মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

শব্দব্রাউজ ৩০২ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-302, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ ৩০২ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-302, Nilanjan Kumar



শব্দব্রাউজ ৩০২ || নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন । তেঘরিয়া মেন রোড । কলকাতা ।২১। ৯ । ২০২১।

শব্দসূত্র:  বালা নাচতো দেখি

নাচার বহুৎ  রূপ । তার থেকে উপচে পড়া আনন্দ । সব মিলিয়ে চমৎকার । জানি সেখান থেকেও ছুটে আসবে  হাসি । অজান্তে ।


দেখি আর চর্চার ভেতরে নিজেকে জড়িয়ে রাখি । প্রবৃত্তি  নাচায় । আপন তালে । জীবনকে রম্য করি আর সাজাই । চাঁদ বদনী নিছক সৌন্দর্য আর ভালোবাসা শেখায় । আহ্লাদ  জীবন্ত হয়ে ওঠে ।


আটপৌরে কবিতা ৯৬৭ -৯৬৯ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 967- 969

 আটপৌরে কবিতা ৯৬৭ -৯৬৯ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 967- 969




আটপৌরে কবিতা : অলোক বিশ্বাস


৯৬৭.
কুকুরেরা ঘরের মেঝেতে
ঘুমোয়।
আমি জেগে থাকি পাশে।
৯৬৮.
কুকুরের গায়ে পোকা
বাছতে
গিয়ে হয়ে যাই বোকা।
৯৬৯.
রাতভোর কুকুরেরা ডাকে।
মানুষ 
ঘুমোয় কুকুরেরা জানে না।

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৭ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/7 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৭ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/7 Debjani Basu




 আটপৌরে ২২/৭


১. আমি ও গরু যমজবোন

শিংবাঁধা। ছিটেফুটকি। হাড়সার।
               গরু
বিহনে বিরহ বহন যায় না।

২. লক্ষ্মীমন্ত পায়ে ডুব দাও

বাদামচুম্বক। স্পন্দনকুঁড়ি। বৃষ্টিঝাপসা।
                 বেভুলসময়ে
পুকুরে ঝাপাঝাপি  হাঁসেরা দেখল।

৩. যে যেখানে দাঁড়িয়ে

সৈয়াবোলো। কাঁদনসাঁঝ। সাজনসাজ।
                 চন্দ্রিমাতে
ভার্চুয়াল খুড়োর কল নাচছে।

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৯২-২৯৪ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 292-294,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৯২-২৯৪

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 292-294,




 নীলিমা সাহার আটপৌরে

২৯২)
ঘুম  আর নিশ্চিন্তিপুর
            মাঝে
জাগরূক  কয়েক ছিলাম সংসার 

২৯৩)
 মানবতার  কৃত্রিম আলো
          দপদপ
 কথাবহ মেগাসিটি,চুপমনে অনুভূত

২৯৪)
ঝোলাব্যাগ থেকে পান্ডুলিপির
           উঁকি ...
মহাকালের কলতলায় অজস্র কোলাজ 

সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৬ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/6 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৬ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/6 Debjani Basu




 আটপৌরে ২২/৬

আটপৌরে২২/৬

১. পৃথিবী মাত্র এক পেপারওয়েট

দুধসন্ধ্যা। নীলচন্দ্রমা।নীলতারা।
               কাগজাননে
লেখা কাজগুলি নীলকান্তমণি পাথর।

২. পুরানো বই পঠনে বাড়ে

ঝুলদুঃখ। কাগজকুচি-বিষাদ। ধুলো-অবসাদ।
               কায়দা
করে দেয়ালে টাঙিয়ে সুখ।

৩. ভূতের নক্ষত্রজনিত অসুখ

কাঁটাতার। ইটপাটকেল। ভুষোকালি।
              কৃকলাসের
ঠাট্টামারা গাট্টারা তেঁতুলগাছে রাত্রে।

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৯-২৯১ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 289-291,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৯-২৯১

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 289-291,




 নীলিমা সাহার আটপৌরে

২৮৯)
চারধারে রাজনৈতিক সাঁতার
       ধূম্রজানালায়
পোড়োগন্ধ,বাড়ন্তভাতে ছাই-এর রহস্য 

২৯০)
    ধ্বংসের  ভেতরেই প্রস্তুতি 
                পুনর্গঠনের 
   এখানেই প্রকৃত পরিচয় ব্যর্থতার

