্কিন্ধা  ফিরে এলাম। সুগ্ৰীব দুজনকে রাজ্যে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু রাঘব বনবাসের বছর শেষ না করে রাজ্যে প্রবেশ করতে চাইলেন না। তাই প্রস্রবণ গিরির গুহায়  বর্ষা কালটা কাটাতে মনস্থ করলেন।
  এদিকে রাজা হয়ে  সুগ্রীব ভোগবিলাসে দিন কাটাতে লাগলেন। বর্ষা পার হয়ে শরৎকাল এসে গেল। তবু রাজা সুগ্রীবের খবর নেই যে প্রভু রামচন্দ্র প্রস্রবণ গিরির গুহায় তার পথ চেয়ে রয়েছেন, প্রিয়তমা পত্মীর অন্বেষণ অভিযান আরম্ভ করার জন্য। অবশ্য শরৎকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি নিজেই একদিন সুগ্ৰীবকে প্রভু রামের কাজে অবহেলা না করার জন্য সাবধান করে দিয়েছিলাম। রাজা ও মহাবীর নীলকে  রাজ্যের সমস্ত বাঁদর সৈন্যকে একত্রিত করার আদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজে আগের সেই গতি ছিল না। এমনকি রাজা হওয়ার পরে একদিনও প্রভুর খবর করার জন্য রাজা সুগ্রীব সময় করে উঠতে পারলেন না ।'
হনুমানের কথা শুনে আমি মাঝখানে বললাম -'তুমি দেখছি বলেছিলে যে সুগ্রীব ধর্মাত্মা। সে রামচন্দ্রের মিত্র হয়ে উঠেছে ।তাহলে একজন মিত্র অন্য মিত্রের সমস্যায় গুরুত্ব দেবে না কেন?'
হনুমান কিছুটা সংকোচের সঙ্গে বলল-' রাজা হওয়ার পরে মহারাজ সুগ্রীবের চরিত্রে কিছু পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি ধর্ম-কর্ম থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন বলে মনে হচ্ছে। রাজকার্যের ভারও পুরোপুরি মন্ত্রীদের উপরে ছেড়ে দিয়েছেন ।এমনকি মন্ত্রীরা কীভাবে কাজ কর্ম চালাচ্ছে তারও কোনো খবরা খবর নিচ্ছেন না। সব সময় পত্নীদের সঙ্গে থেকে ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে রয়েছেন। কথাগুলি  বলে হনুমান কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। তারপর দুই কূল রক্ষা করে পুনরায় বলল -'তাই একদিন প্রভু রামচন্দ্র তার কর্তব্য বিষয়ে তাকে স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য লক্ষ্মণকে কিস্কিন্ধায়  পাঠালেন। সেই সময় রাজা সুগ্রীব সুরার নেশায় নিদ্রামগ্ন  ছিলেন। লক্ষ্মণ বালির পুত্র অঙ্গদকে তার আসার খবর দেবার জন্য পাঠালেন। কিন্তু নিদ্রামগ্ন রাজাকে অঙ্গদ সেই খবর দিতে পারল না। অঙ্গদের মা তারা এবং কাকিমা রুমা রাজাকে ধাক্কা দিয়েও জাগাতে পারলেন না। