বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

চলে গেলেন সংগীত শিল্পী "হায়দার আলী" ।। ডঃশান্তনু পাণ্ডা

মেদিনীপুর হারালো সংস্কৃতি জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রঃ

ডঃশান্তনু পাণ্ডা




আজ সকাল আটটায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন সংগীত শিল্পী "হায়দার আলী"। মেদিনীপুর কেন গোটা বাংলায় সাংস্কৃতিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন হায়দার বাবু। হেমন্ত কন্ঠে গান গাইতেন ও জগজিৎ সিং এর গজল  উনার সংগীত জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল ।  কোলকাতার সি এম আর আই হাসপাতালে 24 দিন লড়াই করার পর মেদিনীপুরের সাংস্কৃতিক জগতের শূন্যতা সৃষ্টি করে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। অফুরনিয় ক্ষতি ও শূন্যতা তৈরি হল অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সংস্কৃতি ও সংগীত জগতে।

অনেক সরকারি অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত অতিথি শিল্পী হিসাবে গান ও বক্তব্য রেখেছেন। সুমধুর কন্ঠ ও সুর এবং দারুণ সোবার মানুষ।  

কত কথাই ভিড় করে আসছে মাঝে মাঝে । অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পত্র দিতে যেতাম। 

বিভিন্ন সরকারি বেসরকারীে মেলা গুলো তে সংগীত ও অনুষ্ঠানের পরিচালক  হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি অনেক ছাএ ও শিষ্য তৈরি করেছেন। বাংলা সাহিত্যে একাডেমীতে সংগীত শিল্পী হিসেবে "জয়ন্ত সাহার" পরেই যার নাম আসে তিনি হলেন "হায়দার আলী"। মেদিনীপুরের একমাত্র সংগীত চর্চা কেন্দ্র "রবীন্দ্র নিলয়" এক অন্যতম স্রষ্টা। 

ভালো থেকো  দাদা চির শান্তির দেশে।

তোমারে মন্তকন্ঠী গান ও জগজিৎ সিং এর গজল খুব মিস করব। 

আজ বিকেল চারটায় #শোক মিছিল হবে প্রয়াত সঙ্গীত শিল্পী #হায়দার আলি'র স্মৃতির উদ্দেশ্যে  মেদিনীপুর শহরের রবীন্দ্র নিলয় এর সামনে থেকে। মেদিনীপুর শহরের সমস্ত শিল্পীবৃন্দ ও শিল্পমনস্ক,সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ এই শোক মিছিলে অংশ নেবেন।  শোক 

মিছিল টি হবে সাদা  পোষাক পরে মোমবাতি হাতে। এই  মিছিলেরে আয়োজক মেদিনীপুরের সাংস্কৃতিক প্রেমী মানুষেরা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ১২৭-১২৯ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems

  নীলিমা সাহা-র আটপৌরে ১২৭-১২৯ নীলিমা সাহা //Nilima Saha, Atpoure Poems   নীলিমা সাহার আটপৌরে  ১১৭) কাকভোর  থেকে   কাকসন্ধ্যা               ...