২৯১)
  দূর্বাদলে শিশির  শিউলির
          সহাবস্থান 
  এমত নিবদনেই আলোর সুদৃর

আটপৌরে কবিতা ৯৬৪ -৯৬৬ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 964- 966

 আটপৌরে কবিতা ৯৬৪ -৯৬৬ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 964- 966




আটপৌরে কবিতা : অলোক বিশ্বাস

৯৬৪.
গ্যালাক্সির ভেতরে দাঁড়িয়ে
ডাকছো 
আমাকে যেতে গ্যালাক্সির কিনারে।
৯৬৫.
আমি নই, নদী
সাঁতরায়
আমার দেহতত্ত্ব পার হতে।
৯৬৬.
মনকে দেহে এবং
দেহকে
মনে রূপান্তরিত কোরতে চেয়েছি।

রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

কোল উপজাতি হো ভাষার লিপির আবিষ্কারকের জন্ম দিবস উদযাপন ৷৷ সংস্কৃতি সংবাদ, Midnapore

কোল উপজাতি হো ভাষার লিপির আবিষ্কারকের জন্ম দিবস উদযাপন ৷৷ সংস্কৃতি সংবাদ



আজ (১৯\৯\২০২১) সকাল ১০ টায় পশিচ্ম  মেদিনীপুরের ডেবরা ব্লকের গোলগ্রাম হাইস্কুল ওডিটরিয়ামে কোল উপজাতি হো ভাষার লিপির আবিষ্কারকের জন্ম দিবস উদযাপন হলো। উনার পটের চিত্রে পুজো করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন অতিথীরা। সাগত ভাসন দেন সম্পাদক মানস  সিং পূর্তি। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ প্রসেনজিতদেব বর্মন প্রাক্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সি. আর.আই এর অধিকর্তা । ঝাড়খণ্ড রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মধু কোড়া, এম. পি গীতা কোড়া, সমাজ কর্মী ঝর্না আচার্য, লোক সংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির গবেষক দীপঙ্কর ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বিরসা তীরকে, আদিম জনজাতিদের গবেষক ও সমাজকর্মীডঃ শান্তনু পাণ্ডা, কোল/হো সমাজ হায়াম সানগম সোসাইটির রাজ্য সম্পাদক  বীরেন তুবিদ ও সভাপতি কার্তিক বাঅঁদা।

হো ভাষায় লেখা কার্তিক বাঅঁদার একটি সাংস্কৃতিক বই অনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন মধু কোড়া মহাশয়। 

উদ্বোধনি নিজস্ব নাচের মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছিল।

মুল বার্তা ছিল কোল তথা হো ভাষা যাতে হারিয়ে না যায় ও সরকারি তপসিলি জাতিভুক্ত করা যায় তার জন্য এই প্রচেষ্টা। কোল তথা হো ভাষার জাতিগত সংশাপত্র, সাহিত্য, সংস্কৃতি ভাষা  যাতে হারিয়ে না যায় এটা ছিল আনুষ্ঠানের  মুল বার্তা।

পুরস্কার || হোমেন বরগোহাঞি || মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ -বাসুদেব দাস, Basudeb Das,

পুরস্কার

হোমেন বরগোহাঞি

মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ -বাসুদেব দাস




' ভাবিয়া না পাই কী দিব তোমারে
করি পরিতোষ  কোন উপহারে,
যাহা  কিছু আছে রাজ ভান্ডারে
 সব দিতে পারি আনি।'
' প্রেমোচ্ছ্বসিত আনন্দ-জলে
ভরি দুনয়ন কবি তারে  বলে
কন্ঠ হইতে দেহো মোর গলে
ওই ফুলমালাখানি।'
- রবীন্দ্রনাথ

