সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিরাটীতে বিরাট কবি সম্মেলন ।। সংস্কৃতি সংবাদ, Cultural News, Kolkata

বিরাটীতে বিরাট কবি সম্মেলন 



নিজস্ব সংবাদদাতা :  গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারী কলকাতার বিরাটী পি সি ভাওয়াল টেকস্ট বুক অ্যান্ড পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্যোগে কবি ভবানী প্রসাদ মজুমদার স্মৃতি মঞ্চে কবিদের কবিতা পাঠে সরগরম হয়ে উঠল লাইব্রেরী সভাঘর । সম্মেলনের মধ্যমণি ছিলেন কবি প্রাবন্ধিক কাব্যসমালোচক সঙ্গীতজ্ঞ নীলাঞ্জন কুমার । তিনি দিলেন সম্মেলনের একমাত্র বক্তা ও সঞ্চালক। 

              সম্মেলনে ' বাংলা কবিতায় রবীন্দ্রোত্তর যুগ ' শীর্ষক আলোচনায় বক্তা নীলাঞ্জন কুমার বলেন বর্তমানে অনেকে বলছেন বাংলা কবিতা মৃতপ্রায় শিল্প । তাদের কথা আমাদের নস্যাৎ করতে হবে । কবিতাকে নর্দমা হয় নর্মদা করতে হবে ও একবিংশ শতাব্দী কবিতার শতাব্দী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে ।

   ‌‌‌‌     সম্মেলনে কবিতা পাঠ করেন জগন্ময় মজুমদার, প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়,  শিখা দত্ত, সোমনাথ মুখার্জী, প্রদীপ রঞ্জন দাস, মানস মুখোপাধ্যায়, সুব্রত সোম ,কোহিনূর কুমার, সুকান্ত মণ্ডল, পিন্টু মাইতি,  দেবাশিস শুভ্র ঘোষ, সঞ্জয় ব্যানার্জী,    মানসী কীর্তনীয়া, অজয় বিশ্বাস, স্বপন মোদক, অলোক ব্যানার্জী, অমর আশিস দত্ত, শর্মিলা মজুমদার প্রমুখ কবিবৃন্দ। আবৃত্তিতে অংশ নেন অসীম সেন,  চিন্ময়ী সেন ও অরূপ কুন্ডু । ছিমছাম সুন্দর এই অনুষ্ঠানে কবি ও শ্রোতাদের ব্যাপক সমাগম হয় ।

শব্দব্রাউজ- ১০৭০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1070, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৭০ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1070, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৭০ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ৫.২.২৪. সকাল ৮-৫০ মিনিট।


শব্দসূত্র : হৈ হৈ রৈ রৈ


হৈ হৈ রৈ রৈ

শব্দের বণ্যা

আয় না আয় না।

আয় না আয় না ।


হৈ হৈ রৈ রৈ

হুড় হুড় করে আসে

শব্দ শব্দ ভাসে

ভালোবাসে ভালোবাসে।


শব্দ যে ভালোবাসে!

রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পলাশের চিঠি ।। মহ:মহসিন হাবিব,

পলাশের চিঠি

মহ:মহসিন হাবিব



টক মিষ্টি উঠান

থেকে সদর দরজা


  লাল খামে

এলো পলাশের চিঠি


C/O বাসন্তী,


খামে লেখা ---


জীর্ণতা ঘুমিয়ে


আনন্দভূমি ঘরে বাইরে।


কৃষ্ণচূড়া পড়ে 

লাল চেলির শাড়ি।


আবিরের বাষ্প 

বাতাসকে করে রঙিন।



তবে বেশি দিন না!


সবার মুখে হাসি ফুটিয়ে 

ফিরে যায়

                           

                            বাসন্তীর পলাশ

ধূসর দৃষ্টি ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ।। কবিতা,Arindam Chattopadhyay

ধূসর দৃষ্টি 

অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় 



ধূসর দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকি

 যদি দেখা হয়

সময় যেন অনন্ত প্রবাহী

একটা উল্টো ঘূর্ণনের প্রত্যাশী

যদি সেই ঋতুকাল  দেখা দেয়

এখনতো বৃক্ষহীন পৃথিবী 

কোথায় কোন ছায়াস্পর্শ  নেই


ধূসর দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকি

ঐ রাঙাভূমির দিকে

সোনালী রোদ্দুরের খোঁজে

সম্পর্ক বিহীন চল্লিশটা বছরের প্রতীক্ষায়

হৃদয়হীন কত যে নক্ষত্র রাত্রি


ধূসর দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকি

সীমানাবিহীন পাহাড় পথের দিক

খুঁজে চলেছি একটা নীল উপত্যকা

পরিসীমা বিহীন আকাশ

 ও কোন গহীন অরণ্য রাত্রি


ধূসর দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকি....


