মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৪১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1041, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৪১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1041, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৪১ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২। ১।২৩ তারিখ সকাল আটটা চল্লিশ ।



শব্দসূত্র: আবার গভীর গম্ভীর দিন



আবার গভীর গম্ভীর দিন

ছুঁয়ে

জড়িয়ে থাকছি ।


শব্দ শব্দ শব্দ শব্দ

প্রতিটি লাইন গড়ে তুলে

আমায় বাঁচায় ।


অবাক ব্যঞ্জনা জড়ো করি

কোচরে ভরি

আবার গভীর গভীরতর

হয়ে যাই ।

আটপৌরে ৬৯১|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 691 by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৬৯১|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 691 by Sudip Biswas





আটপৌরে ৬৯১


বিগলন


গ্রামের। পিছনেই। জঙ্গলমহল।


উজাড়


কতটুকু টিকে আছে পাহাড়।

সোমবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৪

হারিয়ে যাওয়া অধ্যায় ।। বাসুদেব দাস,Basudev Das

হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়

বাসুদেব দাস



১৫ আগস্ট সমগ্র ভারতবাসীর জীবনে এক স্মরণীয় কিন্তু বেদনাদায়ক দিন। শত শহীদের রক্তে রাঙানো ১৫ আগস্ট, আজ আমাদের জাতীয় জীবনে কোনো শিহরণ জাগায় না। দূরদর্শন ও বেতারে মন্ত্রীদের রাজনৈতিক আশ্বাস,লালকেল্লার শীর্ষে  তেরঙা ঝান্ডার উত্তোলন এবং কিছু সামরিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় কর্তব্যের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ঘটে। আজকাল আর লতা মঙ্গেশকরের সুরেলা কন্ঠে ‘এ মেরি বতন কি লোগো জরা আখোঁমে ভর লোঁ  পানী’ শোনা যায় না।কেবল ও দূরদর্শনের  কল্যাণে এখন আমরা যথেষ্ট সাবালক এবং আধুনিক হয়ে উঠেছি। কোনো ধরনের আবেগকে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো মূর্খামি আমাদের নেই ।

আজ একটু পুরোনো দিনের দিকে ফিরে তাকাতে ইচ্ছা করছে। দেখা যাক না স্বাধীনতা রূপ ছেলের হাতের মোয়াটা কি ব্রিটিশ রাজশক্তি আমাদের প্রতি দয়া দেখিয়ে দান করে গেছে নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অনেক রক্তাক্ত ইতিহাস। প্রথমে মেদিনীপুর থেকে ঘুরে আসা যাক। ১৯৩১ সনের ৩০ এপ্রিল। এপ্রিল মাসটা ইংরেজদের কাছে খুব একটা প্রীতিপ্রদ নয়। ১৯৩০ সনের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের সূর্যসেন এবং তাঁর  সতীর্থদের হাতে যে  ভীষণ মারটা খেতে হয়েছিল ব্রিটিশ সিংহ আজও তা পুরোপুরি হজম করে উঠতে পারেনি। পরের বছর ৭ এপ্রিল এই মেদিনীপুরের মাটিতেই লুটিয়ে পড়েছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেমস পেডি। আমাদের দেশের মায়েরা বর্গির  ভয় দেখিয়ে ছেলেকে ঘুম পাড়ায়।

