রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

সৌমিত্র রায় -এর জন্য গদ্য ১৮৮ || প্রভাত চৌধুরী || ধারাবাহিক বিভাগ

সৌমিত্র রায় -এর জন্য গদ্য

প্রভাত চৌধুরী



১৮৮.

□ ময়ূরাক্ষীতে ঠাকুরদাস আসছেন নমিতাদিদের নিয়ে , অন্যান্য পথে আরো অনেকে।

নাসের বহরমপুরে থাকায় ঠাকুরদাসের ওপর দায়িত্ব পড়েছিল নমিতা চৌধুরী পাপড়ি ভট্টাচার্য মধুছন্দা মিত্রঘোষ শুভম হীরক মুখোপাধ্যায় প্রমুখ কয়েকজন

-কে নিয়ে আসার।

১৪ জুন শান্তনু  বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে সকাল ১০টা এবং সাড়ে ১২টায় ফোন করে জানতে চেয়েছিল ময়ূরাক্ষীতে কারা আসছেন। শান্তনু আগের দিন দুর্গাপুরে বোনের বাড়িতে ছিল। ওর ওপর দায়িত্ব ছিল, ময়ূরাক্ষীর সকলকে দুর্গাপুর থেকে ছান্দার নিয়ে যাওয়া।

ইতিমধ্যে সোয়া সাতটায় ছান্দারে পৌঁছে গেছেন শঙ্খ ঘোষ সহ অন্যান্যরা। এদিন দুপুরে ৩টে ১৫ নাগাদ সৌমিত্র রায় এসে গিয়েছিল সিংহপুর থেকে।সৌমিত্র- র যাত্রাপথ চন্দ্রকোণা রোড থেকে বাস ধরে দিঘা- আসানসোল বাস ধরে বেলিয়াতোড়। তারপর ছান্দার। বিকেল সাড়ে ৩টেয় বহরমপুর থেকে নিখিলকুমার সরকার সমরেন্দ্র রায় এবং কাটোয়া থেকে দীপংকর ঘোষ তাপসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ভগবাহাদুর সিং।

শান্তনু দুর্গাপুর থেকে জানালো ময়ূরাক্ষী এসে গেছে। আমি রাত ৮টা নাগাদ টাটাসুমো আর অ্যামব্যাসাডার নিয়ে বেলিয়াতোড়। ওখানে পৌঁছে প্রথমেই পেলাম অভিজিৎ চৌধুরী ও লীনাকে।ওরা ময়ূরাক্ষীর আগের একটা লোকালে এসেছিল। এরপরই টিম ময়ূরাক্ষীকে নিয় শান্তনু ।

□  বেলিয়াতোড়ে বাজার করা, সন্ধ্যায় রান্না শেষ , শঙ্খ ঘোষ -এর জন্য অপেক্ষা

এই পর্বে ছিল আমার দুদিন বাজার করার কথা । আমার বাজার-সঙ্গী ছিল স্বরূপ চক্রবর্তী। ১৪ তারিখের যাবতীয় রান্না করেছিলাম আমি নিজে। সন্ধ্যার পর অভিব্যক্তি সামনে  টাটাসুমো-র অপেক্ষায় ছিলাম। সঙ্গী উৎপল চক্রবর্তী । মোহন সিংহও ছিলেন। জরুরি কাজ থাকায় গাড়ি আসার আগেই চলে গিয়েছিলেন। প্রণব চট্টোপাধ্যায় চলে এসেছিল ১৪ তারিখেই।

এত পরিশ্রমের পর দুটো গাড়ি নিয়ে বেলেতোড় গিয়েছিলাম ময়ূরাক্ষী-র আসা কবিদের নিয়ে আসার জন্য। তখন পারতাম। পারতে বাধ্য থাকতাম বলেই। যাক সেসব কথা।

□১৪ জুন রাতে ঘণ্টাদুয়েক ' অভিব্যক্তি '-তে শঙ্খদা ও অন্যরা

দুটি গাড়ি আমি বেলেতোড় চলে যাবার পর অভিব্যক্তি-তে বসেছিলেন শঙ্খ ঘোষ উৎপল চক্রবর্তী ডা: প্রদীপ ঘোষ নাসের হোসেন মুরারি সিংহ শুভাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বিশাল ভদ্র গৌরাঙ্গ মিত্র নিখিলকুমার সরকার সমরেন্দ্র রায় সৌমিত্র রায় সহ আরো কয়েকজন।

উৎপল চক্রবর্তী বললেন শঙ্খদা-কে : কবিতাচর্চাকেন্দ্র একটা ইউনিক ব্যাপার হোক এই আমার চাওয়া। এই প্রথম আপনি অভিব্যক্তি-তে এলেন আমার পরম সৌভাগ্য  । তারপর বললেন কবে এই অভিব্যক্তি-র শুরু এবং কীভাবে চলছে এখন  । অনুরোধে শোনালেন নিজের লেখা ও সুর দেওয়া গান--- হারমোনিয়াম নিয়ে এসে। তারপর আমার বাড়িতে খেতে যাওয়ার ডাক এসে গেল। পরের দিন সকালে জলখাবারের আগে উৎপলদার তাঁর লেখা কয়েকটি বই ও সংকলন দিয়েছিলেন শঙ্খদাকে। নাসেরকেও।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অবহেলা || দীপক মজুমদার || অন্যান্য কবিতা

অবহেলা দীপক মজুমদার আর গোপন রাখব না আমাদের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত।  শব্দের খাঁজে লুকানো গোলাপের উষ্ণতা। ঝাউবনের নির্জনতায় জৌলুস সম্পৃক্তি। প্রি...