শব্দব্রাউজ- ১০৬৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1069, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1069, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৯ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ৪.২. ২৪. সকাল বারোটা চল্লিশ


শব্দসূত্র: দু:খ গন্ধ উড়িয়ে দিই


দু:খ গন্ধের সঙ্গে

গলাগলি নয়,

দম আটকে আসা গন্ধ

মৃত্যু অনুভব শেখায় ।


মৃত্যু আমার জন্য নয়

জীবন সর্বস্ব আমি

সারাক্ষণ জীবন্ত থাকা শেখাই।


আসুন সবাই

দু:খ গন্ধ উড়িয়ে দিই ।

শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

কবিতা // স্পিতি ভ্যালি // অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় , Arin

 কবিতা // স্পিতি ভ্যালি

অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় 




তুরীয় অনুভবের ভেতর 

রাজপথ থেকে অনেকটা  দূরে

ওপরে তাঁবুর মতো সাদা আকাশ

একটা  নীল নদী ও অজানা স্রোত

বাঁক নেওয়া রাস্তার ধারে ধারে

অনেকটা হেলানো গাছের মতো...


নীল আকাশ ও শীত শীত শুভ্র সকাল

আর এই শুভ্র সকাল যেন

ছড়ানো প্রজাপতির ডানার মতো রঙিন

অত:পর

ভাঙা ভাঙা কদম গোধূলি ফুটপাত জুড়ে

ক্রমশ আঁধার নামে 

ফুটপাতের চায়ের দোকানে 

দৃশ্যত জমায়েত কিছু মানুষ 

তাদের চোখে হৈমন্তী সন্ধ্যারাত

তাদের বাড়ি জুড়ে  কী যেন শিথিলতা

অনেকটা অনাদরে সরে থাকা 

কোন এক ঢেউ খেলানো উপত্যকার মতো


# অবশেষে গাঢ অন্ধকার এই শহরে...



শব্দব্রাউজ- ১০৬৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1068, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1068, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৮ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২.২.২৪ সকাল দশটা


শব্দসূত্র: আয় ঢেউ আয়রে


উঁচু নিচু আগুয়ান

ঢেউ আয় আয়রে

সারাক্ষণ শব্দনগর

শব্দপ্রহর শব্দমুহূর্ত

ভাসা আর ভাসা।


জেগে ঘুমিয়ে শব্দস্বপ্ন

আমার বন্ধু,

আমি আলিঙ্গন করি

চুম্বন করি,স্নেহমত্ত হই।


সে আর ছেড়ে যেতে চায় না।  


বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কলকাতার তেঘরিয়ায় ।। সংস্কৃতি সংবাদ , Cultural News, Kolkata

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কলকাতার তেঘরিয়ায় 

সংস্কৃতি সংবাদ 



নিজস্ব সংবাদদাতা, ২১ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা ।। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উদযাপন কমিটি স্থানীয় হোলি প্যালেস স্কুলের সভাঘরে এক মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবী বলাই চট্টোপাধ্যায় । প্রধান অতিথি হিসেবে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী জিয়াদ আলী বাংলাদেশের মাতৃভাষা আন্দোলনের মর্মান্তিক ইতিহাস ও পরবর্তী অবস্থান ব্যক্ত করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমিটির আহ্বায়ক সমাজসেবী দিনেশ মন্ডল, কবি প্রাবন্ধিক সম্পাদক নীলাঞ্জন কুমার , প্রতর্ক্য পত্রিকার সম্পাদক অশোক রায়, প্রাবন্ধিক বিমলেন্দু চক্রবর্তী ,ডা. অমিতাভ ভট্টাচার্য প্রমুখ।

       পরিপূর্ণ সভাঘরে সঙ্গীত নৃত্য আবৃত্তিতে আনন্দ দেয় স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে ধন্যবাদ জানান কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক দিলীপ লাহিড়ি ।

রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিশ্বাসঘাতক ।। মহ:মহসিন হাবিব ।। কবিতা, Md Mahasin Habib

বিশ্বাসঘাতক

মহ:মহসিন হাবিব



জল্লাদ বোনে

ষড়যন্ত্রের বাগান

নেই তাতে রক্তাক্ত হাত!