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে লক্ষ্মণের রাগ হয়েছিল। এদিকে অঙ্গদ লক্ষ্মণের কাছে দ্বিতীয়বার যেতে সাহস করল না। ক্রোধিত  সুমিত্রানন্দন সিংহদরজা দিয়ে ভেতরে এসে রাজপ্রাসাদে অনেক নারীকে নাচ-গানে মত্ত দেখে তিনি ভেতর প্রবেশ করলেন না। তার আগমনের বার্তা জানানোর জন্য ধনুতে টংকার দিলেন। সেই টঙ্কারে সবার অন্তরে ভয়ের সঞ্চার  হল । মহারাজ সুগ্রীবের ও নেশা কেটে গেল। অঙ্গদের কাছ থেকে যখন জানতে পারলেন যে লক্ষ্মণ এসেছে, তিনি নিজে লক্ষ্মণের সামনে বেরিয়ে আসতে সাহস না করে দ্রুত তার আছে, তার সঙ্গে কথা  বলার জন্য তারাকে পাঠিয়ে দিলেন।'
তারা লক্ষ্ণণকে সম্ভাষণ জানিয়ে বললেন-'হে সুমিত্রা নন্দন, আপনি ক্রোধিত হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। এই সংসারে এমন কে দুর্মতি আছে যে আপনার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে ? লক্ষ্মণ শান্তভাবে তীক্ষ্ণ শব্দ প্রয়োগ করে বললেন-'দেবী তারা, আপনাদের রাজা সুগ্রীব কেবলমাত্র ভোগবিলাসে মত্ত হতেই জানে। তিনি আমাদের কথা সম্পূর্ণ ভুলে গেছেন। বিদেহ নন্দিনীর উদ্ধারের জন্য বর্ষায় যাত্রা করা সম্ভব নয় বলায় আমরা তার কথা মতোই চার মাস বসে রইলাম। এখন শরৎকালের মাঝামাঝি। দাদা রামচন্দ্র তাকে কিস্কিন্ধার রাজা পেতে দেওয়ার পর আজ পর্যন্ত একটা খবরও করে নি। সব সময় সূরা এবং স্ত্রীদের সঙ্গে ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে রয়েছেন ।'
লক্ষ্মণের কথা শুনে তারা বড় কোমল স্বরে বললেন-'আপনাদের ক্রোধ হওয়াটা স্বাভাবিক। মিত্রকে কথা দিয়ে সেই কাজ দ্রুত না করাটা  রাজা সুগ্রীবের ভুল হয়েছে। তা বলে তার পেটের মধ্যে কোনো কপটতা নেই ।আমি ভালোভাবে জানি যে আপনাদের সাহায্য করার  জন্য তিনি বড় ইচ্ছুক। আপনারা জীব শ্রেষ্ঠ প্রাণী ।তাই হীনবুদ্ধির প্রাণী সুগ্রীবকে ক্ষমা করে দিন। বাঁদর সুলভ চরিত্রের জন্যই এই সমস্যাটা হয়েছে। ভেবে দেখুন সব সময় তপস্যা, ধর্ম কর্মে লিপ্ত হয়ে থাকা মহর্ষিরাও  কামপাশে আবদ্ধ হয়ে দেহ সুখে লিপ্ত হয়। তাই বাঁদরদের কথা তো কোন ছার । তাবলে সুগ্রীব কর্তব্য ভুলে যায়নি। প্রায় পনেরো দিন আগে সমস্ত বাঁদর সেনাকে একত্রিত করার জন্য নীলকে পাঠিয়েছে। কথাটা বলে তারা লক্ষ্মণকে অন্তঃপুরে নিয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে সুগ্রীব শয্যা ত্যাগ করে সাজ পোশাক পরে সিংহাসনে বসে ছিল। তাকে আলিঙ্গন করে পাশেই বসে ছিল পত্নী রুমা। সিংহাসনের চারপাশে বিভিন্ন সুন্দরীরা বসে রয়েছে।