শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য ১৯৪ || প্রভাত চৌধুরী || ধারাবাহিক গদ্য

সৌমিত্র রায় - এর জন্য গদ্য

প্রভাত চৌধুরী



১৯৪.

এখনো নাসের হোসেন -এর লেখা থেকে তুলে নেবার কাজ জারি আছে। আজই শেষ । আগামীকাল থেকে শুরু হবে আপনকথা লেখার কাজ। 

সাবহেডিং-এ নাসের লিখেছিল :

□ কবিতাউৎসবের বিকেল , পরদিন সকাল এবং অমিতাভ মৈত্র


উৎসবের শেষের দিকে ঈশ্বর ত্রিপাঠি অনেককেই তাঁর গাড়িতে করে বেলিয়াতোড়ে পৌঁছে দিয়েছিলেন । দেবাশিস ভট্টাচার্য ও তার কন্যা পিউ ( দেবপ্রিয়া ) এসেছিল দূরদর্শন শান্তিনিকেতনের গাড়িতে। ফেরার সময় ওদের গাড়িতে গেল রুদ্র কিংশুক । উৎসবের দিন সকাল ১০টার দিকে একসঙ্গে এসেছিল রুদ্র আর সজল দে। উৎসবের দিন সুমো-তে ফিরে গেলেন শঙ্খ ঘোষ প্রদীপ ঘোষ নাসের শুভাশিস শান্তনু  গৌরাঙ্গ বিশাল এবং নমিতা। আসার সময় ছিল মুরারি ও অপূর্ব , এবার তারা এ গাড়িতে নয়।এ গাড়িতে নতুন দু-জন, শান্তনু আর নমিতা।

১৫ তারিখে রাত্রে থেকে গেলেন দীপংকর ঘোষ তাপসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ভগবাহাদুর সিং নিখিলকুমার সরকার সমরেন্দ্র রায় রিমি দে সৌমিত্র রায় মুরারি সিংহ । রিমি দে রাত্রে শুয়েছিল আমাদের বাড়িতে ।বাকিরা সকলেই কলেজে।

১৬ তারিখ ভোর সাড়ে চারটায় কাটোয়ার তিনজনকে এবং বর্ধমানের মুরারিকে বাসে তুলতে গিয়েছিলাম আমি। ফিরে এসে বাড়িতে মুড়ি খেয়ে নিখিল সমরমাস্টার আর সৌমিত্রকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম সকাল ৮টা নাগাদ , ওদের বাসে তুলে দিতে বেলেতোড় গিয়েছিলাম। 

ওইদিন সকাল ১১টা নাগাদ এসেছিল অমিতাভ মৈত্র, কবিতাচর্চাকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর ও মাদল দ্যাখার জন্য ।অমিতাভ-কে ভাতের শেষপাতে আচার দিয়েছিল আমার মেজবোন শুভ্রা। ছোটো শিশিতে আচারের নমুনাও দিয়েছিল নিয়ে যাবার জন্য। অমিতাভ জানিয়েছিল সেও ঘাটালে অনেক রকম আচার বানিয়েছে। তবে  শুধুমাত্র সেই আচারের স্বাদ গ্রহণ করতেই ঘাটাল গিয়েছিলাম কিনা সেটা মনে করতে পারছি না। তবে অমিতাভ ঘাটালে থাকাকালীন বেশ কয়েকবার ঘাটাল গেছি , এটা মনে আছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অবহেলা || দীপক মজুমদার || অন্যান্য কবিতা

অবহেলা দীপক মজুমদার আর গোপন রাখব না আমাদের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত।  শব্দের খাঁজে লুকানো গোলাপের উষ্ণতা। ঝাউবনের নির্জনতায় জৌলুস সম্পৃক্তি। প্রি...