পাঠকের বোধগম্যতা

 খল নায়ককে

 নাটকের শেষ অঙ্কে।


ধংসস্তূপের মধ্যে

অন্ধকার রাত।


তবুও মীরজাফররা বেঁচে থাকে আজও।

শব্দব্রাউজ- ১০৬৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1067, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1067, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৭ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ৩১. ১ .২৪ তারিখ সকাল দশটা চল্লিশ


শব্দসূত্র: নি:শব্দ শব্দের মধ্যে


নি:শব্দ শব্দের মধ্যে

ভাব ভালবাসায়

শরীর গড়ি

কবিতার।


যে বিয়ে করে

যে লালন করে

যে সভ্যতা শেখায় ।


নি:শব্দ শব্দ আমার

ইহকাল পরকাল,

ব্রহ্মান্ড ঘুরে আসি লহমায়

সঙ্গী করে ।

শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৬৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1066, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1066, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৬ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ৩০.১.২৪. তারিখে সকাল ৮-৫০ মিনিট


শব্দসূত্র: অসংখ্য কোলাহলের দিন


কোলাহল থেকে শব্দ সেঁচে

বেশ আছি ।


এ বাস্তব যে আমায় বাঁচায়

তার কোলাহল

কখন শব্দব্রাউজ করে দেয়!


অসংখ্য কোলাহলের দিন

আমার সামনে প্রিয় 

বই‌ মেলা নয়তো কফি হাউস

হয়ে ওঠে ।


আমি তার সঙ্গে মিশে

বেশ আছি বেশ আছি. .. 


শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৬৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1065, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1065, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৫ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২৯.১. ২৪. সকাল এগারটা ।

শব্দসূত্র: মেনে নিতে হয়


শত অনিচ্ছায়

মেনে নিতে হয় ।


প্রতি মুহূর্ত

শেখায়

সমন্বয় ।


রোজনামচায় 

ভরে ওঠে

অনিচ্ছুক

শব্দ সম্ভার। 


ছেলেটা ।। অজয় বিশ্বাস , Ajay Biswas

ছেলেটা 

অজয় বিশ্বাস 



এত ফুল কেন 


ওই যে দূরে 

দাঁড়িয়ে আছে ক্ষুধার্ত ছেলেটা

ওর দিকে তাকাও 


আমি তো ওর কথা 

ওদের ব্যথা 

চেয়েছি বোঝাতে 


ওরাই আমার চেনা আপন জন 

আমার ভালোবাসা


তাই তো আজ এসেছে কাছে...

বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৬৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1064, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1064, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৪ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২৭.১.২৪সকাল ১০ টা ১০ মিনিট

শব্দসূত্র: ছুটে আসে শব্দব্রাউজ


খেলা খেলা শব্দ থেকে

কখন কিভাবে কোন মুহূর্তে

এসে পড়ে ওঁকার !


তখন উন্মাদ হই

তখন বিশ্বাসী হই

তখন শব্দ

প্রেমিকা হয়ে যায় ।


ছুটে আসে প্রেরণা

ছুটে আসে ইঙ্গিত

ছুটে আসে শব্দব্রাউজ ।

বিপ্লবী অনন্ত সিংহ ।। স্বাধীনতা সংগ্রামের অমর কাহিনি ।। বাসুদেব দাস , Ananta Singha

বিপ্লবী অনন্ত সিংহ  ।। স্বাধীনতা সংগ্রামের অমর কাহিনি 

বাসুদেব দাস 



বিখ্যাত ব্যায়াম বীর রামমূর্তি চট্টগ্রাম এসেছেন সার্কাস দেখাতে। রামমূর্তির বুকের ওপর দিয়ে হাতি চলে যায়, চলন্ত মোটর থামিয়ে দেন অনায়াসে। এমনই সব অবিশ্বাস্য শারীরিক ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রামের যুব সমাজে আলোড়ন তোলেন তিনি। দলেরই এক সাহেব মোটরের সঙ্গে বাঁধা মোটা শেকল ছিঁড়ে ফেলে চট্টগ্রামের তরুণদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলে এরকম যদি কেউ করতে পার তবে এগিয়ে এসো। চ্যালেঞ্জের প্রত্যুত্তর দেয় এক যুবক। এগিয়ে এগিয়ে সবার সামনে শিকল ছিঁড়ে ফেলে। এই যুবকটিই পরবর্তীকালের বিখ্যাত বিপ্লবী অনন্ত সিংহ।