সাহিত্যিককে  পুরস্কৃত করার উদ্দেশ্য মহৎ। পুরস্কারের অর্থমূল্য খুব বেশি অর্থপূর্ণ নয়; তার প্রতীকী  মূল্য অর্থাৎ লেখকের সৃজনক্ষম  প্রতিভার প্রতি সমাজের স্বীকৃতি এবং শ্রদ্ধা তার একমাত্র চিরস্থায়ী মূল্য। সন্দেহাতীত সৎ উদ্দেশ্য থাকলেও সবসময় যে বিচারকদের সিদ্ধান্ত নির্ভুল বা সর্বজনগ্রাহ্য হবে, এরকম আশা করা অনুচিত। কিন্তু উদ্দেশ্য সৎ এবং সুবিচারের চেষ্টা আন্তরিক হওয়া উচিত। এই কথা প্রত্যেকেই আশা করে। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে যদি রাজনীতি, বন্ধু প্রীতি এবং স্বজনপ্রীতির অনুপ্রবেশ ঘটে, তাহলে সাহিত্যিক পুরস্কার তার সমস্ত মূল্য হারিয়ে ফেলে।
বাংলা সাহিত্য ভারতের সবচেয়ে উন্নত সাহিত্য। অন্যান্য বহু ভারতীয় ভাষার সর্বোত্তম গ্রন্থটির চেয়েও অনেক মাঝারি ধরনের বাংলা বই একটির সাহিত্যিক মূল্য বেশি বলে মনে হয়। ১৯৭৩  সনে একজনও বাঙালি লেখক সাহিত্য আকাদেমি  পুরস্কার পায়নি।'দেশ' নামের বাংলা পত্রিকা তখন সম্পাদকীয় মন্তব্য করে লিখেছিল–' সাহিত্য আকাডেমি নির্বিচার আমাদের সাহিত্যের সর্বোত্তম বিচার নিশ্চয় নয়( তার প্রমাণও রয়েছে)। বাংলা সাহিত্যে বছরে কত বই প্রকাশিত হয় কার খবর বিচারকরা রাখে কি? যাদের ওপর পুরস্কার প্রদানের চূড়ান্ত অধিকার ন‍্যাস্ত  রয়েছে, তারা যে তার জন্য যোগ্য ব্যক্তি– সেকথা বিশ্বাস করার কোন সঙ্গত যুক্তি আছে কি? বাংলা ভাষায় রচিত গ্রন্থ আকাদেমি পুরস্কার পেল না– তার জন্য অন্তত লেখকদের ক্ষোভ করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু একটা প্রশ্ন আমরা করতে পারিঃ কারও ব্যক্তিগত মর্জি বা গুচির উপরে নির্ভর না করে সত্যিই বাংলা গ্রন্থের উপযুক্ত বিচার হয়েছে কি ? ভারতের সবগুলি ভাষায় উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচিত কেবল বাংলা ভাষায় একটি সাধারন মানের বইও প্রকাশিত হল না ,– এ কথা ভাবতে লজ্জা হয় ।'
১৯৭৩ সনে কোনো একটি বাংলা বই কেন সাহিত্য আকাদেমি র পুরস্কার পেল না তার গোপন রহস্য ফাঁস করে দিয়ে একই সংখ্যার 'দেশ' পত্রিকার অন্য একটি প্রবন্ধ লেখা হয়েছিলঃ পুরস্কারের যোগ্য বইয়ের নাম কি কুড়িজন বিদগ্ধধ বাঙালি  সাহিত্যিক এবং পণ্ডিতের কাছে চিঠি এসেছিল। লেখকদের নাম গোপনীয়,চিঠিও গোপনীয়। সাহিত্য আকাদেমি অনেকবার চিঠি লেখালেখি করে মাত্র বারো জন লোকের কাছ থেকে উত্তর আদায় করতে পারল। বাকি একজন নীরব হয়ে রইল। এই নীরবতার কয়েকটি কারণে অত্যন্ত লজ্জাজনক। গণ্যমান্য প্রাথমিক বিচারকদের কাছ থেকে যে সমস্ত' শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ'এর নাম এল তাতে দেখা গেল যে কোনো কোনো শ্রেষ্ঠ লেখক বিচারক বিশেষের আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু । অনুগত বন্ধুর বই সম্পর্কে প্রাথমিক বিচারক তিন পৃষ্ঠা জুড়ে সুপারিশ পাঠিয়েছেন, বাকি দুটি বইয়ের বিষয়ে মাত্র দুটি লাইন!... এই পর্ব শেষ হওয়ার পরে চূড়ান্ত তালিকায় যে সমস্ত