শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০

শব্দব্রাউজ ৪৮ || নীলাঞ্জন কুমার | | "আই-যুগ"-এর কবিতা

 শব্দব্রাউজ ৪৮ || নীলাঞ্জন কুমার 

                        | "আই-যুগ"-এর কবিতা


তেঘরিয়ার বিপাশা আবাসন ১৮।১২। ২০২০ সকাল  ১০টা । বিরহ সংক্রান্ত ভাবনা ভাবতে ভাবতে এই কবিতা লেখার উদ্যোগ । বিরহ ও আনন্দ দুই এর তুলনায় সময় গেল ।



শব্দসূত্র : বিরহ বড় ভালো



শচীন কর্তার বিরহের গান শুনতে শুনতে বিরহকে  ভালোবাসার চেতনা জেগে ওঠে ।বিরহ যদি বিলাস হয় তবে তাকে মন থেকে দূরে রাখতে চাই কেন?  ' বিরহ বড় ভালো লাগে ' যখন গীতিকার লেখেন তা কেবল পেশাদার কারণে?  নাকি ভেতরে ভেতরে আনন্দের সঙ্গে বিরহ কি ভালোবাসার তাগিদ থেকে ? বেদনার সঙ্গে বিরহের যে সম্পর্ক তাকে গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দিলে বেশ খোলতাই হয় বলে আমরা তার থেকে খুঁজে পাই ভালোবাসার স্বাদ । বিরহের গান শুনতে শুনতে শুধু কি আমরা মুগ্ধ হই ! না কখনো সখনো ভালো লাগার দিক ছুটে আসে ।হাজারো কবিতার ভেতর দুঃখ মিশে না থাকলে যেমন কবিতা হয় না তেমনি বিরহ আমাদের সেই স্বাদ পূরণ করে।আমরা মিশে থাকি কখনো আনন্দে কখনো দুঃখে । আমাদের সত্তা শুনে যায় শচীন কর্তার বাঁশির গান আর ঢোল করতাল শুধুই নয়,  রাগভিত্তিক বিরহের গানওএকই আনন্দেএকই মূর্ছনায় ।




বড় হওয়ার পর প্রেম,  তার থেকে বিচ্ছেদের দুঃখ নিয়ে বিরহ এইতো জাগতিক !  হাজারো দুঃখ বহনকারী জীবনের সময় আনন্দে বিরহে । হা-হা,  ছুঁয়ে যাচ্ছি মনে  রক্তে নিউরোনে। হা-হা,  এইতো জীবন কাকা .....




ভালো মন্দের  দোটানায় আমরা সবাই । তাই জন্য কবিতা উতরোয় । ভালো মন্দের বিবর্তনে আবর্তনে দোল খেতে খেতে এই আমাদের মুহূর্ত সরে যাচ্ছে অবলীলায় । পৃথিবী আমাদের কত দেখায়,  কত শেখায়!






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নস্টালজিয়া ৩২ || পৃথা চট্টোপাধ্যায় || ন্যানো টেক্সট

  নস্টালজিয়া ৩২ পৃথা চট্টোপাধ্যায় নস্টালজিয়া ৩২ পৃথা চট্টোপাধ্যায়  আমার শৈশবের বেশ কিছুটা সময় কেটেছিল সাগরদিঘিতে। বাবা তখন ওখানে  বিডিও অফিস...