‘ছেলে ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে’।

শ্বেতাঙ্গ জননীরাও খুব একটা আলাদা নয়। তাদের ভীত বিহ্বল কন্ঠ থেকে বেরিয়ে আসে,Baby sleep on, Another April is coming.’এ হেন এপ্রিল মাসে ইংরেজরা একটু বেশি সতর্ক থাকবে তাতে আর আশ্চর্য কী। দ্বিতীয়ত, মেদিনীপুর বলে কথা। সেদিনও সতর্কতার কোনো রকম অভাব ছিল না। সন্ধ্যায় ডিস্টিক্ট বোর্ড অফিসে সভার কাজ পরিচালনা করছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার ডগলাস। হঠাৎ সমস্ত রকম সতর্কতাকে অস্বীকার করে রিভলভার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দুই বিপ্লবী তরুণ প্রদ্যোৎ ভট্টাচার্য এবং প্রভাংশু পাল। গুলি বর্ষণে মিস্টার ডগলাস গড়িয়ে পড়লেন। শুরু হল হইচই। বিপ্লবীরা ততক্ষণে ছুটে চলেছেন। কাজ শেষ। এবার নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যাবার পালা।পেছনে ছুটে আসছে বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং অগণিত রাজভক্ত প্রজার দল। ব্যবধান একটু একটু করে কমে আসছে। রিভলভার নিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন প্রভাংশু। শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেন তিনি। তবে রিভলভারে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেওয়ায় প্রদ্যোত ধরা পড়লেন। বন্দি বীরকে হাতের মুঠোয় পেয়ে ইংরেজদের আনন্দের আর সীমা রইল না। প্রদ্যোৎ কিন্তু নির্বিকার। থানায় ঢুকেই দারোগাকে লক্ষ্য করে বললেন—‘ বড্ড গরম লাগছে স্যার। একটু স্নান করব।’ কড়া পাহারায় স্নান সেরে এসে বললেন—‘ এবার একটু ঘুমোব। দেখবেন কেউ যেন আমাকে ডিস্টার্ব না করে।’ শত নির্যাতনেও প্রদ্যোতের কাছ থেকে তার সঙ্গীর নাম জানা গেল না। মহামান্য ইংরেজ বাহাদুর এবার অন্য পন্থা অবলম্বন করলেন। প্রদ্যোতের দাদা শর্বরীভূষণকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হল। অমানুষিক নির্যাতনে তিনি শেষ পর্যন্ত পাগল হয়ে গেলেন।বন্ধু ফণী দাস,ক্ষিতি সেন,  নরেন দাসও রেহাই পেল না। বিচারে প্রদ্যোতের প্রাণদণ্ড হল। ট্রাইব্যুনালের অন্যতম বিচারপতি আইসিএস জ্ঞানাঙ্কুর দে বিচারকের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেন। তাঁর বক্তব্য আসামির বয়স কম। তাছাড়া দেখা যাচ্ছে প্রদ্যোতের রিভলভারে যান্ত্রিক গোলযোগ

ছিল। গুলি করেছে অন্য লোক। এ অবস্থায় ফাঁসির হুকুম সংবিধান বিরোধী। হাতের মুঠোয় পাওয়া সিংহশাবককে ছেড়ে দিতে ব্রিটিশ শক্তি রাজি নয়। মামলা শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টে গড়াল। হুকুমের কোনো পরিবর্তন হল না।

 ১৯৩৩ সনের ১২ জানুয়ারি। ভোর পাঁচটা। স্নান শেষে পুজো, এরপর চন্দন তিলক এঁকে  প্রস্তুত। প্রদ্যোত বলিষ্ঠ পা ফেলে ফাঁসিমঞ্চে এসে দাঁড়ালেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই হারিয়ে গেল এক অমূল্য তাজা প্রাণ। প্রদ্যোৎ হারিয়ে গেছে। তবে রয়ে গেছে কারাগার থেকে মাকে লেখা অমূল্য চিঠিগুলি।–‘মা তোমার প্রদ্যোৎ কি কখনও মরতে পারে? আজ চারদিকে চেয়ে দেখ লক্ষ লক্ষ প্রদ্যোৎ তোমার দিকে চেয়ে হাসছে। আমি বেঁচে রইলাম মা অক্ষয় অমর হয়ে।’