সুপারিশ করা হল, সেই তালিকা সাহিত্য আকাডেমির কার্যনির্বাহকের সামনে পেশ করা হল। নির্বাচন পরবর্তী পর্যায়ে যা ঘটল তাহল এইঃ প্রাথমিক বিচারকদের দ্বিতীয় তালিকার সমস্ত বইয়ের চার কপি করে বাজার থেকে কিনে আনা হল এবং আকাদেমির দ্বারা নিযুক্ত তিনজন রিডারকে সেই সমস্ত পড়ে তাঁদের মতামত দিতে বলা হল। রিডার তিনজনের নাম টপ সিক্রেট। যথাসময়ে রিডারের মতামত আকাদেমির অফিসে গেল। দেখা গেল তিনজন তিনটি পৃথক পৃথক বইয়ের সুপারিশ করেছে। যদি দুজনও একই বইয়ের নির্বাচন করতেন, তাহলে একটি বই নির্ঘাত পুরস্কার পেয়ে যেত। তা হল না। ফলে এই বছরে একটিও বাংলা বই সাহিত্য আকাদেমির পুরস্কার পেল না‌। হতে পারে যে সাহিত্য সমালোচকের বিচার পদ্ধতি অন্ধের হস্তী-বর্ণনা। কিন্তু আপাতত আমি এটাই বুঝতে পারি যে প্রাথমিক বিচারক নির্বাচনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত নির্বুদ্ধিতা  হয়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ লোকসাহিত্য বিচারে অপারগ। তারা ছিলেন কোনো কোনো লেখকের মুরব্বী।
১৯৬০ সনে যখন একটিও বাংলা বই আকাদেমি পুরস্কার পেল না, তখন প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর অত্যন্ত দাম্ভিকতার সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেনঃ ' ভালো বাংলা বই প্রকাশিত হয়নি।' তিনি এই ধরনের মিথ্যা কথা বলার কারণ ছিল এই যে সেই বছর পুরস্কারের খেলায় তার নিজস্ব কোনো প্রার্থী ছিল না। বিশ্বাস এবং জনশ্রুতি হল এই যে সেই বছর তিনি কোনো একজন বিশেষ সাহিত্যিকের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিচারকদের কাছে অবিরামভাবে বিরূপতা প্রকাশ করেছিলেন।
পুরস্কার বা সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে সবসময়ই যে এই ধরনের অবাঞ্ছনীয় ঘটনা ঘটে সে কথা কিন্তু বলা যায় না। বেশিরভাগ যোগ‍্য লোকই নিশ্চয় সম্মানিত এবং পুরস্কৃত হয়েছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে দুর্নীতি এবং দুষ্কার্য ঘটে। তার ফলে পুরস্কার এবং সম্মানের অবমূল্যায়ন ঘটে।
দুর্নীতি কেবল  ভারতেই ঘটে এ কথা নিশ্চয় সত্যি নয়। পুরস্কার এবং সম্মান অর্জনের জন্য বিদেশেও নিচ ষড়যন্ত্র চলে। বিশ্বের বিখ্যাততম পুরস্কার নোবেল পুরস্কারও সব সময় সন্দেহ মুক্ত নয়। কিন্তু তার মধ্যেও বিদেশের  অনেক সাহিত্যিকের এরকম অনেক মহত্তর কাহিনি শুনতে পাই-- যা সমস্ত মানুষের সততা এবং মহত্তের ওপরে আমাদের বিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
১৯৭৬ সনে সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন আমেরিকান ঔপন্যাসিক সলবেলা। পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে প্রথম কী প্রতিক্রিয়া হল? তাঁর মনে  প্রথম এই কথা এল যে আঁদ্রে মালরো এবং হেনরী  মিলারও এই পুরস্কার পাওয়া উচিত।
