মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য ১৬৯ || প্রভাত চৌধুরী || ধারাবাহিক গদ্য

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য

প্রভাত চৌধুরী



১৬৯.

এবার রাজকল্যাণ চেল। আমার এই লেখাটিতে বেশ অনেকবার রাজকল্যাণের প্রসঙ্গ এসেছে। সেইসব প্রসঙ্গে আমি রাজকল্যাণ সম্বন্ধীয় বহুকথা বলেছি। এবার আমি একটিও আমার কথা বলব না। পুরোটাই রাজকল্যাণ যা লিখেছিল , আমি সেগুলি আপনাদের পড়াতে চাইছি। পড়তে থাকুন :

' এই মুহূর্তে বাংলা কবিতার রাজ্যে বৃহত্তম পরিবার অবশ্যই কবিতাপাক্ষিক পরিবার। শুধু আসমুদ্র হিমাচল নয় , কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র কথিত --" দক্ষিণে সুন্দরবন।উত্তরে টেরাইও নয়।"আরৌ দূরে ভারতবর্ষের অন্যত্র থেকে বিশ্বেরও বিভিন্ন প্রান্তে এ পরিবারের পারিবারিক সীমানা বিস্তৃত। ঘরকুনো বাঙালির এই অভাবনীয় সৃষ্টি অবশ্যই একদিন বাংলা কবিতার ইতিহাসে সশ্রদ্ধ স্বীকারোক্তি আদায় করে নেবেই , বৃহত্তম দ্বিতীয় কীর্তি হিসেবেই। কেননা পরিবারের সংজ্ঞাই যখন বদলে যাচ্ছে , কবি প্রভাত চৌধুরীর এই অনন্য প্রয়াস, একটি কবিতা পত্রিকাকে নিয়ে এই স্বপ্নরচনার প্রতি আজ আমরা উদাসীন থাকলেও ভবিষ্যতে আমাদের মেনে নিতেই হবে। '

' কবিতাপাক্ষিকের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেকটা শহর বনাম শহরতলির মতন। কবিতাপাক্ষিকের একজন পাঠকরূপে। এই পাক্ষিক পত্রিকাটি যে কবিতাধারার তন্নিষ্ঠ প্রচারক , পোস্টমডার্ন কবিতা আমার কাছে এই কবিতার ফর্ম এবং কনটেন্ট মারাত্মক ইন্টারেস্টিং। একই রকম লেখা পড়তে পড়তে একঘেয়ে এই আমি  ওই ধারার কবিতাগুলির ভবিষ্যৎ পরিণতির দিকে চেয়ে আছি। '

 এরপর রাজকল্যাণ চেল লিখেছিল কবিতাপাক্ষিক - এর ২য় বর্ষপূর্তি উৎসবের যাবতীয়। এই যাবতীয়-র মধ্যে প্রস্তুতিসভা থেকে উৎসবকথা। 

আমি যখন এই বর্ষ পূর্তি উৎসবের কথা রিপোর্টিং করেছিলাম , তখন যা বলেছিলাম , তার সঙ্গে রাজকল্যাণ পরিবেশিত এই তথ্যগুলি যোগ করা আমার অবশ্য কর্তব্য। রাজকল্যাণ লিখেছিল :

' এই  কবিতা উৎসব পরিকল্পনাটির রূপরেখা তৈরি হয়েছিল প্রভাত চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রায় ১০/১৫ জন তরুণ প্রধান শিল্পী ও কবির উপস্থিতিতে বেলিয়াতোড়ে , ডা: দীপংকর মাজীর ভদ্রাসনে বসে ।' এখানে আমার প্রতিবাদ স্থাপন করছি। প্রতিবাদ - স্মারকটি হল : ওই উৎসবের যাবতীয় কর্মকাণ্ড কবি রাজকল্যাণ চেল - এর নির্দেশে প্রতিপালিত হয়েছিল। আমি সজ্ঞানে এই স্বীকারোক্তি করলাম। রাজকল্যাণ আমাকে সামনে রেখে পেছন থেকে সব কাজের বা প্রতিটি পদক্ষেপের মনিটরিং করেছিল রাজকল্যাণ। কে সভাপতি হবেন থেকে কে সঞ্চালনা করবেন, সবকিছু ঠিক করেছিল রাজকল্যাণ। কারণ বাঁকুড়া আমার জন্মস্থান হতে পারে , সে সময় বাঁকুড়া আমার কাছে পুরোটাই অপরিচিত ছিল। কার্যত রাজকল্যাণের নির্দেশ পালন করতে আমি বাধ্য ছিলাম।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অবহেলা || দীপক মজুমদার || অন্যান্য কবিতা

অবহেলা দীপক মজুমদার আর গোপন রাখব না আমাদের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত।  শব্দের খাঁজে লুকানো গোলাপের উষ্ণতা। ঝাউবনের নির্জনতায় জৌলুস সম্পৃক্তি। প্রি...