গোপেশ দে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গোপেশ দে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

দুঃখ কবির বন্ধু । গোপেশ দে । বাংলা - ৬২৪ । ২০-০৯-২০১৮

দুঃখ কবির বন্ধু
গোপেশ দে

দুঃখ কবির বন্ধু
কেননা দুঃখকে আশ্রয় করেই কবির
বেড়ে ওঠা
কবি দুঃখ না পেলে লিখবে টা কি
শুনি ?
পৃথিবীর গাছে গাছে কত ফুল ফোটে
সাগর মহাসাগরের নীল ফেনা কতটা
সুতিব্র
হয়
সপ্তাশ্চর্য ক্রমে ক্রমে তৈরি হওয়ার
পর ও
কত আশ্চর্য থেকে যায়
কবির বুকে সাতটা মহাসাগরের গর্জন
সর্বদাই ওঠা নামা করে
কত ফুল ফোটে আর লিখে রাখে মলিন
খাতার
পান্ডুলিপি
তার বলার অবকাশ রাখেনা
কবির বিষন্ন চেহারা খুঁজে মরে
সভ্যতার পূঁজ
পৃথিবীর পিরামিডগুলোর ভিতরে
গোলাপ
তারাই ফোটাতে জানে
হলুদ পিচুটি মাখা পথের
শিশুটি সবাইকে ফাঁকি দিলেও
কবিকে দিতে পারেনা
তার অন্তঃচক্ষু গিলে ফেলে হলুদ
পিচুটি
আর সোনার হরফে লেখা থাকে
কবিতা
হ্যালুশিনেশন কি কবির বড় বন্ধু ?
সিজোফ্রেনিয়া ?
কিংবা তিনি কি এস্কেপিস্ট ?
পেসিমিস্ট ?
ওপটিমিস্ট ?
দুঃখই কবির বড় বন্ধু
#

বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মন শুধু উদাসী বাউল । গোপেশ দে । বাংলা-৬২৩ । ১৯-০৯-২০১৮

মন শুধু উদাসী বাউল
 গোপেশ দে

সময়ের ডানামেলা সন্ধ্যায়
পথের মাঝে পড়ে থাকা কোনো স্মৃতি
তুলতে গিয়ে কেঁদে উঠে মন।
চোখের সড়ক দিয়ে
জলের রেলগাড়ি
নেমে আসে রোমন্থনের ক্লাইম্যাক্স ভেসে।
আমি শুধু প্রতীক্ষায় রত
উদাসী হাওয়ারা সব ট্রামে চেপে
আগন্তুক ভেবে
আমার শরীরে লাগিয়ে দিক
আলতো করে।
ট্রামে বসে জানালার পাশে
বসলেই মন শুধু উদাসী বাউল



সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কাঁচকলা খাও গোপেশ দে । বাংলা-৬২১ । ১৭-০৯-২০১৮

কাঁচকলা খাও
গোপেশ দে

চলছে ভালোই
মেজাজ চড়া-
মাথায় ওঠা ফারেনহাইট
উষ্ণ তপ্ত রোদের মত।
রোদের ঘরে আমার আবাস
সুবাস ছড়ায় জানলা জুড়ে
দুখের সুবাস বেজায় কড়া
ভোম্বল বাবু ক্যাবলা কবি
মেজাজ দেখায় মেল্যানকোলির
মফস্বলের পিঠে ফোঁড়া
ঘুমের ঘরে একলা যখন।
তোমার রাগটা ফুলন দেবীর
মাপ চাওয়াটাও অভিনয় হয়
অভিমানের স্টেজেতে।
আমার মনটা বেজায় কালো
ভোম্বল বাবু ক্যাবলা ছবি
কাঁচকলা খাও ভেড়া হয়ে।


রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আমি ভুলে যাই । গোপেশ দে । বাংলা - ৬২০ । ১৬-০৯-২০১৮