১৯২৬ সনে  সিনক্লেয়ার লুইকে আমেরিকার সবচেয়ে লোভনীয় পুলিৎজার পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। সেই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেছিলেনঃ 'Every compulsion is put upon writers to become safe, polite, obedient and sterile.'কিন্তু ১৯৩০ সনে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে হল। পুরস্কার বিজয়ী সিনক্লেয়ার অনুভব করলেন যে আসলে ইউজিনি অ'নিলেই এই পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল । পুরস্কার গ্রহণ করে দেওয়া ভাষণে তিনি অকৃত্রিম অনুভূতির সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেনঃ 'Had you chosen Eugene O'Neill ,who had nothing much in American drama save to transform it utterly in ten or twelve years, from a false world of neat and competent trickery to a world of splendour and fear and greatness, you would have been reminded that he has done something far worse than scoffing ,–he has seen life as not to be neatly arranged in the study of a scholar but as a terrifying ,magnificent and often quite horrible thing, akin to the tornado ,the earth quake ,the devastating fire.'
সাহিত্যিক পুরস্কারের ক্ষেত্রে একটি আরও মহত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। এডনা সেইন্ট ভিনসেন্ট মিলের ক্ষেত্রে। 
ফার্ডিনেণ্ড পিনি আর্ল নামের একজন সাহিত্যানুরাগী মানুষ একবার একটি কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। প্রথম পুরস্কার পাঁচশ  ডলার। ভালো কবিতা গুলি সংগ্রহ করে তিনি' লিরিক্যাল ইয়ার' নাম দিয়ে  একটি কবিতা সংকলন প্রকাশ করবেন। তিনি আশা করেছিলেন যে মাত্র কয়েকশ' কবিতা আসবে। কিন্তু  প্রতিযোগিতার জন্য কবিতা এল দশ হাজার।
যে খবরের কাগজে এই কবিতা প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল, এই খবরের কাগজটা একজন ধোবি তার খরিদ্দারের কাপড় বাঁধা কাজে ব্যবহার করেছিল। এই বিশেষ খরিদ্দারটি  ছিলেন একজন বিধবা মহিলা। তার দুই মেয়ের মধ্যে এডনা সেইন্ট ভিনসেন্ট মিলে নামে উনিশ বছরের মেয়েটির শৈশব থেকেই কবিতা লেখার সখ ছিল । ধোবির ঘর থেকে আনা কাপড়টা খুলতে গিয়ে খবরের কাগজের একটা বিজ্ঞাপনে হঠাৎ কোনোভাবে মেয়েটির চোখ পড়ল। কাউকে কিছু না বলে সে  মনে মনে একটা কবিতা লিখে প্রতিযোগিতায় পাঠিয়ে দিল। কবিতাটির নাম ছিল Renascence ।
দশ হাজার  কবিতা থেকে একটি মাত্র ভালো কবিতা কীভাবে বাছা  যায়? ফার্ডিনান্ড আর্ল একজন বন্ধুর সাহায্য নিলেন। বন্ধুটি কবিতাগুলি  পড়ে যায়, আর প্রথম পংক্তিটা  পড়ার পরে খারাপ বলে মনে হলেই ছুঁড়ে ফেলে দেয়। ভিনসেন্ট মিলের কবিতাটিও প্রথম দুটি লাইন পড়েই সেটি একটি অত্যন্ত বাজে কবিতা বলে ফেলে দিলেন। কিন্তু ফার্ডিনান্ড আর্লের কবিতার রুচি ছিল নির্ভুল। তিনি ফেলে দেওয়া কাগজের ঝুড়ি থেকে কবিতাটা কুড়িয়ে নিয়ে প্রস্তাবিত সংকলনে স্থান দেওয়ার জন্য রেখে দিলেন। চূড়ান্ত বিচারক অরিক জন