অরূপ মজুমদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অরূপ মজুমদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১

ধ্বনি পরিচয় ববইটির আলোচনা ৷৷ ড.শান্তনু পাণ্ডা ৷৷ কিছু বই কিছু কথা

ধ্বনি পরিচয় ববইটির আলোচনা

ড.শান্তনু পাণ্ডা




ধ্বনি পরিচয় আক্ষরিক অর্থে সাদরি ভাষার সংখিপ্ত   পরিচিতি। বইটি লিখেছেন ড. অরূপ মজুমদার, যিনি একজন শিক্ষক, গবেষক এবং গাইঘাটা ব্লকের প্রাথমিক শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের মানবিক মুখ। অঞ্চল ও সম্প্রদায় ভেদে যে নানা ভাষা রয়েছে তার একটা ছবি এই বইতে প্রস্ফুটিত। Anthropology এর গবেষক হিসেবে ড. অরূপ মজুমদার মুন্ডাদের জীবন যাত্রা এক রূপরেখ তুলে ধরেছেন।মুন্ডাদের ভাষা, পেশা,শিক্ষা, বাসস্থান,পোশাক পরিচ্ছদ, ধর্ম, গোত্র, সামাজিক, রীতি নিতি ও যাদু বিদ্যা সুন্দর ভাবে ব্যাখা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো "সাদরি" ভাষার বাংলা রূপান্তর। প্রত্যেকটি বর্ণমালা ধরে ধরে ধরে যত গুলো সম্ভব তা উল্লেখিত রয়েছে। অর্থাৎ বর্ন পরিচয়ের অনুবাদ। বইটির ক্থমুখ লিখেছেন অধ্যাপক মহিদাস ভট্টাচার্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। উনার আলোচনা ও বিশ্লেশন খুব প্রান্মুগ্ধ ও প্রাসঙ্গিক। বইটির মধ্যে সাদরি ভাষার নানা দিক প্রস্ফুটিত হয়েছে। বাংলা ভাষার প্রতিটি ধ্বনি ধরে ধরে সাদরি ভাষার রূপ নিয়েছে। যেমন ধোপা- রজক, চুল- চুইল। সাদরি ভাষায় ছড়া, কবিতা, ছোট বেলার গল্প রয়েছে  বইটি তে।

সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১

কুড়মালি রচিত : প্রাসঙ্গিকতা || ড. অরূপ মজুমদার || কিছু বই কিছু কথা || আলোচক ড.শান্তনু পাণ্ডা

কুড়মালি রচিত : প্রাসঙ্গিকতা || ড. অরূপ মজুমদার || কিছু বই কিছু কথা || আলোচক ডঃ শান্তনু পাণ্ডা নৃ-তত্ত্ব এর শিক্ষক ও গবেষক এছাড়া বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ।



নৃ-তত্ত্ব, ভাষাবিজ্ঞান ও শিক্ষাবিজ্ঞানের গবেষক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক  ড. অরূপ মজুমদার সম্পাদিত ‘কুড়মালী রচিত’ বইটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি খুবই উপযোগীমূলক গ্রন্থ হিসেবেই পাঠক সমাজে সমাদৃত হবে বলে মনে হয়। ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ গ্রন্থটি ১২৯ পৃষ্ঠায় সজ্জিত হয়ে কুড়মালী ভাষা ও সাহিত্যকে তুলে ধরেছে। কুড়মী সমাজের বিভিন্ন স্তরের লেখক ও গবেষকদের লেখায় পরিপূর্ণ বইটি এই সমাজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উৎসুক পাঠকের কাছেও একটি মূল্যবান গ্রন্থ হবে- এবিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। কুড়মী ভাষার নিজস্ব হরফ না থাকায় সম্পূর্ণ বইটি বাংলা হরফে তুলে ধরা হয়েছে। আমরা জানি যে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলাতে মূলত কুড়মীদের বসবাস। এছাড়াও পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামেও এই সম্প্রদায়ের মানুষ জন রয়েছেন।

সমগ্র বইটিতে কুড়মী জাতিদের সমাজ-চিত্রের ধারণা এবং প্রাত্যহিক দৈনন্দিন জীবন-যাত্রার ছবি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। কুড়মালী জাতির অন্যতম সংস্কৃতি সহরই পরবের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণামূলক লেখা স্থান পেয়েছে বইটিতে। শালগাছ যে কুড়মী জনজাতির কাছে দেবতা স্বরূপ সেই দিকটি লক্ষ্য রেখে সম্পাদক প্রচ্ছদে শালগাছের নীচে কুড়মী সমাজের পূজার চিত্র তুলে ধরেছেন। এছাড়াও কুড়মীদের মন-বিশ্বাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা রয়েছে বইটিতে।যেহেতু প্রকৃতি তাদের ধারক ও বাহক তাই নির্দিষ্ট দিনে শ্রদ্ধা করতেই কুড়মীরা জাহিরামাতার পুজা করেন; যে কথা বইটির ছত্রে ছত্রে বিভিন্নভাবে এসেছে। 

বইটিতে কুড়মালী ভাষায় প্রবন্ধ, গল্প,  কবিতা ও গান রয়েছে ।

 বইটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষণার কাজে এবং ভাষা ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে অসামান্য অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।বইটির কুথামুখ লিখেছেন এনথ্রোপলোজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়ার আধিকারিক ড. নবকুমার দুয়ারী মহাশয়।তিনিও প্রচুর অজানা তথ্যকে তুলে ধরেছেন। বইটির প্রধান বিশেষত্ব হল- কুড়মী ভাষায় কবিতা, গল্পের পাশাপাশি কুড়মী সমাজের ঘরবাড়ি থেকে শুরু করে বিবাহ,পোশাক-পরিচ্ছদ,জন্ম-মৃত্যু,ধর্ম প্রভৃতি পারিবারিক ও সামাজিক দিক প্রাঞ্জল ভাষায় প্রস্ফুটিত হয়েছে। বইটি বর্তমান কুড়মী সমাজের কাছে সমসাময়িক ও অতীতের একটি ‘হ্যাণ্ডবুক’ হিসাবে  বিবেচিত হবে বলে আমার ধরনা ।

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...