রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বই আলোচনা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৬০৬ । অষ্টম বর্ষ । ০২ -০৯-২০১৮ । আলোচনায় : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়

পত্রিকা "দহগ্রাস"

বাংলা সাহিত্যে চিরকালই অতিচালাকি ছিলো।কিন্তু, সাময়িকী-কে প্রশ্রয় দিলে ~ একটা স্ট্যান্ড পয়েন্ট এসে পৌঁছাই আমরা।যারা এই সময়কে ধরতে পারছেন না, বলছেন "আঙুরফল টক"।অর্থাৎ, দুর্বোধ্য / অশ্লীল / জটিল, ইত্যাদি ভৌত প্রবচন আমদানি করে ~ বাংলা সাহিত্যের ব্যক্তিগত মালিকানা ও দখলদারিকে কায়েম রাখতে চাইছেন।অতীতেও এসব ছিলো।অতীতেও এসব আমদানির কাউন্টার রিঅ্যাকশন্ ছিলো ~ কখনো দায়িত্ব নিয়ে, কখনো স্রেফ খেয়ালে।বেদ / গীতা / চর্যাপদ / কালিদাস /পয়ার / চন্ডিদাস / মাইকেল / রবীন্দ্রনাথ / জীবনানন্দ / বিনয় / হাংরি / শ্রুতি : ইত্যাদি কতো চাই।এই কাউন্টারকরণের জায়গাটি যেন আবহমান কালের।স্বপ্রকাশের কথা বা স্বআবিষ্কার, যা এই ডিজিটাল সময়ের চরমতম শ্লোগান, আরো উস্কে দিচ্ছে কাউন্টার রিঅ্যাকশন্।যেমন : 'দহগ্রাস' পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যাটি ~ যার প্রচ্ছদেই রয়েছে "কাব্যমার্গ ঢালাইয়ের কবিতা ডোজার" কথাটি।১১জন কবির কবিতায় সমৃদ্ধ সংখ্যা ~ যেন একটি টিম : যারা কবিতার বুলডোজার চালিয়ে কাব্যমুক্তি পুনর্দখলের দাবি জানাচ্ছে
প্রথমেই মলয় রায়চৌধুরী ওপেন করছেন ~ মলয়দাস বাউলের দেহতত্ত্ব (বানানটি যদিও দেহতত্ব আছে)।বর্তমান মধ্যবিত্ত দোগলাপন (দোদুল্যমানতা) : ঘটছে ডোমনী থেকে সাম্রাজ্যবাদের সাফোকেশন্।২য় গোড়াপত্তনকারী হলেন অনুপম মুখোপাধ্যায় ~ রমণডাঙা কবিতাগুচ্ছ নিয়ে।৩য় কবি চয়ন দাশ, বর্ধমানে বাড়ি, প্রমিসিং : কারন, কবিতা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ও দ্বন্দ্ব, তার ভিতর প্রতিনিয়ত।শিরোনাম ~ আরেকটা উত্তল সাঁকোর কবিতা।তার যাপন নিয়ে, নির্ভয়ে তুলছেন অমোঘ বিদ্যুৎের মতো প্রশ্নচিহ্ন।যেনো নিজেকে পুড়িয়ে শুদ্ধতার পরিসর।মৌমিতা মিত্র (চিনতাম না।কিন্তু ইচ্ছে করে, কারন : লেখনীটি খাসা ও সৎ) ~ সোফিয়া লিখেছেন।শুরুতেই রয়েছে, সোফিয়া লরেন নয়, সোফিয়া রোবোটকে নিয়ে।দলদাস, আনুগত্যের পূর্বশর্ত।যান্ত্রিকতার দলদাস হয়ে ওঠা মানুষেরা, যদি ঘুম ভাঙে।পরবর্তী মিডল্ অর্ডার : সুব্রত ঘোষ ~ বিপ্লবী কবিতা নিয়ে।কবির কবিতা নিয়ে আলোচনা করি, এটা এই অধমের কাছে দুঃসাধ্য।তবে, "যৌথ স্বর্গগুলো খোদাই আছে হরি মুদির দোকানে / - রামকিঙ্কর বেইজ টু, ছ্যাকরাগাড়ির রেজোলিউশন" ~ কবিতাটির এটুকুই যথেষ্ট।এবারে দেখা যায়, কৌস্তুভ গাঙ্গু্লীর কবিতা ~ প্রত্ন অর্গান।খননে অভিষিক্ত হোক নবীন শুদ্ধতা, শুদ্ধ সময়।অ্যাডভারটাইজমেন্টে বলা আচ্ছে দিন নয়।"বাস্তুকার পিরামিডকে উল্টে দিলে / আমি এক চতুর্থাংশ দ্বার প্রত্ন খুঁড়েছি" ~ এক অমোঘ সত্যের কথা।এরপর যেন, উইকেটরক্ষক - ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় শুভ আঢ্য, এই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কবি।লিখেছেন ~ অযৌন জনন, কবিতা এবং কিছু অসংলগ্নতা।শক্তি নিত্য, কিন্তু অনিত্য শক্তির প্রয়োগ।শুভ-র দীর্ঘ কবিতায়, কথাটি বড়ো ধারাবাহিক।এবারে যাঁরা আসছেন ~ টেইলএন্ডার নন্, আমরা বলবো বোলার (বোদ্ধারা বলেন : প্রকৃত ম্যাচ উইনার্স)।যেমন, শানু চৌধুরী ~ রুস্তম & সদকা।দুটি কবিতাতেই মনে হয়, অনায়াসে ১৫০ কি.মি. / প্রতি ঘন্টা ~ "ভাঙাঘড়ির স্বর কেটে তুলে নেওয়া / জলের গজল / এইতো তোমার কানন!"।এরপর, রাহুল গাঙ্গুলী ~ মানে এই লেখক : ২টি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক কবিতায়।তারপর, মণিদীপা সেন : ২টি কবিতায় ~ ননসেন্স & একটি পাওয়ার কাট এবং....। "ঋতুমতী হওয়ার আগের কিছুদিন শিবলিঙ্গকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় লাগে কথাটা ভেঙে দেখলেই শিখে নেওয়া সহজ যে চিরসত্যের উক্তি পরিবর্তনে সময়ের কাল"।শেষের কবি শুভম চক্রবর্তী ~ আদিম বিবর গন্ধ।এক বিশেষ দিনকালের সূর্যছায়া যেন।"তোমাকে তুমুল করার পর / চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ি, জানলা খোলা থাকে"

