মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০

সৌমিত্র রায়-এর জন্য গদ্য প্রভাত চৌধুরী

সৌমিত্র রায়-এর জন্য গদ্য
প্রভাত চৌধুরী

৩১.
গতকালের লেখাতে একটি দীর্ঘ নামের তালিকা ছিল। অনেকেই প্রশ্ন করত পারেন, নামের তালিকাটি কি এই লেখাটির ক্ষেত্রে অপরিহার্য ছিল।আমার উত্তর হল : অবশ্যই অপরিহার্য ছিল , অনিবার্য ছিল।
এই নামগুলি -কে আমি যদি কেবলমাত্র নাম রূপে গণ্য করতাম, তাহলে নাম ছাপার কোনো প্রয়োজন ছিল না। একটা সংখ্যা লিখে দিলেই অঙ্ক মিলে যেত । আমি এই নামগুলির মধ্যে দেখতে পেয়েছি ' অনুপ্রেরণা ' নামক একটি শব্দ। এই নামের মহামানবেরা আমাকে হাত ধরে পথ চিনিয়ে নিয়ে গেছে। এদের সমবেত অঙ্গীকারের যোগফল কবিতাপাক্ষিক।আর একটি যোগফল প্রভাত চৌধুরী।
আরো স্পষ্ট করে বললে বলতে হয়-- প্রলয় মুখোপাধ্যায় ভূদেব কর বিদ্যুৎ পরামাণিক চঞ্চল দুবে- দের বাদ দিয়ে যেমন কবিতাপাক্ষিক হয় না , ঠিক তেমনি এদের বাদ দিলে প্রভাত চৌধুরীও বাদের তালিকায় চলে যাবে। এখন যে চারজনের নাম উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলাম , সেটা গতকালের সমস্ত নামগুলির প্রতিনিধি মাত্র।
আমরা সেপ্টেম্বর1994- এ একটা আবেদনপত্র প্রকাশ করেছিলাম।বিষয় : কেন আলোক সরকার , কেন কাব্যসংগ্রহ। সেই আবেদনপত্রটিতে যে নামগুলি ছিল , সেগুলিও আপনাদের বা আজকের পাঠকের জানানোটা কর্তব্য মনে করছি। ভবদীয়-র নীচের নামগুলি :
উৎপলকুমার বসু পবিত্র মুখোপাধ্যায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় দেবদাস আচার্য সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায় জয় গোস্বামী প্রমোদ বসু সমীরণ মজুমদার সুব্রত রুদ্র মৃদুল দাশগুপ্ত সুজিত সরকার গৌতম ঘোষদস্তিদার রাজকল্যাণ চেল নির্মল হালদার শ্যামলবরণ সাহা রফিক উল ইসলাম রবীন্দু বিশ্বাস কাননকুমার ভৌমিক শান্তিময় মুখোপাধ্যায় প্রভাত চৌধুরী।
এখানেও সেই দীর্ঘ তালিকা। এই নামের তালিকার ওপর ভরসা করে আলোক সরকার-এর কাব্যসামগ্র প্রকাশ করার পরিকল্পনা করেছিলাম , এটা ঠিক কথা নয়। আমি চেয়েছিলাম এই মহৎ কাজটির সঙ্গে এঁদের নামগুলি যুক্ত  থাকা আবশ্যক। সেই নামগুলির মধ্যে বা আবেদনকারীদের মধ্যে এমন একজন ছিলেন যিনি পঞ্চাশ টাকা দিয়েও প্রকাশনার পাশে দাঁড়াননি। কিন্তু তাঁর সমর্থনের জন্য সারারাতের ট্রেনযাত্রা করে পৌঁছে গিয়েছিলাম দূরবর্তী জেলাশহরে।
এসব কথা মনে রেখেছিলাম এতদিন। এদের আলোক সরকারের প্রতি কোনো দায়দায়িত্ব ছিল না। নিজেরা প্রতিষ্ঠানবিরোধী এটা প্রমাণের জন্য আলোক সরকারের অনুগামী ছিলেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জয় গোস্বামী আলোক সরকারের কবিতার ধারাবাহিক পাঠের যে ঐতিহ্য বহন করত ,তার ধারে কাছে পৌঁছনোও অসাধ্য ছিল দূরবর্তী জেলার ওই কবিতালেখকের । প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাও একটা নতুন ফ্যাশন ছিল সেসময়। পাত্তা না পেয়ে বিরোধিতা ।
আমি একদা একটি প্রতিষ্ঠানের পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলাম। আমি জানি কী কঠোর পরিশ্রম এবং অনুশীলনের মধ্য দিয়ে হাঁটতে জানতে হয় ! হাঁটার কৌশল রপ্ত করতে হয়।
অন্য কোনো কৌশলের কথা আগামীকাল

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৩/৭ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 23/7 Debjani Basu

  আটপৌরে কবিতাগুচ্ছ ~ ২৩/৭ || "আই-যুগ"-এর কবিতা দেবযানী বসু || Atpoure poems 23/7 Debjani Basu   আটপৌরে ২৩/৭ ১. গোপালভাঁড় বলেছিল ...