সুগ্ৰীব কল্পনাও করতে পারেনি যে তারা লক্ষ্মণকে এভাবে রাজ অন্তপুরে  নিয়ে যাবে। তাই সে থতমত খেয়ে গেল ।সঙ্গে সঙ্গে সিংহাসন থেকে উঠে এসে প্রণাম জানাল।সুগ্ৰীবকে  এহেন অবস্থায় দেখে লক্ষ্মণের রাগ হল। তিনি ক্রোধ সংবরণ করতে না পেরে বললেন-' মিথ্যাবাদী বাঁদর, তুমি ঠগ, অকৃতজ্ঞ এবং অধর্মী। তুমি রামচন্দ্রের মাধ্যমে তোমার কাজ সিদ্ধ করে এখন তার দিকে পিঠ দিয়েছ। রামচন্দ্র বলেই তোমার মতো একটা পাপিষ্ঠকে রাজ সিংহাসনে বসিয়েছেন। তুমি তার সামনে করা প্রতিজ্ঞা রক্ষা না করলে তোমার অবস্থা ও বালীর মতোই হবে । লক্ষ্মণের ক্রোধ দেখে রাজা সুগ্রীবের মুখের ভাষা হারিয়ে গেল। রাজার হয়ে মহারানী তারা বলে উঠলেন-' হে সুমিত্রানন্দন আপনার মহারাজের সঙ্গে এরকম ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ঠগ,মিথ্যাবাদী বা অধর্মী নন। রামচন্দ্রের উপকারের কথা তার সব সময় মনে আছে। মাত্র অনেক বছর পাহাড়ে পর্বতে, বনে - বনান্তরে ,ঘুরে বেড়ানোর পরে রাজ সুখ, অঙ্গসুখ, রাজভোগ পেয়ে জ্ঞান হারানোর মত অবস্থা হয়েছে। সেটাকে দূষণীয় বলা যায় না। বাঁদরের স্বভাবগত চঞ্চলতার কথা আপনারা ভালোভাবেই জানেন। তার হয়ে আমি ক্ষমা চাইছি ।আপনি চিন্তা করবেন না। রাজ্যের সমস্ত দিক থেকে লক্ষ লক্ষ বাঁদর ভালুক সেনা আজকের মধ্যেই কিস্কিন্ধা পৌঁছে যাবে। আপনার ক্রোধ সম্বরণ করে শান্ত হন। বুদ্ধিমতী তারা এভাবে লক্ষ্ণণের ক্রোধ সংবরণ করিয়ে সুগ্রীবকে প্রভু রামচন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দিলেন।
হনুমানের মুখে তারার ব্যক্তিত্বের কথা শুনে আমি বুঝতে পারলাম তারা সত্যিই জ্ঞানী এবং বুদ্ধি মতী মহিলা। হনুমান তারার কথা যদিও সাধারণভাবেই বলেছিল, আমার কিন্তু তারার প্রতিটি বাক্য স্বামী রামচন্দ্র এবং লক্ষ্মণের প্রতি প্রহার করা বাক্যবাণ যেন বলে মনে হয়েছিল।স্বামী বালীকে ডালের মৃগ    বলেছিল বলেই হয়তো তারা বারবার লক্ষ্মণকে শ্রেষ্ঠ জীব বলে সম্মোধন করে সেই কথাটা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অন্তরের ক্ষোভ প্রশমিত করেছিল। তাবলে আমি তারাকে দোষ দিতে চাইনা। তার জায়গায় আমি হলেও হয়তো আমিও  এরকম আচরণই করতাম।