দহগ্রাস স্রেফ বুলডোজারই চালাচ্ছে নয়, খুঁড়ে আনছে ডোমনীর শুদ্ধ সচ্ছতা।শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই গোটা টিম-কে।পরিশেষে সনৎ মাইতির সৃষ্ট প্রচ্ছদকে কুর্ণিশ


রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

বাংলা, নবপর্যায়-৫৯৯, অষ্টম বর্ষ, সংখ্যা-১২, পোস্ট-১, ২৬-০৮-২০১৮, রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত 



হেক্সাম্যাট্রিক্স থেরাপি
----------------------------------------------------------
ঘষাকাচে মনকেমন।কাচপোকা & কাচপাথর
কাচপাহাড় ~ লেগে আছে আণবিক জলছবি
                 < বর্ষা নামছে > < বর্ষা উড়ছে >
           শব্দেরও নৌকোবোধ



শব্দরূপ : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়



শনিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৮

বাংলা, নবপর্যায়-৫৯৮, অষ্টম বর্ষ, সংখ্যা-১১, পোস্ট-১, ২৫-০৮-২০১৮, রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আ

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত 


মাটিরঙের এস্কিমো
----------------------------------------------------------
হাতুড়ে বাতাস ছুটছে।মুখোমুখি জারণ
 ই-দা-নি-ং ]] অনুঘটক [[ দে-ও-য়া-ল
বাষ্পকণারা পোড়ে || বাষ্পখিদে বাড়ায়
চামড়ায় ~ নুলিয়া বুদবুদ < বিলীয়মান >






শুক্রবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৮

বাংলা, নবপর্যায়-৫৯৭, অষ্টম বর্ষ, সংখ্যা-১০, পোস্ট-১, ২৪-০৮-২০১৮, রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত

রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় । ধারাবাহিক কবিতা । প্রকাশিত হবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত 




নিওলিথিক্যাল গোলোক
--------------------------------------------------------------
|| চারাগাছ ||
চার্জারে ঢুকে পড়ছে জীবন
                 ? ____ ? 
চোখ & তড়িৎ।চোখ & তড়িৎ।চোখ & তড়িৎ
                    >><<
তড়িৎচোখ ~ কোষীয় অবয়ব মুছে আগ্নেয়পাথর





রবিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৮

বই আলোচনা । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯২ । অষ্টম বর্ষ ।১৯ -০৮-২০১৮ । আলোচনায় : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়


বই আলোচনা । লোচনায় : রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়


-----------------------------------------------------------
 ব্লেড রানার।কবি - শুভ আঢ্য