রামমূর্তি চলে গেলেন; কিন্তু সেদিন থেকে অনন্তের ধ্যান-জ্ঞান হল কীভাবে প্রফেসর রামমূর্তির মতো শক্তির অধিকারী হওয়া যায়। শুরু হল একলব্যের কঠোর সাধনা, হাতির অভাব অনন্তকে থামাতে পারল না।বসবার বেঞ্চ বুকে নিয়ে তার ওপরে দাঁড় করালেন আটজন ছাত্রকে। শেকলের বদলে পাওয়া গেল মোটা দড়ি। মোটরের বদলে কুড়িজন ছাত্রের বিরুদ্ধে দড়ি টানাটানিতে তিনি একা স্থির হয়ে রইলেন।

সমস্ত চট্টগ্রাম তখন রীতিমতো অগ্নিগর্ভ। বিপ্লবী নেতা সূর্যসেন ওরফে মাস্টারদার নেতৃত্বে তখন ভেতরে ভেতরে বিপ্লবী তরুণরা সংগঠিত হতে শুরু করেছে। তবে সমস্ত ব্যাপারটাই ছিল একান্তই গোপনীয় ।মাস্টারদার সঙ্গে অনন্তের তখনও পরিচয় হয়নি। একদিন সে সুযোগ এসে গেল। অন্তরঙ্গ সহপাঠী প্রমোদের সঙ্গে চট্টগ্রাম শহরের কর্ণফুলীর তীরে এক কুটিরের সামনে এসে দাঁড়ালেন অনন্ত। তখনও ভোর হতে অনেক দেরি। সংকেত অনুসারে দরজায় ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেল। ঘরের মধ্যে একটি মাত্র খাট, লোক একজন। দেখলে আর যাই হোক বিপ্লবী নেতা বলে ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। অথচ এই ক্ষীণকায় লোকটি সমস্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে যে একদিন ভাবিয়ে তুলবে তাকি কেউ সেদিন কল্পনা করতে পেরেছিলেন? না অনন্ত সিংহও পারেননি ।বরং তিনি এই সাধারণ আকর্ষণবিহীন চেহারা দেখে হতাশই হয়েছিলেন। এই লোকটি সর্বজন শ্রদ্ধেয় চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাই স্কুলের অংকের শিক্ষক মাস্টারদা। বিশেষ করে মাস্টারদার কাছে কোনো রিভলভার ছিল না এবং তখন পর্যন্ত একজন সাহেবকেও মারেন নি শুনে অনন্ত সিংহ রীতিমতো দমে গিয়েছিলেন । তবে ধীরে ধীরে মাস্টারদা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এসে অনন্ত সিংহের মনে স্বাধীনতার স্পৃহা জেগে উঠল। নতুন নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজ শুরু হল।Charity begins at home সুতরাং প্রথমেই দলে এলেন অনন্তের দাদা ও দিদি ইন্দুমতী সিংহ । বাড়ির সবার পরোক্ষ সমর্থন রইল বিপ্লবের হোম শিক্ষা প্রজ্বলনে । ক্লাসের ভালো ছাত্র আফসারউদ্দিন এবং গণেশ ঘোষ ও চলে এলেন একদিন। ব্যায়াম, বক্সিং, যুযুৎসু ইত্যাদির অনুশীলন চলতে লাগল। তারপর এসে গেল বহু প্রতীক্ষিত সেই দিন। ১৯৩০ সনের ১৮ এপ্রিল। রাত তখন দশটা। সর্বাধিনায়ক মাস্টারদার পূর্ব পরিকল্পনা মতো সবার আগে এগিয়ে এলেন যুব বিদ্রোহের অন্যতম দুর্ধর্ষ দুই নায়ক অনন্ত সিংহ ও গণেশ ঘোষ। সঙ্গে বিধু ভট্টাচার্য ,হরিপদ মহাজন ,হিমাংশু সেন আর সরোজ গুহ। প্রত্যেকের পরিধানেই সামরিক পোশাক।