ছড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

বৈশাখী ছড়া || বিচিত্র কুমার

বৈশাখী ছড়া

বিচিত্র কুমার




(০১)

বৈশাখ এসেছে


আমার বাউল মন গান গেয়ে যায়
একতারা সুর হাতে,
আঁধার কেটে আসবে সুদিন
নতুন প্রভাতে।

তোরা সব শাঁক শঙ্খ বাজা
উলুর জোগাড় দে,
নতুন রঙে রাঙিয়ে আজ
বৈশাখ এসেছে।

(০২)
এলে বৈশাখ


রঙে ঢঙে সাজে খুকু
এলে বৈশাখ,
বুলবুলিরা গান গায়
বাজে ঢোল বাজে শাঁক।

আলতা ফিতা চুরি পড়ে
খুকু রঙিন শাড়ি
উৎসবতে ভরে উঠে
সবার যেন বাড়ি।

বানরেরা নাচে বনে
গাছের ডালে ডালে,
দোয়েল টিয়া ময়না শ্যামা
উড়ে পাখনা মেলে।

মৌমাছিরা রঙ মেখে
পড়ে ফুলে ফুলে,
প্রজাপতি নিত্য করে
নাচে আর দোলে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০

ছড়া || বিপদ বুঝেছে করোনাও || সৌমিত্র রায়


  • বিপদ বুঝেছে করোনাও

সৌমিত্র রায়


করোনা কয় হায় রে !
মানুষেরই সঙ্গ দোষে
স্বভাব যে হারাই রে !
           |
বাদুড় ছিলো, রাতচরা !
স্বভাবটি তার যায় ধরা !
মানুষে সব ঘেঁটে যে 'ঘ'
কেমনে শুধরাই রে !
          |
করোনা কয় হায় রে !
বিদঘুটে এই মানুষ থেকে
কী করে পালাই রে....?

|| শান্তি ||

বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০

ছড়া || রক্ষাকবচ কাশীনাথ সাহা

রক্ষাকবচ
কাশীনাথ সাহা

ঘরের থেকে বেরিয়ে ছিলাম জরুরী এক কাজে
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত বারোটা বাজে।
একা একাই পথ হাঁটছি নদীর ধারে ধারে
নির্জন পথে আর কেউ নেই সবাই ঘুমের ঘোরে।
চারিদিকে আর কেউ নেই  জনমানব শূন্য
আমিই শুধু একলা পথে জরুরী কাজের জন্য।
কিছুটা পথ যাওয়ার পরে অবাক কান্ড একী
ঝোপের পাশে ঘোমটা পরা শাঁকচুন্নি দেখি।
আমাকে দেখে শাঁকচুন্নির ফোকলা মুখে হাসি
বলল, তুই কবিতা লিখিস তোর নাম তো কাশী?
আজগুবি তোর কবিতা পড়েই আমার এমন দশা
ঘাড় মটকে খাবো তোকে দিয়ে পেঁয়াজ শশা।
করজোড়ে বলি থামো শাঁকচুন্নি দিদি
দুঃখের কথা বলছি তোমায় একটু শোন যদি।
হাঁচি-কাশি হচ্ছে ভীষণ সাথে আছে জ্বর।
শাঁকচুন্নি লাফিয়ে বলে তাহলে তুই সর।
না না বাবা ছোঁবনা তোকে ছোঁয়াচে রোগ ভারি
চারিদিকে এখন শুনি চলছে মহামারী,
বহুদিন খাইনি মানুষ, ইচ্ছে ছিল তাই
কবি মানুষের ঘাড় মটকে কবির রক্ত খাই।
কিন্তু তোকে ছোঁয়াও নিষেধ, পালিয়ে নিজেই বাঁচি
রক্ষা পেয়ে তখন  আমি জোরসে দিলাম হাঁচি৷




রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ছড়া ৷ সৌমিত্র রায় ৷ বাংলা ৷ ১৬-০৯-২০১৮


আলো ডাকে
....................
সৌমিত্র রায়

আলো ডাকে ;  তাই  ডাকে  ; পাখি ;
ওগো কবি ; খোলো খোলো ; আঁখি ;

দাও কথা ; সুর দাও ;
ভাবের গানেতে ;
কী বা যায় ; কী বা আসে ;
কী তার মানেতে ;

পথ খোলা ; পা মেলাও ; হাঁটো ;
পেয়ে যাবে ;  হৃদয়ের ;  মাঠও ;

'আলো' নিয়ে অবিরাম  খেলা ;
তারে খোঁজো ;
তারে বোঝো ;
তিনি আজ ; ভীষণ একেলা ॥

১৬-০৯-২০১৮ ; কলকাতা ; ভোর ৫টা ৪৮ মিনিট


শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আরো একটি আড্ডার কবিতা ৷ বাংলা ৷ ১৪-০৯-২০১৮

আরো একটি আড্ডার কবিতা
.............................................
সৌমিত্র রায়

কীভাবে দেখছো স্রোত,
কতটা বুঝেছো তুমি
উজানের মানে !

পুকুরের সরু নালা
বর্ষার ইতিহাস
লিখে নিতে জানে ৷

জল থাকে, জলেরই চরিতে
তুমি শুধু তারে বুঝে নিতে
চোখ নয়
যেতে চাও বন্যার স্নানে ৷

উজান তো দূর কথা,
সাঁতারও বোঝোনি তাই
যাও ভেসে
হড়কার বানে !