কবিতার প্রাথমিক শর্তগুলির মধ্যে সবচেয়ে অপরিহার্য অংশটি হলো প্রকৃত পর্যবেক্ষণ।আর এই সৎ পর্যবেক্ষণের চলার পথে ~ কবি একলা ও নিরাকর।যা হবার নয়, তাই যেনো সত্যি।তাই যেনো কোনো মুহূর্তকালে বাস্তবোচিত।পথ জটিল ~ তবে ভুল বা ঠিকের মাত্রা সময়ের নিরিখে।আর (সময় + পর্যবেক্ষণ), এর সঠিক যৌথ প্রতিফলনই কবি যখন প্রকাশ করেন ~ পাঠকের কাছে কবিতা।কবির কাছে নিজেকে আবিষ্কার।ঠিক এরকমই পথ চলার প্রকাশ নিয়ে তরুণ কবি শুভ আঢ্যর প্রথম বই 'ব্লেড রানার'।নিজের মুহূর্তকালকে যেনো মাইক্রোস্কোপে দেখার আত্মকথন।বইটির প্রচ্ছদটি কবিতাগুলির মতোই গভীর








শুরুতেই পাঠককে উদ্দেশ্য করে কবি বলছেন "সানফ্লাওয়ার থেকে তেল বের করে যে লেখা ও নিজেকে রয়্যাল প্রমাণ করার চক্কর, এক্স-রে ভেদী সে সব দৃষ্টি গচ্ছিত রেখেছি আপনার জন্যই।" দুটি দীর্ঘ কবিতা এবং চারটি কবিতা সিরিজ ~ মোট ছয়টি কবিতা বইটিতে আছে।প্রথম কবিতাটি একটি দীর্ঘ কবিতা (সম্ভাবনাময় একটা দিন থেকে ডুবুরি যা কিছু দেখে), যা শূন্যকাল ওয়েবজিন ১৫ তে প্রকাশিত ~ "বোধ থেকে জারিয়ে নেওয়ার রান্নার মশলায় আঙু্ল / কম পড়ে যাচ্ছে যখন, আপনি ফিরে আসছেন সেই / ন্যাশানাল জিয়োগ্রাফিকের কাছেই, পরিবর্তন এক টাই ছেড়ে স্নিপড্রেস পরে নিচ্ছে আর ঘড়িতে জাস্ট 10:47 PM"।পরবর্তী কবিতাগুচ্ছ ব্লেড রানার, যার শুরু হয়েছে কবি সব্যসাচী সান্যালের লেখা দুটি লাইন দিয়ে।এখানে শুভ লিখছেন "ভাসমান কর্কের ছিপি ছাড়া প্লবতা মানে / এখন বুঝি না কিছুই, আমার আর আর্কিমিডিস নেই কোনো" ~ মোট বাইশটি কবিতা এই পর্বে রয়েছে।পরবর্তী অংশ ~ শিরোনাম : স্বপ্ন মধ্য ও পরবর্তী পর্যায়।এটিও একটি দীর্ঘ কবিতা, যার শেষ পর্যায়ে ~ "মৃতদেহ থেকে রাইগার মর্টিসের সময়টায় মেয়েটার কথা / কেউ না কেউ ভেবে থাকবে, পুরোনো শহররের / কোনো না কোনো ভুলে যাওয়া ঠিকানা থেকে / মেয়েটা চিনবে নতুন শহরের মানচিত্র"। এরপর পনেরোটি কবিতা নিয়ে, আরো একটি গুচ্ছ কবিতার সিরিজ ~ চিনা ব্যারাকের দোকান।এরপর আরো একটি কবিতা সিরিজ ~ পাভলভের সুস্থতা ও অসুস্থতাজনিত কথোপকথন।যেখানে, চূড়ান্ত এক নির্মাণ ঘটেছে বিনির্মাণ আঙ্গিকে।সপ্তাহের প্রতিটা বার, সময় মাত্রা ব্যবহার এবং বিভিন্ন ওষুধপত্রের নাম প্রয়োগ ~ আলাদা এক প্রত্যয় এনেছে।এই পর্বের শেষ কবিতা (রোববার, একটা অতিপ্রাকৃত ছুটির দিন) শেষ হয়েছে এইভাবে ~ "আপনি মগজের কন্ট্রোলরুমে বার্তা পাঠিয়ে / থামলেন, যদিও হাসির পর স্যালাইভা আমি কন্ট্রোল করতে শিখিনি।" শেষ কবিতাগুচ্ছ ~ অন্ধের কবিতা যা কিছু।ষোলোটি কবিতা।প্রতিটিই একে অন্যের স্তরভেদ করে উত্তরণ।যেমন ~ "স্তেপ থেকে কতগুলো চোখ উড়ছে / তাদের অন্তর্কলহ থেকে সঠিক দৃশ্যায়ন করতে পারছেন না / ক্যামেরাম্যানটি, আমি বুঝতে পারছি ফ্রিজ শট পরের / পর চলে গেলে আলো বেগে, স্থায়ী হয় না কিছুই"।বইটি এক ভিন্ন বাস্তবতার ম্যাজিকে জারিত।সুতরাং বইটি সংগ্রহ তারাই করবেন, যারা সময়চিন্তনে ভিন্ন প্রকৃতির কবিতায় বিশ্বাসী।