আমি ভুলে যাই 
গোপেশ দে

যখন এসেছে বসন্ত আমার উঠোনে
আষাঢ়ের ঢল তবুও আমার চোখে
চোখের 'পরে নীলরঙা রোদচশমা
চড়ুই পাখির বাসা খোঁজে
চড়ুইভাতির রোমন্থনে
চৈত্রের খরাটা বোঝাতে দেয়না।
তবুও চোখে আষাঢ় ঢল অবেলায়
ক্ষণে প্রতিক্ষণে দূরছাই!
তুই কি এখনও রেনি পার্কের ধারে
সঙ্গে কোনো মাতাল ঋত্বিক?
মাতাল তো এই আমি আছি
দেখ চেয়ে
আষাঢ়ের ঢল আমার উঠোন জুড়ে
আর চোখের তারায় মাতলামো
একলা থাকার অভিনয় যে হচ্ছেনা জুতসই।
ঘুমের ভেতরে দু দুগুণে চার
অন্ধকারে শরীরের সন্ধানে মন
ভুলে থাকাটা যে বড় দরকার।

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ফুটপাতের পতঙ্গ । গোপেশ দে । বাংলা - ৬১৯ । ১৫-০৯-২০১৮ ।

ফুটপাতের পতঙ্গ
গোপেশ দে

শাঁ শাঁ গাড়ির শব্দে এলোমেলো মাথার
কার্যকলাপ।
শরীরের ভেতরে যন্ত্রণার অবগাহনে লোমকূপ দাঁড়াতে ভুলে না।
দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে থাকে....
ছুঁচোর ডন জঠরের মধ্যে।
জীবনের ম্যাজিক সময় ওদের হাতের তালুতে।
রাত নেমে তাঁরা আলো হয়ে মিটমিট জ্বলে,
চাঁদের ডিউটি চলে কবিদের সাথে,প্রেমিকের ন্যাকা কথা সেলফোন সঙ্গী হয়ে জোৎস্নার ডিএনএ মেখে ডিম্বাণু উত্তপ্ত করে চলে....
সব চলে।
হ্যান্ডিক্যাপড অসার দেহের সংসার বঞ্চিত
পতঙ্গের কান্নায় সাহস জোগানোর ডিউটি আসেনা।
ওখানেতে কাব্যচর্চায় জাগ্রত চাঁদ, উঠোন জুড়ে চাঁদের কবিতার রেশন ভাগ করে খায়
আয়েশী আবেগী টোনাটুনি কিংবা টম এন্ড জেরি
আর কিছু অন্যধরনের পতঙ্গের কংকাল ফুটপাতে ভেংচি কাটে,
বসে চাটে মাটি,
কুকুরের সাথে রুটি ভাগ।
জিহ্বায় রসনাবিদ্বেষী ক্ষিধে।
কাব্যচর্চা চলেনা এখানে
জীবনটাই তো নস্টালজিক মিছে আশা,ড্রিল মেশিনের ফুটো শরীরে।
অন্য এক জীবনের শরবত খায় তারা
ফুটপাতসঙ্গী পায়
জীবনমুখী শিল্পীরা গান গায়।
পুরুষাঙ্গ নিষ্পাপ তবু
আকাশের পানে চেয়ে থাকে।

শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কিছু সময়ে কিছু ভাবনার স্কেচ - গোপেশ দে । বাংলা - ৬১৮ । ১৪-০৯-২০১৮