৭ টা ৩১; পঞ্চুরচক; ১৭-০৮-২০১৮ ৷৷ শান্তি ৷৷

রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ছড়া, সৌমিত্র রায়

সুবোধ প্যাসেঞ্জার আর এঁচড়ে পাকা কবি
..................................................
সৌমিত্র রায় 

(সতর্কীকরণ:~
শিশু এবং বয়স্করা এই ছড়াটি পড়বেন না;
খামোখা যদি পড়েও ফেলেন,
আশুত গাছে চড়বেন না ৷)


পৌঁছে গেছি
সাঁতরাগাছি
সময় এগারো তেরো ৷

কবি এবার 
আরামখানায়
জিরিয়ে নিতে পারো !!

কী উদ্ভট সময় রে ভাই,
ভেতর ভেতর কোঁকাই ! 
ট্রেন ও বাসে 
এ ওর পাশে 
বগল তোলে, শুঁকায় ?

হা হা হা হা....
বিজ্ঞাপনের সুগন্ধীটা 
মনে পড়ছে না ?

কারো আবার এমনি রকম ঘুম,
সিট মিলতেই 
ওমনি বসে 
শুরু ঢুলার ধুম !

টপাস করে পড়লো খসে লালা,
দু-চোখ বোজা, হাঁ-মুখ যেন একেক খানি জালা...

হা হা হা হা...
ছেলেবেলার লালাপোষটি
গলায় বাঁধো না !

সুযোগ পেলেই ঝগড়া করে এ ও,
কথার গুঁতোই একে অন্যে লুটিয়ে দেবে দেহ

হা হা হা হা...
ঝগড়াগুলোর ধরন ধারণ
মাত্রা মানে না

আমার মতো মুখপোড়ারা মুচকি মুচকি হাসি,
যেখানে যাই, যাতায়াতে হাসিই ভালোবাসি ৷

বলবে হয়তো, তুমিও তো ভাই 
হাসতে হাসতে ঘামো;
দুনিয়াজুড়েই আছে নাকি 
ঘামাঘামির ব্যামো !

কাস্তে খানাও ঘামে,
আমার গাড়ি 
ইচ্ছে হলেই
সেথায় গিয়ে থামে ৷

ক্ষেতের পাশে বসি,
অনন্ত এই যাত্রাপথে ঘামের হিসেব কষি ৷

যখন আমি কলকাতাতে আসি,
হাসির খোঁজেই ব্যস্ত হাজার
সবাই তবু ভীষণ ব্যাজার
কেউ কি দেখে, আমি-ই কেমন 
না-কারণেই হাসি ৷

নিজেই নিজের পিঠ চাপড়াই,
সুযোগমতো যুক্তি সাজাই,
নিজে নিজেই উৎসাহ দিই~
চলুক হাসাহাসি !

কী উদ্ভট কবি রে ভাই,
হাসতে হাসতে কোঁকাই,
না আছে ভূত, না ভাবীকাল....
থেকে গেলাম বোকাই ?

৷৷ আনন্দ ৷৷


০৪-০৮-২০১৮, সাঁতরাগাছি 



শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

করছো টা কী , ধরবে নাকি ৷ ছড়া ৷ বাংলা-৬০৫ ৷ ০১-০৯-২০১৮

করছো টা কী , ধরবে নাকি
........................................
সৌমিত্র রায়

ধরতে এলেই ; ফসকে যাবো ;
হয়তো পাখি ; নয় জোনাকী ;

খাম-খেয়ালেই ~ উড়বো

আনন্দে গান ~ জুড়বো
জ্বলবো আলো ~ টিম টিম

খেয়ালী বর্ষা ~ রিম ঝিম

খেয়ালখুশি, ঝরবো , ইচ্ছেমতন,
যেখানে খুশি, যখন-তখন,

ধরতে এলেই ! পালিয়ে যাবো !
করছো টা কী ? ধরবে নাকি  ?

ধরার আগেই,
পালিয়ে যাবো,

ধরলেও~ ঠিক ফসকে যাবো~
ফসকে যাবো !
ফসকে যাবো !

হা হা হা....
৷৷ আনন্দ ৷৷
মেদিনীপুর ; ০১-০৯-২০১৮

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮

শ্রদ্ধাঞ্জলি~ অটলবিহারী বাজপেয়ী | বাংলা ৷ আই-সোসাইটি ৫৯০ ৷ ১৭-০৮-২০১৮

ছড়ার ছন্দে দেহান্তরিত কবি অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

কবির স্বপ্নে, ভারত উদয়
......................................
সৌমিত্র রায়

কবির স্বপ্নে
নব উথ্থ্বান
ভারত উদয় সত্য ৷

রাজনীতিরও
উর্দ্ধে কবি
উর্দ্ধে শুদ্ধ চিত্ত !

বাংলাদেশের
মুক্তিযুদ্ধে
ইন্দিরাও যে "দূর্গা" ৷

"রাজধর্ম"-এর
অটল বাণী
সদা~ পর ও পূর্বা ৷

ভারত আজও
শ্রেষ্ঠ জীবন
শ্রেষ্ঠ পন্থা খুঁজে ৷

রূপান্তরের
ভিত্তি দেখো
সোনালী চতুর্ভূর্জে ৷

নদীর সাথে
নদী মিলুক  ৷
শহর মিলুক শহরে ৷

পথ পথিকের
আলাপ চলুক
বিঘ্নবিনা  প্রহরে  ৷

প্রধানমন্ত্রী
গ্রামীণ সড়ক
রাস্তা মিলে রাস্তাতে ৷

মোবাইলের
মহামিলন
অটল কবির আস্থাতে !

বিশ্ব খোঁজে
উন্নয়নের
এক সুর এক মত ৷

যোগাযোগের
সূত্র যোগে
মহা যোগ-ই পথ ৷

এক দল যাই
আরেক আসি
দেশকে সবাই ভালোবাসি ?

অটল বলেন
অটুট রেখো
সব মানুষের মুখের হাসি ৷

৷৷ শান্তি ৷৷




Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...