সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

কিছু বই কিছু কথা ২৩০ || নীলাঞ্জন কুমার || সান্ধ্যভাষা । অমলেন্দু বিশ্বাস । নৌকো

 কিছু বই কিছু কথা ২৩০ । নীলাঞ্জন কুমার




সান্ধ্যভাষা । অমলেন্দু বিশ্বাস । নৌকো
। বারো টাকা


কবি অমলেন্দু-র শিরোনামহীন চোদ্দটি আবেশ জাগানো পয়ারভিত্তিক কবিতার কাব্যগ্রন্থ ' সান্ধ্যভাষা ' র ভেতর দিয়ে হাঁটতে গিয়ে খুঁজে পাই সেই সত্য,  যা দাঁড় করায়:  ' গোধূলির সান্ধ্যভাষা ঝুলে আছে গাছে/  এ মুহূর্তে নির্বান্ধব । হাঁটা পথে আর তোমাকে পাইনি কাছে । '  - র মতো পংক্তির কাছে । কবি অমলেন্দু দীর্ঘদিন লিখে যাচ্ছেন তাঁর মতো করে,  নিজস্ব অনুপ্রেরণায়,  স্বাতন্ত্রতা নিয়ে । কোন ঢাক ঢাক গুড় গুড় না করে তিনি অক্লেশে বলতে পারেন বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে:  ' গেরুয়া আলোয় ফেরা নীল সান্ধ্যভাষা/ ভেসে যেতে থাকে ভালোবাসার সাম্পানে '।
           সান্ধ্যভাষা ভিত্তিক কবিতার এই সিরিজ সেই কবিতার জন্ম দেয় যেখানে কবি সান্ধ্যভাষার মতো আধো অন্ধকার করে রাখেন না তাঁর কবিতা । বোঝা যায় কবির চেতনা,  যার ভেতরে কবিকে তাড়িত করে নিসর্গ প্রেম,  দুঃখ, করুণা,  অধ্যাত্ম দর্শন । তাই কবি বলতে পারেন:  ' লাল পাড় শাড়ি আর রক্তরাঙা টিপ/  ধীরে ধীরে উঠে আসে ত্রিলোচন লোকে ', ' দুঃখের গভীর নীল নৌকা যায় চলে/  নীরব ভাষার নিচে আলোবীজ বাড়ে .... ' ।
          অমলেন্দু সেই রকম কবি ,  যে প্রতিটি কাব্যগ্রন্থে আলাদা আলাদা ভাবনা এনে আমাদের চেতনাতে ছড়িয়ে দেয় । সে অর্থে তাঁকে পড়ার জন্যে অপেক্ষা থাকে,  ভালো কিছু পাবার আশায় । অমলেন্দুর কবিতাতে আছে কিছু স্নিগ্ধতা,  যা আজকের জাগলিং সর্বস্ব কবিতা থেকে অনেক আলাদা । তাপস ভট্টাচার্যের প্রচ্ছদে কালার কম্বিনেশন খুব খারাপ , তবে অঙ্কন সুন্দর । কালারের কারণে ' সান্ধ্যভাষা ' নামাঙ্কন ঠিকঠাক পড়া যায় না । যা প্রচ্ছদে অভিপ্রেত নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আজ অভিভাবকহীন হলাম || বাসুদেব দাস

আজ অভিভাবকহীন হলাম বাসুদেব দাস   অন্যান্য দিনের মতো আজও সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কম্পিউটারে সৌরভ কুমাৰ চলিহার একটি গল্প বাংলায় অনুবাদ করছিলাম...