বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

পূরবী (২) || অভিজিৎ চৌধুরী || ধারাবাহিক উপন্যাস

পূরবী
(২)
অভিজিৎ চৌধুরী


নিজেরই অজান্তে মানুষ কি বেশী চাওয়াতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে! যদি হয় তবে সেই বিবর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।এমনটাই লিখতে গিয়েও সবটা লিখলেন না রবীন্দ্রনাথ।
নোবেল পুরস্কার একটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি।তা আবার আনুগত্য দাবী করে।১৯১৯ এ নাইট উপাধি ত্যাগ যেন এই প্রতিষঠানকে বলা,তুমি আমায় কিনে নাওনি! জালিয়ানাবাগের বেদনা তো ছিলই।
রবীন্দ্রনাথ হেসে বললেন,কি মনে হয়!
রানু বলল,এটা কি তোমার নিজের ছবি!
কেমন!
চেনা যায় না।
একদম অন্যরকম।
স্মিত হাসলেন রবীন্দ্রনাথ। এই খোঁজাটার তাগিদ কে দিলো,বুঝতে পারছেন না কিন্তু ছবি এরকম নিয়তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে যে।
ভয় করে!
বললাম, কি খবর,ভাগ্নের!
সকালে পরিযায়ীদের পাঠিয়ে অমিতকে ফোন করলাম।
সে বলল, ভাগ্নে নয়,আমার কাকার ছেলে।ভালো নেই।
মনে পড়ল অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে রেলযাত্রী রবীন্দ্রনাথ। কেউ নেই সেদিন।একা,কোলে শুয়ে রয়েছে মেয়ে।জ্বর কমছে না।
অমিতের কাকাও গেছে নির্বান্ধব শহরে।

বুকে একটা ব্যথা অনুভব করলাম।করোনার নয়।শ্বাসকষ্টও।মনুষ্যত্ব হারানো মানুষ নিজে বাঁচতে চাইছে কেবল।

রানি চলে গেছে কোন ফাঁকে। ছুটির কথা মনে পড়ল।নিজেই একা হাসলেন।ছুটি খুব বকতো আবার সেই ছিল খেয়াল রাখার মানুষ।

ছুটি যেদিন চলে গেলো,জোড়াসাঁকোর লাল বাড়ি থেকে প্রায় নিঃশব্দে।রথী বা মেয়েদের ধারে কাছে আসতে দেননি।ছুটির জুতোজোড়া পরে রথীকে দিয়ে বলেছিলেন,তোমার মায়ের স্মৃতি।অভিমানে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে।রবীন্দ্রনাথ নিজেকে সংযত রেখেছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Student Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...