ভজন দত্ত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভজন দত্ত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চারণকবি বৈদ্যনাথ স্মরণে || ভজন দত্ত || কবিতা

০৩/০৯/২০২০ চারণকবি বৈদ্যনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৮৮তম জন্মদিবস উপলক্ষে কবিতাটি রচিত। 

চারণকবি বৈদ্যনাথ স্মরণে
ভজন দত্ত


পূর্ব থেকে পশ্চিমে শহরের মাঝপথে
লাল আলখাল্লা পরে তিনি কি আজও হাঁটছেন!
মাচানতলার মসজিদ থেকে ভেসে আসা আজানে কি জানা যায়,শরীরে তার অজস্র পেরেক!

অথচ, এখনো দেওয়ালে দু'ইঞ্চির পেরেক পুতলে
কী সাবলীলভাবে ঈশ্বর ঝুলে থাকে!
হৃদয়ের গভীর ক্ষত থেকে চুঁইয়ে পড়া রক্ত দিয়ে তিনি লিখতে চেয়েছিলেন,

"খোঁজো
নীলকণ্ঠ পাখি খোঁজো
অচিন পাখিকে খোঁজো
নিজের ভেতরে নিজে খোঁজো
সহজিয়া বাউলের মরমীয়া ভাষা
জীবন জিজ্ঞাসা।"

জিজ্ঞাসার উত্তরে মিছিলে মিছিলে রক্তপতাকা হাতে নিয়ে তিনি ছন্দে ছন্দে বলেছিলেন
 "ইনকিলাব জিন্দাবাদ"।
বুকের ভেতর অথৈ সাগর উথাল-পাতাল ঢেউ
গানের ভেতর দুখ জাগানিয়া পাগলাভোলা কেউ!

কবিতাকে ভালোবেসে এমন করে কে আর
আউলবাউল বাতাস দু'হাতের  মুঠোয় নিয়ে
স্বনির্মিত জতুগৃহে পুড়ে গেছে!
কে ছন্দের নূপুর পায়ে বারোমাস
বুকের বাগান জুড়ে কবিতার চাষ,
বাউণ্ডুলে!

ধুলোমাটি গায়ে মেখে কে কবিতার জন্য ফ্রক,চুড়ি,কাঁচপোকার টিপ আনতে গৃহত্যাগী!
কার কাছেই বা কবিতা জগৎজননী-মহারাণী!

তারই পায়ের ছাপে আমরা হাঁটি
জীবনকে তাঁরই শব্দ দিয়ে খুঁজি,
ভালোবেসে শ্রদ্ধায় বলি চারণকবি।

তাঁকে দেখেছি
এ শহরের শিরা উপশিরা ফালাফালা করে
লাল ঝোলা কাঁধে এক উদাসী ফকির

ঝাকড়া চুল ও অগোছালো দাড়ির
সঙ্গে গুটিগুটি পায়ে কবিতার হাত ধরে
কবিতা এবং ঈশ্বরকে হেঁটে যেতে...

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

মনাঙুল || ভজন দত্ত || কবিতা

মনাঙুল
ভজন দত্ত









.

পড়ন্তি রোদে পুকুরের জল নড়ে
অগণিত খোঁচায় রক্তের দাগে আটকে মনাঙুল
গভীরে স্মৃতিভারে ভারী মোক্ষকাঁটা
ফ্যাকাসে জীবনে সোওয়াদও নেই টুকু

নীরব বসবাসে সেলাই করি রিপু করি
জীবনের সব টুকরো টুকরো জলছবি...

---------

শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০

হিসেবে বেহিসাবি || ভজন দত্ত || কবিতা

৷৷ হিসেবে বেহিসাবি।। 
ভজন দত্ত

X+Y যোগ করলেই কি সাতরংয়ের রংধনুতে উথলে ওঠে  জীবন পাতার হিসেব!

হিসেবে বেহিসাবি হওয়ার এমন কোনো ফর্মুলা নেই যা ঠোঁটস্থ করে প্রেমিকার ঠোঁটের লিপস্টিকে ঠোঁট রাঙিয়ে নেওয়া যায়!

X×Y  কিংবা X×X এর এত জটিলতায় আলট্রা সোনাে গ্রাফের রেখা পড়ে যারা যারা তারাও তো প্রেমিক বা প্রেমিকা!

সংসার কি অসুখী হয় ঐ যোগে বা বিয়োগে নাকি গুণে বা বেগুনে!

আলোকদা আপনাকেই বলি,কানাবেগুন আনা ছাড়া বাজারের কোনো হিসেবই মিললো না...


রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

সীমান্তযুদ্ধ || ভজন দত্ত || কবিতা

সীমান্তযুদ্ধ
ভজন দত্ত


পাপিয়ার সঙ্গে আধঘন্টার আনন্দ সংবাদ
দেখতে দেখতেই অনসূয়া এসে জানালো
ক্ষেপণাস্ত্র যন্ত্র রেডি।

সীমান্তের ঘষাঘষি থেকে আরো আরো গভীরে গিয়ে কে করে কার মোকাবিলা!

চিত্ত সংযত রেখে বাক চালাচালি  করতে করতেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ছিড়েখুঁড়ে যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়ে মুখ থুবড়ে।

উল্লাসে ছিঁড়ে-ফেটে যায় রাষ্ট্রের হাসি
আম-মানুষ দেওয়ালে লেখে শান্তি ভালোবাসি...

ভজন দত্ত

শনিবার, ৬ জুন, ২০২০

অথ জ্যামকথা || ভজন দত্ত || চ্যাটসাহিত্য

অথ জ্যামকথা 
ভজন দত্ত



- আজকাল ভীষণ চুপচাপ হয়ে গ্যাছো দেখছি!

- ও বলা হয়নি তাই না! মৃত আমি।বলো, মৃত কি কথা কয়!শুধু অনুভবে এই বেঁচে থাকা, ছুঁয়ে থাকা।

-  ধ্যাত!যত্তসব বাজে কথা! যাও কথা বলবো না..

- ওহো!তোমাকে বলা হয়নি না! কথাদের কষ্টকথা! চারপাশে শুধু তাদেরই জ্যাম।তুমি তো অন্ধ না!
- কী

 -কথাদের এত এত জ্যামে কথাদের তো ছাড়তেই প্রাণ চায় না! কী হবে, এভাবে কথা সেলাই করে বেঁচে!এই ভালো মরে বেঁচে থাকা।

- আর ভাল্লাগে না! সবেতেই এত ক্যাঁচাল কেন? সোজাসাপ্টা কি কথা বলা যায় না!

-কথায় তো কোনো স্পিন নেই। স্যুইং নেই।কথা তো নদীর জল।

- তোমাকে নিয়ে না...

- চিতার আংরাপোড়াকাঠ হয়ে নিজেই ভাসি সেই জলে। কবে কোন অলস মুহূর্তে পুড়ে গেছে যে জীবন। তার সব পোড়া ক্ষত ও দাগ ছাই জানে...

- উঃ! আবার...

- এই তো সশব্দে বৃষ্টি নামলো খরাবুকে,নয়নে নীরব বাণ।মরে তো গেছি সেই কবেই!সেকথা কেউ আজও জানলো না!যে আমি বেঁচে, সে কবেই মরে হেজে গেছে। তার খবর পৃথিবীর কেউ রাখে না....

Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...