নামের একজন কবি পাঁচশ  ডলারের প্রথম পুরস্কার লাভ করলেন। কিন্তু নির্বাচিত সবগুলি কবিতা সংগ্রহ করে যখন 'লিরিকেল ইয়ার' নামের কবিতা সংকলন প্রকাশ করা হল তখন সমগ্র আমেরিকা ঘোষণা করল যে উনিশ বছরের যুবতি মেয়ে এডনা সেইন্ট ভিনসেন্ট মিলের লেখা Renasfence  নামের কবিতাটি কেবল সেই কবিতা সংগ্ৰহেরই সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা নয়, বিংশ শতাব্দীর আমেরিকান কবিতার এটি একটি সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পাওয়া অরিক জন নিজে ঘোষণা করল যে তাকে  প্রথম পুরষ্কার দিয়ে অত্যন্ত অবিচার করা হয়েছে। এখানেই ক্ষান্ত  না থেকে তিনি পুরস্কার নিতে অস্বীকার করলেন ।
আমাদের দেশে এরকম ঘটনা কখনও ঘটেছে কি বা ভবিষ্যতে ঘটবে ?
ঠিক প্রাসঙ্গিক না হলেও পুরস্কারের সম্পর্কে অন্য একটি কথা মনে পড়ছে সুইডেনের রাজা একবার প‍্যারিস ভ্রমণ করতে  এসেছিল।তাঁর দেশেরই একজন বড় বিজ্ঞানী স্কিলি চুম্বক শক্তির বিষয়ে মৌলিক গবেষণার জন্য প্যারিসের গুণী জ্ঞানী লোকেরা সুইডেনের রাজাকে  উচ্ছ্বসিত অভিনন্দন জানাল। রাজা গুস্তাভ তাঁর নিজেরই প্রতিভাশালী  প্রজা স্কিলির কখনও নাম শোনেন নি। কিন্তু প্যারিসে স্কিলির প্রশংসা শুনে রাজা তখন তার প্রধানমন্ত্রীকে টেলিগ্রাম করে আদেশ দিলেন যে স্কিলি  নামের মানুষটিকে তক্ষুনি কাউন্টের পদ দিতে হবে । প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর অন্য কোনো সহকর্মীরাও কখনও স্কিলির নাম শুনেনি । অনেক কষ্ট করে তাঁদের একজন স্কিলিকে খুঁজে বের করল। তিনি ছিলেন একজন সামরিক অফিসার এবং বিলিয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন। যাইহোক, স্কিলি নামের একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া গেল। রাজার আজ্ঞা শিরোধার্য করে তাকেই কাউন্টের পদ দেওয়া হল। বিজ্ঞানী স্কিলির কেউ কোনো খবরই পেল না।
আধুনিক ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জীবনানন্দ দাশের আকস্মিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় সেই সময়ের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ও শবযাত্রায়  যোগ দিতে গেলেন। তিনি শবযাত্রায় যোগ দিতে যাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল এই যে দুজনেই ছিলেন ব্রাহ্ম এবং দূরসম্পর্কের আত্মীয়। কিন্তু জীবনানন্দের শব যাত্রায় যোগ দেওয়া অগণিত মানুষের শোকাকুল  মুখ দেখে বিধান রায়  বিস্মিত হলেন। কত মানুষে মৃত্যু হয়, কিন্তু জীবনানন্দের মৃত্যুতে কলকাতার এত মানুষ শোকে  ভেঙ্গে পড়েছে কেন?
জীবনে প্রথমবারের জন্য বিধান রায় জানতে পারলেন যে জীবনানন্দ কবিতা লিখতেন। কিন্তু সেই কবিতা সাহিত্যের মধ্যে অস্তিত্ব চেতনার অপরিসীম ব্যাপ্তি অনুভব করা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য অনির্বচনীয় আনন্দ বেদনার কী অপার্থিব জগৎ সৃষ্টি করেছিল সেকথা বিধান রায় বিন্দুমাত্র অনুভব করতে পেরেছিলেন কি ?