  ১৯৪৫ সালের ২৯ মার্চ। রেঙ্গুন থেকে ঝাঁসির রানী বাহিনীর দেড়শ সৈনিককে নিয়ে দেবনাথ দাস নেতাজির নির্দেশে ব্যাংককের উদ্দেশে যাত্রা করলেন। সঙ্গে রয়েছে রানী বাহিনীর সুদক্ষ লেফটেনান্ট প্রতিমা পাল এবং ক্যাপ্টেন রাওয়াতের নেতৃত্বে একশো আজাদি সৈনিক। তাদের প্রধান কাজ রানী বাহিনীর বোনেদের নিরাপত্তার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা।প্রথম দিন ভালোভাবেই কেটে গেল। বিপদ এল দ্বিতীয় দিন। সামনেই রয়েছে সীতাং নদী। খেয়া নৌকা ছাড়া ওপারে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। হঠাৎ আশেপাশের বিপদজ্ঞাপক সাইরেনগুলি একসঙ্গে বেজে উঠল। বুমমমম বুমমমম।গোটা অঞ্চল কেঁপে উঠল একের পর এক প্রচন্ড বিস্ফোরণে। মালপত্র নষ্ট হলেও কোনো প্রাণহানি হল না। এবারের যাত্রা ট্রেনে। আড়াইশো মানুষের জন্য একটি বগি মাত্র। তাও সাধারণ কামরা নয়।ওয়াগন। দরজার কোনো বালাই নেই। কে আগে উঠবে এ নিয়ে আজাদি সৈনিক এবং মেয়েদের মধ্যে লড়াই বেঁধে গেল । জওয়ানদের বক্তব্য বোনেরা আগে উঠুক। হাতে যতক্ষণ অস্ত্র রয়েছে ততক্ষণ তারা বোনেদের গায়ে আঁচর লাগতে দেবে না।স্টেলা  জোসেফাইন,কমলারা কিছুতেই রাজি নন। তাদের দাবি মরতে হয়তো আমরাই মরব। তবুও জওয়ান ভাইদের এভাবে মরতে দেব না। কে না জানে ভবিষ্যতের সংগ্রামের জন্য আজাদী ভাইদের প্রয়োজন রয়েছে। বোনদের দাবির কাছে আজাদী ভাইদের হার মানতে হল। রাইফেল হাতে দরজা আগলে বসে রইলেন স্টেলা,জোসেফাইন,কমলা  প্রমুখ কয়েকজন মেয়ে। ওয়াগনের ছাদের ওপরে পরপর কয়েকটি বালির বস্তা সাজিয়ে মেশিনগান সহ পজিশন নিয়েছেন ক্যাপ্টেন রাওয়াৎ।প্রতিটি মুহূর্ত বিপদ সংকুল। ইঞ্জিনের সার্চলাইট নিভিয়ে রাতের আঁধারে যাত্রা শুরু হল। আলো জ্বালানো মানেই শত্রুর দৃষ্টি আকর্ষণ করা। গাড়িটা তখন উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলেছে । সহসা দূরে একটি আলোর বিন্দু দেখে ক্যাপ্টেন রাওয়াত সতর্ক হয়ে উঠেন। তার আশঙ্কা অমূলক নয়। বোঝা গেল ওটা শত্রুপক্ষের গেরিলাবাহিনীর সিগন্যাল। নিমেষের মধ্যে স্টেলা, জোসেফাই্ন, কমলা প্রমুখ নারী সৈন্যরা তৈরি হয়ে নিলেন ।ক্যাপ্টেন রাওয়াতের নির্দেশ পাওয়া মাত্র ছাদের 