সামনে রয়েছে পুলিশ লাইন। যেভাবেই হোক জেলার অন্যতম ঘাঁটি এই পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগারটি দখল করতে হবে। অতর্কিত আক্রমণে অস্ত্রাগারের  প্রহরীরা পালিয়ে প্রাণ বাঁচাল। বড়ো বড়ো হাতুড়ির ঘায়ে ম্যাগাজিন কক্ষের শক্ত তালা ঝন ঝন করে ভেঙ্গে পড়ল। একটি দুটি নয় শত শত পুলিশ মাস্কেটি রাইফেল, সেই সঙ্গে অসংখ্য রিভলভার আর কার্তুজ। বিপ্লবীদের আনন্দের আর সীমা রইল না। ওদিকে জেনারেল লোকনাথ বল ও নির্মল সেনের নেতৃত্বে তখন আর এক অধ্যায় শুরু হয়ে গেছে অক্সিলারি আর্মারিতে। প্রয়োজন মতো অস্ত্রশস্ত্র সঙ্গে নিয়ে পেট্রোল ঢেলে অস্ত্রাগারে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল। সঙ্গে সঙ্গে একটা মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে গেল। হিমাংশু সেনের জামাকাপড়ে কিছু পেট্রোল পড়ে যাওয়ায় আগুন ধরাতে গিয়ে সমস্ত শরীর দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। সে এক বীভৎস অবস্থা। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য অনন্ত সিংহ ও গণেশ ঘোষ হিমাংশুকে গাড়িতে তুলে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটে চললেন। ফলস্বরূপ তাঁরা মূল বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। এরপর হাজার চেষ্টা করেও তাঁরা মূল বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হননি। ২২ এপ্রিলের রাত আটটায় চট্টগ্রাম থেকে আট মাইল দূরে পুঁটিয়ারি রেল স্টেশনে কাউন্টারের সামনে অনন্ত সিংহকে দেখা গেল সঙ্গে আরও তিনজন। দেখে মনে হয় নিরীহ গ্রাম্য লোক। ততদিনে সমস্ত চট্টগ্রামে বিপ্লবীদের অভ্যুত্থানের খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যাপার দেখে লোভী স্টেশন মাস্টার অশ্বিনী ঘোষের চোখ দুটি জ্বলজ্বল করে জলে উঠল। এই সুযোগকে যেভাবেই হোক কাজে লাগাতে হবে। দু'একজনকে ধরিয়ে দিতে পারলে সরকার বাহাদুরের বদান্যতায় বাকি জীবনটা বেশ আরামে কাটানো যাবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। গাড়ি প্ল্যাটফর্মে ঢুকতেই গার্ডকে নিজের সন্দেহের কথা জানিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, পরবর্তী স্টেশন গুলিতে টেলিগ্রামে টিকিট নম্বর জানিয়ে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখতে বললেন। ট্রেন তখন হু হু করে ছুটে চলেছে। কামরার ভেতরে চারজন নিরীহ গ্রাম্য যাত্রী।অনেক চেষ্টা করেও মাস্টারদার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি । আপাতত গন্তব্যস্থল কলকাতা মহানগর । রাত দুটোয় ট্রেন ফেনী স্টেশনে ঢুকতেই কামরায় উঠে এল এক বিরাট সশস্ত্র পুলিশবাহিনী।অনন্ত সিংহ ততদিনে রূপকথার নায়ক।কত গল্প,কত অলীক কাহিনিই না তৈরি হয়েছিল তাকে কেন্দ্র করে।তিনি নাকি শুধু হাত দিয়ে নয়,হাত,পা,চোখ,কান দিয়েও রিভলভার চালাতে পারেন।এ কথাটা যে খুব একটা মিথ্যা নয়,সেদিন তার প্রমাণ পাওয়া গেল।পুলিশ ততক্ষণে তল্লাশি শুরু করে দিয়েছে।এবার শরীর তল্লাশির পালা।প্রথমেই ডাকা হল জীবন ঘোষালকে।দেখি তোমার কোমরে কী আছে?ব্যস,আর যায় কোথায়?অনন্ত সিংহের রিভলভার গর্জে উঠল দ্রাম।দ্রাম।ইঙ্গিত পেয়ে জীবন ঘোষাল ও আনন্দ গুপ্তের রিভলভার গর্জে উঠল।শুরু হল চিৎকার,চেঁচামিচি আর হইচই। ঐ যে পালাল।ধর ওদের।সব বৃথা।নিমেষে সব হাওয়া।