লেখক পরিচিতি- ১৯৩২ সনে লক্ষ্মীমপুর জেলার ঢকুয়াখনায় হোমেন বরগোহাঞির জন্ম হয়। ১৯৫৪ সনে কটন কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যের স্নাতক। সাময়িকভাবে সরকারি চাকরি করে সাহিত্যচর্চা এবং পরবর্তীকালে সাংবাদিকতা কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। ‘নীলাচল’, ‘জনক্রান্তি’, ‘নাগরিক’,’অসম বাণী’ইত্যাদি কাগজের সম্পাদনা করেন। ‘পিতাপুত্র’ উপন্যাসের জন্য ১৯৭৭ সনে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ‘আত্মানুসন্ধান’, ‘বিভিন্ন নরক’, ‘সুবালা’, ‘মৎস্য গন্ধা’, ‘সাউদর পুতেকে নাও মেলি যায়’ লেখকের অন্যতম গ্রন্থ। লেখকের ছোট গল্প উপন্যাস প্রবন্ধ এবং আত্মজীবনী মূলক  রচনা অসমিয়া সাহিত্যকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।  







পূরবী~ ৬৬ || অভিজিৎ চৌধুরী || Purabi- 66

 পূরবী~ ৬৬

অভিজিৎ চৌধুরী


তুমি এতো ভালো লেখো বউঠান!
না,আমি লিখব না।তুমিও আমাদের কথাগুলি লিখবে না।
তুমি কি চাও না সবাই আমার লেখা পড়ুক!
চাই না।তুমি শুধু আমার জন্য লিখবে।
একবার বাইরে তাকাল তীর্থ। আশ্বিন আসতে দেরী নেই।চমৎকার রোদ্দুর,চড়াই।আকাশে মেঘমল্লার।রাতে চাঁদ।কেউ দেখুক না দেখুক হয়েই চলেছে চালচিত্রের নানান বিভা।সে যেন এক নারী।তার কোন পরিণয় হয় না।ব্যক্তিগত ভালোবাসা হয় না।সে কারুর নয়।
প্রকৃতি কি সংসার করতে চেয়েছিল! কার সঙ্গে!  নদী না পাহাড়ের সঙ্গে!
পাহাড়ের সঙ্গেই হয়তো! পাহাড়ের কি সুন্দর বাইসেপস।সুঠাম।কতো নারীর সঙ্গ সে পেয়েছে।
নদী এসব জানে।সে বয়ে চলে জলরোল তুলে।চাঁদ তার বুকে বিম্ব উঠলে অপরূপ লাগে।
বউঠান,তোমারনকি হয়েছে! দাদার খুব মন খারাপ।
অমল,চলে গেছে চারু।ভূপতি বললেন।

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৬-২৮৮ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 286-288,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৬-২৮৮

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 286-288,




 নীলিমা সাহার আটপৌরে

পিলপিল সময় অনন্তবহতা
          ঘুম-শরীরে
শব্দ ডাকতেই হৃৎপিণ্ড বাজে

২৮৭)
  অভ্যাসের  পা , শুধুই 
       খোঁজখোঁজ
 পথ নেই,তবু চলা...
২৮৮)
  সুকথা-দুঃকথায় বিতর্কের সাতপাঁচরং
                 বরং
 একলার কথা ফিরে দ্যাখে নয়াদিন

আটপৌরে কবিতা ৯৬১ -৯৬৩ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 960- 963

 আটপৌরে কবিতা ৯৬১ -৯৬৩ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 960- 963




আটপৌরে কবিতা : অলোক বিশ্বাস

৯৬১.
বয়স বাড়ছে ধুলোর
ধুলো
নিজেই কমাচ্ছে তার বয়স।
৯৬২.
ঝড়ের অনেক গল্প
অধিকাংশ
মনেই জন্ম বাহার কল্প 
৯৬৩.
নদীর বড়ো ভয়
মানুষ
বলছে সমুদ্রই তার দিগ্বিজয়।

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৫ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/5 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৫ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/5 Debjani Basu




 আটপৌরে ২২/৫

১. ছাতাটির ছাউনিভাঙা কলংক

বর্ষাবাউল। রথপতাকা। মরুসায়র।
              শ্বেতহরিণিসম
দূরস্থ বৃষ্টিরেখা ধরে ছুটি।

২. সঙ্গীতজানা চেয়ার

উদ্ভাসিত। ষড়চক্র। প্রেমচক্র।
              মহালগণমাঝে
তোষামোদে কড়া মাঞ্জা লাগাও।

৩. কে কবে কোথায় কিভাবে

নদী। নৌকা। নারী।
       ষড়যন্ত্র
নিঁখুতভাবে সাজানো উদ্দীপন বিভাব।

শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৩-২৮৫ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 283-285,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮৩-২৮৫

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 283-285,




 নীলিমা সাহার আটপৌরে

২৮৩)
সময়  জীবন  কল্পনা
     স্রোতশীল
বলেই  পৃথিবী আদিতম  প্রেরণাদাত্রী

২৮৪)
মেঘে মেঘে বেলাতেও 
      আলোর
স্রোত,মননস্রোতেরই কোয়ান্টাম বিচ্ছুরণ

২৮৫)
যখন তখন  বর্ষণস্রোত
       ধুলোসব
কাদাপাঁক, বাংলার ইহাই বারোমাস্যা

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৪ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/4 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৪ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/4 Debjani Basu




 আটপৌরে ২২/৪


১. ইচ্ছেরা ঢলঢলে জামা পরা

সিগারেটক্রোধ। হাহাবল্লরী। একদুইতিন.।
                   গোমাংসকম্পন
পর্দাপতনের প্রথম হুঁশিয়ারি দিগন্তে।

২. কে কার ছবি তুলল

মালিশমানুষ। দোলাথেরাপি। যন্ত্রসকেট।
                    উদোমপাছার
বনভূমি চষে বেরিয়ে গেল।