কিছু সময়ে কিছু ভাবনার স্কেচ
গোপেশ দে


সময় পেলেই খাতায় আঁকিবুঁকি করি
ইট কাঠ কংক্রিটের এই সবুজবিহীন
পান্ডুর শহরে।
দু'চারটে ঘাস লতাপাতার প্রকাশ
রাখি-
বেমানান হয়ে যায় ছবিগুলো।
স্কেচগুলোতে প্রাণের সঞ্চার করতে
পারিনা।
কেননা আমিতো শিল্পী নই যে-
স্কেচে ফুটিয়ে তুলবো জুতসই রঙের
বাহার
তবে মনের স্কেচে থাকে কিছু ছবি
নিয়ন আলোর নিচে-
শুকনো থালায় ঝনঝন পয়সার করুণ বানী
কোনো এক উলঙ্গ শিশুর এঁটো হাত
পচা খাবারের গন্ধময় সে হাত।
কোনো এক পতিতার করুণ চাহনি
আড়ালে আবডালে পার্কে কিংবা
গাছের ছায়ায় ছায়াসঙ্গী হয়ে
থাকা
খদ্দেরের আশায় বাঁচার তাগিদে।
মনের স্কেচগুলো মনের ভেতর থেকে
উঁকি মারে মধ্যরাতে।
চোখের সামনে সাদাকালো তার রূপ
খাতায় দিতে পারিনা
কেননা আমি তো জুতসই শিল্পী নই
সভ্যতার ভেতর সভ্যতার পূঁজ খুঁজতে
গিয়ে
নিজেকে অসহায় মনে হয়
পূঁজগুলোতো আমাদেরই সৃষ্টি।
আমাদেরই মত কিছু মানুষ কারিগর
হয় পূঁজ তৈরিতে।
সভ্যতার এই দৃষ্টিগুলো বড়ই অসভ্য।


বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

হাসি কান্নার আসর - গোপেশ দে । বাংলা -৬১৭ । ১৩-০৯-২০১৮


হাসি কান্নার আসর
 গোপেশ দে

গভীর রাত্রে ঘুম ভেঙে যায়
ট্রেনের হুইসেলে
স্টেশনটা বড্ড কাছে তাই
আকাশ হাসছে চাঁদের বুড়ির
মিষ্টি ভালবাসা
উঠোন জুড়ে প্রেমের উপাখ্যান।
একলা জাগরণে ঘরের বাইরে পায়ের
ধ্বনি
সিগ্রেট টাই সঙ্গী হলো বেশ
নস্টালজিয়া ভালোবাসায় 
পাতার ফাঁকে
চাঁদের বুড়ির ঝলমলে আলো।
মেঘের সাথে হাইড এন্ড সিক গেম
বুকের মধ্যে যেমনটা মোর সূর
হয়েছিলো চড়ুই পাখির সাথে
পারদচড়া দুপুরবেলায় বুঝি!
মেঘের সাথে গেমটা চলে
ফ্ল্যাশব্যাকটা আর খুলে
মগজ থেকে ধোলাই করি
হাসি কান্নার আসর।

বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

নিয়ন আলোয় স্নান - গোপেশ দে । বাংলা -৬১৬ । ১২-০৯-২০১৮

নিয়ন আলোয় স্নান
গোপেশ দে


আমি একগ্লাস নিয়নের আলো খেতে
চাই
এখানে প্রতিটি রাস্তার মলাট
নিয়নের ভালবাসায় মুগ্ধ।
ঝলসিত হয়ে যায় প্রতিটি
রাতবিরেতে হাঁটা-
অগুনতি পথিকগুলো আর স্থির
ঝাউগাছগুলো
বেশ ভাল অতি মনোরম এই দৃশ্যে সব
ঢাকা পড়ে।
নিজেকে বড়ই অচেনা লাগে এই নিয়ন
আলোয় স্নান করে।
সবার লাগে কি!
লাগে হয়তবা।
এখানে সুপ্ত মনগুলো
লুপ্ত হয়ে থাকে
এখানে সেখানে
কালিঝুলিমাখা কোনো
আস্তিন আদলে
ফুটপাতে
রাস্তাবাসী,পঙ্গপাল,বাউন্ডুলেদের।
রাত্রিবেলা নিয়নের ধোঁয়ার
নিকটে
হেঁটে গেলে
বেসুরো গলায় গীটারের গান আসে
জীবনমুখী মনোরম।
আর....
ঘরমুখো মানুষের পায়ের শব্দ নিতে
নিতে আমার ভেতরে
কত স্বপ্ন উঁকি দেয়!
স্বপ্ন দেখে যাই আমি একা একা
এই পথিক নীরবে
তিনশ বছরের ধূলি ধূসরিত এই
সিমেন্টের জঙ্গলে।


Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...