রাতের অন্ধকারে ছুটে পালাতে গিয়ে অনন্ত সিংহ দলছুট হয়ে পড়লেন।অনেক পরে সবাই চন্দননগরের আশ্রয়স্থলে পৌছালেন।এপ্রিল শেষ,মে মাসও শেষ হওয়ার পথে।ততদিনে যুববিদ্রোহে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে ধরা পড়েছেন।কয়েকজন সম্মুখসমরে ইতিহাস সৃষ্টি করে মৃত্যুবরণ করেছেন।কিন্তু কোথায় অনন্ত সিংহ বা গণেশ ঘোষ।সর্বাধিনায়ক মাস্টারদাই বা কোথায়?২৮ জুন একটা খবরে সবাই চমকে উঠলেন।অনন্ত সিংহ সেদিন গোয়েন্দাবিভাগের হেড কোয়ার্টাস ইলিসিয়াম রোতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলেন।অনন্ত সিংহের মতো একজন প্রথম শ্রেণির নেতার এই ধরনের আত্মসমর্পণের মূল কারণ অনেকেই খুঁজে পেলেন না।লোম্যানকে লেখা এক চিঠিতে তিনি এটাকে পুরোপুরি ব্যক্তিগত এবং গোপনীয় বলে জানালেন।তবে অন্যদিক দিয়ে ব্যাপারটা বেশ ফলপ্রসূ হয়েছিল বলে মনে হয়।রাজবন্দিদের অনেকেই ছিল বেশ অপরিণত বালকমাত্র।শারীরিক ও মানসিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করে অনেকেই পুলিশের কাছে কিছুটা স্বীকারোক্তি করে ফেলে।প্রিয় নেতা অনন্তকে কাছে পেয়ে এবার তারা বেঁকে বসল।এই কৃ্তিত্বের দাবীদার নিঃসন্দেহে অনন্ত সিংহ।শুরু হল বিখ্যাত চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন মামলা।আসামী পক্ষে রয়েছেন শরৎ দাস,বীরেন্দ্রনাথ,শ্রীশ বসু,অখিল দত্ত,কালীচরণ ঘোষ,এন সি মুখার্জী,সন্তোষ বসু প্রমুখ বাংলার সুদক্ষ আইনজীবীরা।দেখা যাক কী হয়।ইংরেজ কী হাতের কাছে এত বড়ো সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দেবে।অবশেষে মামলার রায় বেরোল।অনন্ত সিংহ যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর দন্ডে দন্ডিত হলেন।এবার এক দুঃসাহসিক পরিকল্পনায় হাত দিলেন মাস্টারদা।ডিনামাইট চার্জ করে কোর্টভবন বা জেলখানার দেওয়াল উড়িয়ে দেবার পরিকল্পনা করেন।কাজ দ্রুত গতিতে এগোতে লাগল।কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।১৯৩১ সনের ২ জুন একটি কিশোর কর্মীর আকস্মিক গ্রেপ্তারে সমস্ত কিছু ফাঁস হয়ে গেল।দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও অনন্ত সিংহ দীর্ঘকাল বেঁচে ছিলেন।স্বাধীনতার এই অনাকাঙ্খিত বিষাদময় পরিণতি অনন্ত সিংহের মতো বিপ্লবীকে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত করে।‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ ডাকাত’নামে অনন্ত সিংহের আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থটি জনসাধারণে আলোড়ন ও বিতর্কের সৃষ্টি করে।চট্টগ্রাম বিপ্লবের অন্যতম যুবনেতা অনন্ত সিংহ ভারতবাসীর কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৬৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1063, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1063, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬৩ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২৫.১.২৩ তারিখ সকাল এগারটা পঁচিশ ।