৩. লুকানো অসুখেরা ওৎ পেতে

যন্ত্রণাগ্ৰহ। উদারপ্রহর। দুধসর- চাল।
                  পরমাগতি
আশ্রয় আসন জুড়ে মুগ্ধতা।

 

আটপৌরে কবিতা ৯৫৮ -৯৬০ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 958- 960

 আটপৌরে কবিতা ৯৫৮ -৯৬০ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 955- 957




আটপৌরে কবিতা : অলোক বিশ্বাস

৯৫৮.
শহরের রাস্তায় কথপোকথনে
ভূত।
ক্রেতা বিক্রেতার ভেতরে ভূত।
৯৫৯.
দ্রুতগামী ট্রেন। দ্রুতগামী
বাস।
ভৌতিকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়।
৯৬০.
কতোটা গভীর ভালোবেসেছিলে
বাস্তবকে।
মুহূর্তে ভৌতিক হলো ভালোবাসা।

শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

শব্দব্রাউজ ৩০১ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-301, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ ৩০১ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-301, Nilanjan Kumar



শব্দব্রাউজ ৩০১ || নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন ।তেঘরিয়া মেন রোভ। কলকাতা । ১৭। সকাল সাড়ে দশটা ।

যার যা প্রাপ্য তার হাতে  তুলে দিলে
মজা ভারি । মজা আমাকে
ডোবায় ভাসায় আর পিছু পিছু
গুরুত্বপূর্ণ চর্চা নিয়ে  হেঁটে
বেড়ানো খুঁজে বেড়ানো সহজ।

ভয় জাগানো মাকড় চরিত্র, আমার
সামনে ঘুরে বেড়ায় । জীবন এমনই ।

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৩ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/3 Debjani Basu

 আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২২/৩ || "আই-যুগ"-এর কবিতা

দেবযানী বসু || Atpoure poems 22/3 Debjani Basu




 আটপৌরে ২২/৩


১. তানপুরার ঝিম ধরেছে

গাঙশাপলা। মৃদুকলা। চক্ষুপ্রীতি।
                কপালসেতুর
নাম জানতে চাও কেন....

২. পেটে পেট্রল পড়েছে

বৃক্ক। যকৃত। পিত্তস্থলী।
      আগামীজন্মে
পেট্রলের নদী দিও মহারাজ।

৩. কড়িবন্ধন মণিবন্ধে

জোড়শব্দ। জোড়বৃন্ত। ত্বকসমগ্ৰ।
               সংকুচিত
মোচড় কোথায় তালার ভিতর ?

 

আটপৌরে কবিতা ৯৫৫ -৯৫৭ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 955- 957

 আটপৌরে কবিতা ৯৫৫ -৯৫৭ || অলোক বিশ্বাস Alok Biswas || "i-যুগ"-এর কবিতা || Atpoure poems: 955- 957




আটপৌরে কবিতা : অলোক বিশ্বাস

৯৫৫.
     একদিকে নিমগাছ, অন্যদিকে
                   শালুকফুল
     দু'জনাই অনন্ত আকাশে মশগুল।
৯৫৬.
          টগরের পাশে লেবুগাছ।
               অ্যাকোরিয়ামে
        তেমন অনেক রকম মাছ।
৯৫৭.
               এক কাপ কফি
                   খেতেখেতে
        নিজের উপমা উৎপ্রেক্ষা মাপি।

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮০-২৮২ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 280-282,

 নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ২৮০-২৮২

নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems 280-282,




 নীলিমা সাহার আটপৌরে

২৮০)অলক্ষে শরৎ আসে
                 নতুন 
          রোদরং,তবু অঝোর-কান্না আকাশে 

২৮১)খঞ্জ  অন্ধ বধির
          সান্ধ্যবাতাস
        অন্ধকার বারবার অভিনীত হয়

২৮২)এবার  জানালাও বেদখল
                    সিঁড়িও
        নামায়,গ্রাউন্ড-ফ্লোরে  দুরারোগ্য স্বরক্ষেপ

শব্দব্রাউজ ৩০২ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-302, Nilanjan Kumar

  শব্দব্রাউজ ৩০২ ৷। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-302, Nilanjan Kumar শব্দব্রাউজ ৩০২ || নীলাঞ্জন কুমার বিপাশা আবাসন । তেঘরিয়া মেন রোড । কল...