বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

কিছু বই কিছু কথা-১৯০ || নীলাঞ্জন কুমার || শব্দের জানালা ও মাস্তুলের মৌখিক নদীপথ || রুদ্র কিংশুক

 কিছু বই কিছু কথা-১৯০ || নীলাঞ্জন কুমার   || শব্দের জানালা ও মাস্তুলের মৌখিক নদীপথ || রুদ্র কিংশুক 



শব্দের জানালা ও মাস্তুলের মৌখিক নদীপথ । রুদ্র কিংশুক । কবিতা পাক্ষিক । দশ টাকা ।


' হাওয়া ৪৯' ও ' কবিতা পাক্ষিক ' পত্রিকা থেকে গড়ে ওঠা  বাংলা ভাষায় পোস্টমডার্ন চিন্তা একসময় যেভাবে ধীরে ধীরে সন্ঞ্চারিত হয়েছিল আজ তা অনেক স্তিমিত । সে সময় যে কবিবর্গ এই ধারার ক্ষেত্রে নিজেকে উল্লেখযোগ্য করতে পেরেছেন তার মধ্যে রুদ্র কিংশুক অন্যতম । তাঁর সেই সময়ের একটি কাব্যগ্রন্থ ' শব্দের জানালা ও মাস্তুলের মৌখিক নদীপথ ' সে সময়
( ২০০২ সালে) পড়ে মনে হয়েছিল তিনি পোস্টমডার্ন কবিতার ভেতরে ঢুকতে পেরেছেন । আজ পুণঃপাঠের পর দেখি তা ভুল নয় । আজ হয়তো কবিতা ধারা ' ই-যুগ ' ধরে এগোতে চায়,  কিন্তু সে সময়ের  কবিতা ধারার দিক থেকে কবির এই কাব্যগ্রন্থ কিছু সাক্ষ্য বহন করে বৈকি ।
               পোস্টমডার্ন ভিত্তিক  চিহ্ন বহনকারী বলে অন্তত সেই সময়ের ভিত্তিতে  এ কবিতা এক বৈচিত্র্য বলে মনে করা যায় । তার প্রমাণ:  ' শব্দের সীমা মানুষ নৈঃশব্দ্যে ভাঙে, আলোকে অন্ধকারের চতুষ্মানতা দিয়ে .... ' , ' আরো অনেক গল্প একদিন গোপনে বলা যাবে,  গোপনেই গাছের শিকড় বাকড়  চারিয়ে যায় এদিক সেদিক... ' , ' চৌরসিয়ার বাঁশির সুর থেকে যে আকাশ বিকশিত হয় তাকে একটি পরীক্ষা নলের ভেতরে পাঠাতেই পেলাম টুং ' ইত্যাদি শিরোনামহীন একান্নটি কবিতার সামান্য অংশ ।
            রুদ্র কিংশুক পরবর্তীকালে  অনেক অনেক অপরিহার্য কবিতা উপহার দিয়েছেন,  যা কিছু কিছু পত্রিকায় ও তাঁর কাব্যগ্রন্থের ভেতর আছে । নিশ্চিতভাবে তিনি এগোতে চেয়েছেন এক অন্য ডিকসনের দিকে,  যা তাঁকে ভেতরে ভেতরে আনন্দ দেবে । সুখের কথা সেই আনন্দ তিনি আজও পাচ্ছেন । রজতেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের প্রচ্ছদ পোস্টমডার্ন শিল্প অনুসারী  ভাবনার দিক  দিয়ে ঠিকঠাক ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

সবাই মিলে সিনেমা হলে ২১ || সিনেমা ও বিরতি || কান্তিরঞ্জন দে

  সবাই মিলে সিনেমা হলে ( ২১) সিনেমা ও বিরতি  কান্তিরঞ্জন দে        নমস্কার ।  উৎসবকালীন বিরতির পর আবার ফিরে এলাম । আমরা যখন সবাই মিলে সিনেমা...