ওপরের মেশিনগান গর্জে উঠল চারদিক কাঁপিয়ে ট্যা  ট্যা  ট্যা  ট্যা…।নিচ থেকে সাড়া দিল স্টেলা, জোসেফাইনের রাইফেল দ্রাম,দ্রাম।মাত্র কয়েক মিনিট …তারপরেই সব শান্ত।ট্রেন বিপদসীমা অতিক্রম করে এসেছে।কিন্তু ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার  হয়ে গেছে।হাবিলদার মিস স্টেলা ,---জোসেফাইন চিরকালের জন্য হারিয়ে গেলেন ।  আর কোনোদিনই তাদের কণ্ঠে শোনা যাবে না ‘মরতে হয় তো আমরাই মরব,তবুও জওয়ান ভাইদের আমরা মরতে দেব না।’কমলার কী হল ? বাঁ হাতে গুলি লেগেছে কমলার।পুরো বাঁ হাতটাই কেটে বাদ দিতে হল। তারপর পেরিয়ে গেল অনেকগুলি বছর। স্বাধীন ভারত এই অ্যাংলো ইণ্ডিয়ান মেয়েদের অবদানের কথা মনে রাখে নি। তাই ১৫  আগস্টের এই প্রভাতে কোনো  রাজনৈতিক নেতার মুখেই এঁদের নাম উচ্চারিত হতে না দেখলে আমাদের বিষ্মিত হওয়ার কিছু নেই ।

----------------

আটপৌরে ৬৯০|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 690 by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৬৯০|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 690 by Sudip Biswas





আটপৌরে ৬৯০


 সম্পত্তি 


নাগরিক। গায়ের।ধুলাধার।


মা'য়ের 


ভাগশেষ অলঙ্ঘ হিসাবে পূজিত।

শব্দব্রাউজ- ১০৪০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1040, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৪০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1040, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৪০ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ১। ১।২৪। সকাল ১১টা ৪৫মিনিট ।



শব্দসূত্র: এত সুর এত গান



এত দিন প্রিয় গান

শুনতে শুনতে

বুঝতে পারি এ বাঁচার

সার্থকতা ।


এত দিন প্রিয় গন্ধ

নিতে নিতে

বুঝে ফেলি নির্ভুল

ভালোবাসা ।


এত সুর এত গান

এত গন্ধ এত প্রাণ

আজীবন ।

রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩

'কভার পেজ' এর সাম্প্রতিক সংখ্যা প্রকাশ ।। সাংস্কৃতিক সংবাদ, Kolkata

'কভার পেজ' এর সাম্প্রতিক সংখ্যা প্রকাশ 



নিজস্ব সংবাদদাতা: ২৩ ডিসেম্বর শনিবার কলকাতা কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউসের দ্বিতলে আড্ডার টেবিলে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ হল নদিয়ার অন্যতম লিটল ম্যাগাজিন ' কভার পেজ'  এর সাম্প্রতিক সংখ্যা ও সেই সঙ্গে কবি প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক পঙ্কজকুমার চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ 'My Buqula ' র প্রদর্শন করেন শ্রদ্ধেয় কবি প্রাবন্ধিক সম্পাদক ও সঙ্গীতজ্ঞ নীলাঞ্জন কুমার । অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির প্রবাসী কবি গৌতম দাশগুপ্ত, সুদূর কম্বোডিয়া নিবাসী চিত্রশিল্পী তুলি,  এছাড়া কবি কমল তরফদার,  অজয় নাগ,  অজিত মন্ডল, সুভাষচন্দ্র ঘোষ,   কেতকী বসু,  মৃণাল কান্তি সাহা,  শিব শংকর ঘোষ,  প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়,  শঙ্কর তালুকদার সহ কভার পেজ পত্রিকার সম্পাদক মনোরঞ্জন সরকার ও পঙ্কজকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ ।

           কভার পেজ পত্রিকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ তা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।  এছাড়া প্রচ্ছদ চিত্তাকর্ষক।  তাছাড়া পঙ্কজকুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখার গুণে কাব্যগ্রন্থটি উপস্থিত ব্যক্তিদের আকর্ষণ করে । তাঁরা কভার পেজ এর সম্পাদক ও কবি পঙ্কজকুমার চট্টোপাধ্যায়কে সাধুবাদ জানান ।


আটপৌরে ৬৮৯|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 689 by Sudip Biswas