শব্দসূত্র: কত কথা কত কবিতা


অজানা কত কথা

যখন রক্তে

বইতে থাকে

তখন শব্দ সেঁচে তুলি ।


তার থেকে কত কবিতা

নির্বিবাদে

এসে পড়ে ।


এ আনন্দ এক ব্রহ্মান্ড

ভালোবাসা হয়ে দাঁড়ায় । 

মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

এই তো জীবন ।। মহ:মহসিন হাবিব , কবিতা, Md Mahasin Habib

এই তো জীবন

মহ:মহসিন হাবিব 



সব মনে বাস করে শব্দ নগর


কোনো নগরী

জয়পুরের মত গোলাপি।


আবার কোনোটা থরের বালি!


কবিতা থাকে 

পাহাড়ের লুকোনো কোণে,

হয়তো বা সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে!


কারোর কবিতায় বেরিয়ে 

আসে ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দু!


আবার কারোর কবিতা

পটকার মত দুম করে ফেটে

পড়ে জনসমুদ্রে।


তবুও দিন রাত লিখে চলি

পাতায় পাতায় প্রতি ইঞ্চি ধরে।

শব্দব্রাউজ- ১০৬২ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1062, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬২ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1062, Nilanjan Kumar





শব্দব্রাউজ- ১০৬২ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২৩.১.২৪. তারিখে সকাল সাড়ে দশ ।


শব্দসূত্র: উন্মোচন হোক বিস্ময়


শব্দে শব্দে

উন্মোচন হোক

বিস্ময় ।


অগুনতি মাধুর্য

উড়ে আসুক

মুহূর্তে ।


ব্যঞ্জনার স্বাদ

যেন আসে

দুধ সাগরের ।


শব্দে শব্দে

অবলীলায় যাই

ব্রহ্মান্ডে।

শুভ জন্মদিন ।। ৬ ফেব্রুয়ারী কবি এ কে সরকার শাওনের ৫৭ তম জন্মদিন,Shaon

শুভ জন্মদিন ।। ৬ ফেব্রুয়ারী কবি এ কে সরকার শাওনের ৫৭ তম জন্মদিন 



৬ ফেব্রুয়ারী কবি এ কে সরকার শাওনের ৫৭ তম জন্মদিন।  সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত এই প্রতিভাবানের জন্ম ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের  গোপালপুরে। পিতা মো: আবদুল গনি সরকার একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং মাতা মিসেস সালেহা গনি সরকার একজন আদর্শ গৃহিনী ছিলেন। 

ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সৃজনশীল সব ধরনের ধারার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর লিখা গান, কবিতা, নাটক দেশে বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়-হচ্ছে। তাঁর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়  প্রকাশিত  কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে যথাক্রমে  “কথা-কাব্য”, “নীরব কথপোকথন”, ও "আপন-ছায়া"। একটি গল্পগ্রন্থ সহ প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ৯। 

কবি ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আশেকীন শাওন তিন মেধাবী  কন্যা সন্তানের জনক-জননী। তিনজনই বিশ্বের  তিনটি উন্নত  দেশে রাষ্ট্রীয় স্কলারশিপ নিয়ে পড়ছে। জ্যেষ্ঠ কন্যা মেলবোর্নের মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে  সমাজ বিজ্ঞানে, মেঝো রাজকন্যা ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডাট্রিয়াল টেকনোলজি (কেআইআইটি) তে  এরোস্পেস ইন্জিনিয়ারিংয়ে ও কনিষ্ঠ  কন্যা  মস্কোর পীরগভ রুশিয়ান ন্যাশনাল রিসার্চ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে  চিকিৎসা বিজ্ঞানে  অধ্যয়ন করছেন। ।

সরকারি ও  বেসরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায়  অবসর নেয়া  কবি জন্মদিনে বন্ধু, শুভান্যুধায়ী, আত্মীয়-স্বজনের সাথে কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে রাজধানীর উত্তরখানের নিজ বাসভবন  শাওনাজ ভিলায় অনাড়ম্বরভাবে জন্মদিন পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শব্দব্রাউজ- ১০৬১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1061, Nilanjan Kumar

 শব্দব্রাউজ- ১০৬১ ।। নীলাঞ্জন কুমার || Shabdo browse-1061, Nilanjan Kumar






শব্দব্রাউজ- ১০৬১ ।। নীলাঞ্জন কুমার

বিপাশা আবাসন তেঘরিয়া মেন রোড কলকাতা থেকে ২২.১.২৪ তারিখ সকাল সাড়ে দশ ।


   শব্দসূত্র: সব হোক ধীরলয়ে


ধীরলয়ে

যা হয়‌ তার জন্য

অপেক্ষায় আনন্দ ।


ধীরলয়ের অভ্যাসে

আমাদের চরিত্র

শ্রদ্ধানত হয়ে যায় ।


ধীরলয় আমার রক্তে

সহিষ্ণুতা ভরে দেয়।

 

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...