আটপৌরে ৩১ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 31, by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৩১ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 31, by Sudip Biswas





আটপৌরে কবিতা


৩১.

স্বদেশ


মা। আঙিনা। ভরা-ক্ষেত।


পল্লীজননী


দু'চোখ জুড়ানো আমার দেশ।



আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/২ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/2 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/২ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/2 Debjani Basu





 আটপৌরে ২৬/২


১. প্রতিযোগিতায় হারছে

ঈগলবাসা। শকুনডানা। চিলডানা।
           শরীরখোলা
জানলা পেয়ে ঘুড়ি ঘরে।

২.  বাদ্যি বাজে ড্যাড্যাং ড্যাং          

অগস্ত্যযাত্রা। জুজুযাত্রা। ইয়ার্কি যাত্রা
         পরেবলছির
কবরে প্রচুর মিথ্যের সিম্ফনি।

৩. আকাশ ঘরের করোনাযাদু

গর্তবাসী। গুহাবাসী। পাতালবাসী।
               বিজ্ঞানের
অহংকারে জলের দুধ ডগমগ।

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬১-৩৬৩ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 361-363,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৬১-৩৬৩

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 361-363,





 নীলিমা সাহার আটপৌরে

৩৬১সেতুর  আশেপাশেই ঘুরঘুর 
               আলোহাতেআঁধার
নাগরিকমননে অপেক্ষা দোয়েলশিসের সকাল 

৩৬২) খোলা  পৃষ্ঠা থেকে 
               নতুনআলো
        মুছে দেয় দিনের  অপমান 

৩৬৩)
তবু  করুন পিছুটান 
       হা-হুতাশ
আনন্দের জীর্ণ বর্ণমালায় পার্থিবমন্ত্র

বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১

বই প্রকাশ ।। Midnapore Club

 বই প্রকাশ 



মিডনাপুর ক্লাব-এ প্রকাশিত হল সন্দীপ ঘোষ-এর লেখা আত্মজীবনীমূলক ৩৩৬ পৃষ্ঠার গ্রন্থ "কেকা, আমি ও শূন্যতা" ৷ অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জয়ন্ত সাহা ৷ সঞ্চালনা করেন অমিতাক্ষর পত্রিকার সম্পাদক অচিন্ত মারিক ৷ উপস্থিত ছিলেন বইটির লেখক সন্দীপ ঘোষ, নয়ন সম্পাদক বিদ্যুৎ পাল, কাগজের নৌকা সম্পাদক বরুণ বিশ্বাস, আই-সোসাইটি সম্পাদক সৌমিত্র রায়, ছোটোদের আলোলিকা সম্পাদক পীযূষকান্তি সরকার এবং আরো অনেকে ৷

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৫৮-৩৬০ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 358-360,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ৩৫৮-৩৬০

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 358-360,





 নীলিমা সাহার আটপৌরে

৩৫৮)
মৃন্ময়ী  বা চিন্ময়ীদর্শন
কেবলই
মনুষ্যঢেউ,উধাও ভক্তির ঢেউ
৩৫৯)
সিংহীপার্ক  একডালিয়া বাদামতলা
    পথঢেউ
 মারিয়ে দর্শনার্থী কেবলই বেপথু

৩৬০)
মহাঅষ্টমীর দেবীদর্শনই শুধু !
  পতিতালয়ের
মৃত্তিকাস্পর্শেও যে পবিত্র রহস্য 

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/১ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/1 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৬/১ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 26/1 Debjani Basu





 আটপৌরে ২৬/১

১. ধুত্তোর জীবনের মাত্রা

সাইবার। সাইবেরীয়। সরবরাহ।
               অপ্রতুলতায়
মজা মাটি মাটি মজা।

২. ছবি ছবিক্কার

অসাধারণ। গজব। সোকিউট।
               অসংখ্য
অ্যাডমিনের ঘাড়ে লাফায় মাছরাঙাটি।

৩. দামিনী ও তড়িৎ

ভারতীয়। উঃ-ভারতীয়। দঃ-ভারতীয়।
              লাবণ্যময়
কত্থক ভারতনাট্যম নৃত্য পরাকাষ্ঠা।

আটপৌরে ৩০ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 30, by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৩০ || সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 30, by Sudip Biswas





আটপৌরে কবিতা


৩০.

মূর্ছনা


বিশ্বলোক। পথহারানো।ফাগুন-হাওয়া।


বিরহগান


রাখবো গেঁথে সুরের আলপনায়।

পূরবী- ৭০ ।। অভিজিৎ চৌধুরী ।। Purabi- 70

পূরবী- ৭০  অভিজিৎ চৌধুরী  কোজাগরী পূর্ণিমা খুব কাছেই।তারও আগে তুমুল নির্বাচন পর্ব।জোড়াসাঁকোর বাড়িতে যাওয়ার কথা হল।অধ্যাপিকা দেখাবেন।বাইশে শ্...