 আটপৌরে ৬৮৯|| সুদীপ বিশ্বাস-এর কবিতা, Atpoure 689 by Sudip Biswas





আটপৌরে ৬৮৯


 সমর্পিত



আনন্দ। গুরুত্বপূর্ণ। সমাচার। 


পীতরাগ


মূলত একটা অভিসার বিষয়ক।

শব্দব্রাউজ- ১০৩৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1039, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1039, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে

সকাল ৭টা ৫০মিনিট



শব্দসূত্র: যাও চিরতরে, স্বাগত নতুন



যাও চিরতরে

এই মুহুর্ত ,

এসো নতুন ।


নতুন উচ্ছ্বাসে

এসো এসো হে ।


স্বাগত তোমায়-

শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1038, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1038, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে

৩০। ১২। ২৩। সকাল- ৮টা ১৫ মিনিট ।


শব্দসূত্র: অবিরাম শব্দস্রোতে


কুড়িয়ে বাড়িয়ে

ভরতি করি

নির্দিষ্ট শব্দসমগ্র,

পাতা ভরতি করছি

অবিরাম শব্দস্রোতে ।


অবিরাম এই সাধনা

আমার রক্তে ।

শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1037, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1037, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৯। ১২। ২০২৩। সকাল আটটা পঁয়তাল্লিশ ।



শব্দসূত্র: কবিতার অনন্ত ম্যারাথনে



কণ্টকাকীর্ণ কুসুমাস্তীর্ণ

মান অপমান

সব নিয়ে

ছুটতে ছুটতে

কবিতার অনন্ত ম্যারাথনে ।



কবিতা বন্ধু হলে

কাচড়াপাড়া থেকে কলকাতা

কলকাতা থেকে কোচবিহার

কোচবিহার থেকে দিল্লি

দিল্লি থেকে ক্রমাগত আবিশ্ব

চোখের সামনে

ব্যঞ্জনায় ঘিরে ।


বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1036, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1036, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৮। ১২। ২৩। সকাল- ৮টা ৫০মিনিট



শব্দসূত্র: অন্তরের অন্তঃস্থলে অন্তরঙ্গ


অন্তর্মুখী অন্তরের অন্তঃস্থলে

অন্তরঙ্গতা

কবি বোঝে ।


অসীম আকাশের কাছে

আলগোছে

পান করে

অনন্ত শব্দ ।


অন্বেষণে অন্বেষণে

যে পাগল

আমি কে ছুঁড়ে ফেলে,


আমি তাকে কবি না বলে

যাই কোথায়!

বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1035, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1035, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৭। ১২। ২০২৩। সময় সকাল আটটা কুড়ি



শব্দসূত্র: অলৌকিক ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে



আছি

অলৌকিক ভবিষ্যতের দিকে

তাকিয়ে ।


ভবিষ্যৎ সামনে এলে

আরও ভবিষ্যতের নেশা

পেয়ে বসে ।


অতীত বর্তমানের মতো

লৌকিক পর্যায়

শেখায় দুর্লভ জীবনকে ।


এই সত্য ।

মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1034, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1034, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৬। ১২।২৩। সকাল আটটা কুড়ি ।


শব্দসূত্র: তোরা আছিস শ্বাস প্রশ্বাসে


শব্দ বাক্য ব্যঞ্জনা

তোরা আছিস শ্বাস প্রশ্বাসে ।


গঠন চিন্তা মনন

তোরা আছিস বুকের পাঁজরে ।


এক সমুদ্র নিভৃত তরঙ্গ

তোরা আছিস সর্বাঙ্গে ।


তোরা থাক আজীবন

আমি তোদের ছাড়ব না।


সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1033, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1033, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৫। ১২।২৩। সকাল সাতটা পঞ্চাশ ।




শব্দসূত্র : হ্যাঁ তোমার জন্যেই



হ্যাঁ তোমার জন্যেই

পথ কেটে কেটে

যেটুকু যাওয়া ।


তোমার সঙ্গে সমস্ত উদ্ধার

শব্দ খুঁজে খুঁজে ।


খুঁজব অভিধানে

বইয়ের পাতায়

হোয়াটসঅ্যাপ ল্যাপটপে



দিনরাত ....




রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩২ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1032, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩২ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1032, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩২ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২৩। ১২। ২৩। সকাল সাতটা পঞ্চাশ ।



শব্দসূত্র: চিনেছি কখনও? জেনেছি কখনও?



নিজেকে নিজেই

চিনেছি কখনও?


কখনও বুঝেছি

নিজস্ব অভিরুচি?


হেসে উড়িয়ে দিই

দিন প্রতিদিন।


জীবনের প্রতিটি বাঁক

রোমন্থন করি ?


জেনেছি কখনও আমার

একান্ত সত্ত্বা?


একটিই উত্তর আজীবন,


না ।


শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1031, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1031, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩১ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২২। ১২।২৩ সকাল আটটা কুড়ি



শব্দসূত্র: নষ্ট শব্দের ভেতর



নষ্ট শব্দের ভেতর থেকে

প্রিয় শব্দ উদ্ধারে

ক্যারিশমা লাগে ।


লাগে পরমহংস মন

লাগে প্রাণণা ।


নষ্ট শব্দের ধ্বনি

আকাশ বাতাস কাঁপায় ।


বড় বেশি চিৎকারে

অসংখ্য গিমিক ।


গিমিকের বাইরের শব্দে

তামাম আকাশ ...


শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০৩০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1030, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৩০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1030, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৩০ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ২১। ১২ ২৩। সকাল সাতটা পঁয়তাল্লিশ ।



শব্দসূত্র: নিজের ভেতর নিজের উৎসব



নিজের উৎসব নিজের কাছেই

যখন যে ভাবে ,

আনন্দেতে যেমন উৎসব

বিষাদেতে আরেক উৎসব

রক্তে রক্তে উৎসব নাচে ।


মৃত্যু কি আর এক উৎসব !


শব্দ সন্ধান কি ভীষণ উৎসব!


ঠকে যাওয়ার ভেতরেও উৎসব!


বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০২৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1029, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০২৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1029, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০২৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে

২০। ১২। ২৩। সময় সকাল আটটা পঞ্চাশ ।



শব্দসূত্র: মুখ দেখাচ্ছে আলো



ভোরের বার্তা বয়ে

মুখ দেখাচ্ছে আলো,

প্রতিদিন এক ভাবে

নিরব নিভৃতে অলৌকিক

প্রত্যয়ে!



ভোরের স্বপ্ন নিয়ে

মুখ দেখাচ্ছে আলো ,

তারপর জীবন

জেগে উঠলে

ছুঁয়ে থাকে দিনযাপন

স্বাভাবিক হয়ে ।

বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০২৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1028, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০২৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1028, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০২৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ১৯। ১২।২৩। সময় সকাল সাড়ে সাতটা ।



শব্দসূত্র: এসো, বসো মুখোমুখি



শুধু প্রেমে নয়

শুধু ভক্তিতে নয়

অন্য কোনভাবে

এসো, বসো মুখোমুখি ।


শুধু স্বপ্নে নয়

শুধু কল্পনায় নয়

এসো অন্যভাবে

বসো মুখোমুখি ।


শব্দ বন্ধু তুমি ।


মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

শব্দব্রাউজ- ১০২৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1027, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০২৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1027, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০২৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার


বিপাশা আবাসন তেঘরিয়ার মেন রোড কলকাতা থেকে ১৮। ১২।২৩ তারিখ সকাল আটটা দশ ।



শব্দসূত্র: অনন্ত শব্দের সঙ্গে



যত অনন্ত শব্দ

আমার মধ্যে

তত অনন্ত শব্দ

আমার বাইরে ।


তাদের ধরতে গেলে

লজ্জাবতী লতা হয়ে

গুটিয়ে যায় ।


যত সরে সময়

পুরনো শব্দ আমার

কোলে জাঁকিয়ে বসে।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...