বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

চলে গেলেন কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত

চলে গেলেন কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত



স্টাফ রিপোর্টার ১৮-১১-২০২০: "আমি তো এক শখের নিছক শব্দব্যবসায়ী/আনন্দের ক্লান্তি আনে আমার চোখে ঘুম…" জার্মানির হাইডেলবার্গে নিজ বাসভবনে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত ৷ বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর ৷ স্ত্রী এলিজাবেথ তাঁর প্রয়াণ সংবাদের কথা জানিয়েছেন ৷ দীর্ঘদিন ধরেই কবি ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ৷ ১৯৩৩ সালের ৬ অক্টোবর কলকাতায় জন্ম অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের। শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা শেষ করে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে সাহিত্য নিয়ে উচ্চশিক্ষা শেষ করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। ভারতীয় কবিতার শব্দমালা নিয়ে পিএইচডি করেছিলেন অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ থেকে শুরু কর্মজীবন। সেই সময় বহু জার্মান কবিতা তিনি বাংলায় অনুবাদ করেছেন, বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতির ভাঁড়ারকে আরও সমৃদ্ধ করে হিটলারের দেশে তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন বাংলা কবিতার একের পর এক অনুবাদ। এরপর জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতে গিয়েছিলেন অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত।বাংলা-জার্মান সাহিত্যের মেলবন্ধনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য, এই কর্মকাণ্ডের জন্য জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে ‘গ্যেটে’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ১৯৯২ সালে ‘মরমী কারাত' কাব্যগ্রন্থের জন্য তাঁকে সাহিত্য অ্যাকা়ডেমি পুরস্কারের সম্মানিত করা হয়। জীবদ্দশায় প্রায় ২০টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ৷ জীবনের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি জার্মানিতে কাটালেও বাংলা কবিতা এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল নিবিড় ৷ বাংলা কবিতা তাঁর অবদান চিরদিন মনে রাখবে ৷


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অবহেলা || দীপক মজুমদার || অন্যান্য কবিতা

অবহেলা দীপক মজুমদার আর গোপন রাখব না আমাদের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত।  শব্দের খাঁজে লুকানো গোলাপের উষ্ণতা। ঝাউবনের নির্জনতায় জৌলুস সম্পৃক্তি। প্রি...