বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য ১৯২ || প্রভাত চৌধুরী || ধারাবাহিক গদ্য

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য

প্রভাত চৌধুরী



১৯২.

□ উৎসব-দুপুরের পঙ্ ক্তিভোজন , আশ্চর্য সুস্বাদু


শিক্ষক-শিক্ষণ প্রশিক্ষণালয় , যেটিকে আমরা বারবার কলেজ বলে ডাকছি প্রচলিত ডাকে , সেখানেই ছিল কবিতাপাক্ষিক-এর পুরস্কার ও সম্মান- প্রদান এবং কবিতাপাঠ অনুষ্ঠান। দুপুর সাড়ে বারোটায় সেখানেই হোস্টেলগুলির পাশে ভোজনকক্ষে দুপুরের খাওয়াদাওয়া হল বেশ উপাদেয়।পঙ্ ক্তিভোজন। কয়েকটি লাইনে বসে কবিবৃন্দের দুপুরের আহার।আশ্চর্য সুস্বাদু।

নাসের যেমনটা লিখেছিল , আমি ঠিক তেমনটাই লিখছি।

শান্তিনিকেতন দূরদর্শনের লোকজনও চলে এলেন , সঙ্গে দেবাশিস ভট্টাচার্য এবং পিউ , তারাও খেতে বসলেন। শঙ্খদা ও শক্তিনাথদার খাওয়ার ব্যবস্থা  হয়েছিল কলেজের অতিথিনিবাসে।

কবিতাপাক্ষিক-এর পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ মাইতিবাবু এবং অন্যান্য কর্মীদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছিল।


□ উৎসবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত --- মা


রবীন্দু বিশ্বাস শুরু করেছিল কবিতাপাক্ষিক পুরস্কার ও সম্মানপ্রদান অনুষ্ঠান।১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই উৎসবে প্রকাশিত হয়েছে কবিতাপাক্ষিক-এর ২৮০ তম সংখ্যা। ' আমাদের প্রভাত চৌধুরী ' শীর্ষক এই সংখ্যার লেখাগুলি বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সংখ্যাটির প্রথম কপি তুলে দেওয়া হল শঙ্খ ঘোষ-এর হাতে।

আর এভাবেই উৎসবের উদ্বোধন প্রক্রিয়া সাঙ্গ হল। অবশ্য উৎসবের উদ্বোধন নানাভাবেই সংঘটিত হয়েছে সকাল থেকেই ।  আমার ষাট বছর পূর্তি জন্মদিনে ৬০টি করে গোলাপের দুটি স্তবক পরস্পরের হাতে দিয়েছিলেন --- শঙ্খদা আমার হাতে ,আমি শঙ্খদার হাতে। এ ঘটনা মুদ্রিত হয়ে রইলো ' মাদল ' ঘরটির আকাশেবাতাসে এবং যাঁরা ছিলেন তাঁদের অন্তঃকরণে , সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে। ১১ বাজতে ৫ মিনিট আগে নাসেরের সঞ্চালনায় শঙ্খ ঘোষ কবিতাচর্চাকেন্দ্র-র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট টুসু-প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলেন। করতালি মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ। সেও আর -একটি উদ্বোধনই। আর সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে। ১১ বাজতে ৫ মিনিট আগে নাসেরের সঞ্চালনায় শঙ্খ ঘোষ কবিতাচর্চাকেন্দ্র-র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট টুসু-প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলেন। করতালি মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ। সেও আর -একটি উদ্বোধনই। আর সকাল ৭টা ৪০ নাগাদ শঙ্খ ঘোষ যখন আমাদের বাড়িতে প্রস্তুত হয়ে দোতলা থেকে নেমে এলেন, তাঁর সামনে জন্মদিনের পায়েস খাইয়ে দিলেন মা। আমি মাকে ও শঙ্খদাকে প্রণাম করলাম। তো বলাই যায়, এও তো একরকম উৎসবের শুরু হয়েছিল আমার মায়ের হাতে জন্মদিনের  পায়েস খাওয়ার মধ্য দিয়েই। এই পায়েস উপস্থিত সকলেই খেয়েছেন ৯টা ৪০ নাগাদ ছোটদার অভিব্যক্তি-র লতাবিতানে , সঙ্গে ছিল কচুরি এবং চা।উৎসবের শেষের দিকে যখন শঙ্খ ঘোষ চলে যাচ্ছেন , আমার বাড়িতে গিয়ে ব্যাগ নিয়ে আসার সময় মাকে প্রণাম করেছেন। সুতরাং বলাই যায় এই উৎসবের শুরু থেক শেষ পর্যন্ত উৎসবটিকে ঘিরে ছিলেন মা। 


  □ কবিতাপাক্ষিক-এর ১৪১১ বঙ্গাব্দের পুরস্কার ও সম্মান প্রদান

 পুরস্কার প্রাপকদের নাম :

সনাতন দে স্মৃতি পুরস্কার : উৎপলকুমার বসু।

কৃষ্ণগোপাল মল্লিক নামাঙ্কিত সম্মান :  মণীন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ' পরমা ' পত্রিকা।

তুষার চট্টোপাধ্যায়  স্মারক সম্মান : শক্তি সেনগুপ্ত।

ফালগুনী রায় কবিতাপাক্ষিক সম্মান : ডা : গদাধর দাস।

শক্তিনাথ ঝা-র হাতে তুষার চট্টোপাধ্যায় স্মারক সম্মান তুলে দিয়েছিলাম আমি।

অভিজিৎ চৌধুরী-র হাতে তুলে দেওয়া হয় অনাময় দত্ত নামাঙ্কিত কবিতাপাক্ষিক সম্মান তুলে দেওয়া হয়।

দীপ সাউ -এর হাতে মঞ্জুষ দাশগুপ্ত নামাঙ্কিত কবিতাপাক্ষিক সম্মান তুলে দেন ঈশ্বর ত্রিপাঠি।

রিমি দে-র হাতে মানিক চক্রবর্তী নামাঙ্কিত কবিতাপাক্ষিক সম্মান তুলে দেয় রুদ্র কিংশুক।

সৌমিত্র রায়ের হাতে সুব্রত চক্রবর্তী নামাঙ্কিত কবিতাপাক্ষিক সম্মান তুলে দিয়েছিল নমিতা চৌধুরী।


কবিতাপাঠ এবং ঘরে ফেরার কথা আগামীকাল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অবহেলা || দীপক মজুমদার || অন্যান্য কবিতা

অবহেলা দীপক মজুমদার আর গোপন রাখব না আমাদের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত।  শব্দের খাঁজে লুকানো গোলাপের উষ্ণতা। ঝাউবনের নির্জনতায় জৌলুস সম্পৃক্তি। প্রি...