শিল্প-সাহিত্যের খবরাখবর । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯২ । অষ্টম বর্ষ । ১৯-০৮-২০১৮ ।

বই প্রকাশ অনুষ্ঠান চিত্তরঞ্জনে 

বর্ধমান ; ১৯-০৮-২০১৮ ; আই-সোসাইটি নিউজ ।।  ১২ অগাস্ট বর্ধমান জেলার চিত্তরঞ্জনে অনুষ্ঠিত হল একটি কবিতা সন্ধ্যা । নয়ের দশকের কবি অমিত নাথের চতুর্থ কবিতার বই প্রকাশ উপলক্ষে কবিতা পাঠের আসর, কবিতা নিয়ে কথাবার্তা। কবিতা নিয়ে আলোচনায় ছিলেন সুব্রত সরকার, অমিত সরকার, অলোক বিশ্বাস , বিকাশ গায়েন, বাসুদেব মন্ডল, পার্থপ্রতিম আচার্য প্রমুখ। তরুণ কবিরা কবিতা পড়লেন। বাচিক শিল্পীরা আবৃত্তি করলেন । গানে কবিতায়, আলোচনায় আবৃত্তিতে বেশ জমজমাট অনুষ্ঠান। চিত্তরঞ্জনে বাসন্তী ইনস্টিটিউটে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে চলে এই কবিতার আসর। প্রকাশিত হলো অমিত নাথের চতুর্থ কবিতার বই--- গহরজানের খোঁজে।







আই-সোসাইটি ।বাংলা 
www.dainikbangla.in 











শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮

শিল্প-সাহিত্যের খবরাখবর । বাংলা ।। নবপর্যায়-৫৯১ । অষ্টম বর্ষ । ১৮-০৮-২০১৮ ।


বাইশে শ্রাবণ, প্রকাশিত হল মুজনাই
রাহুল গঙ্গোপাধ্যায় 


গত শতকের আশির দশকের প্রারম্ভে সাবেক জলপাইগুড়ির ফালাকাটা থেকে প্রকাশিত হতে শুরু করে মুজনাই সাহিত্য পত্রিকা। ফালাকাটার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর নামে এই পত্রিকার নাম। সেসময়কার প্রথিতযশা লেখক-কবিদের লেখায় সমৃদ্ধ হত পত্রিকাটি। সমীর চট্টোপাধ্যায়, নীরজ বিশ্বাস, পুণ্যশ্লোক দাশগুপ্ত, তুষার বন্দোপাধ্যায়ের মতো বিখ্যাতদের সাথে পবিত্র দাস, রবীন মন্ডলের প্রচ্ছদ দেখা যেত মুজনাইয়ে। শিশু-কিশোরদের জন্যও প্রকাশিত হত মুজনাই। 
লিটল ম্যাগাজিনের নিয়ম মেনেই মাঝে কিছুদিন অনিয়মিত হয়ে পড়ে পত্রিকাটি। ২০১৪ থেকে অনলাইন ও সোশাল মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যমে মুজনাই সাহিত্য পত্রিকা (সম্পাদক- শৌভিক রায়, প্রকাশক- রীনা সাহা) প্রকাশিত হচ্ছে অনলাইনে এবং মুদ্রিত আকারেও। অনলাইনে প্রতি মাসে পত্রিকাটি যেমন নানা সংখ্যা প্রকাশ করছে তেমনি মুদ্রিত আকারে সাধারণ বার্ষিক সংখ্যার পাশাপাশি প্রকাশ করছে বিশেষ সংখ্যাও। ডুয়ার্স নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের পর অতি সম্প্রতি, বাইশে শ্রাবণ, প্রকাশিত হল মুজনাইয়ের 'জন্ম-দ্বিশতবর্ষের আলোকে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর' বিশেষ সংখ্যাটি। কোচবিহার ফিল্ম সোসাইটির হলঘরে কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে  বর্ষিয়ান সাহিত্যিক ও 'ত্রিবৃত্ত' পত্রিকার সম্পাদক রণজিৎ দেবের হাত দিয়ে মোড়ক উন্মোচিত হল বিশেষ সংখ্যার। উপস্থিত ছিলেন কবি অমর চক্রবর্তী, কবি গৌতমকুমার ভাদুড়ী, কবি মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস, নাট্যব্যক্তিত্ব দীপায়ণ ভট্টাচার্য, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক দেবব্রত চাকি, অধ্যাপক ডঃ অলক সাহা ও ডঃ জয়দীপ সরকার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এই উপলক্ষ্যে ছিল কবি-স্মরণ ও আলোচনা। পরিবেশিত হয় সঙ্গীত, আবৃত্তিও। 

আই-সোসাইটি । বাংলা ।
www.dainikbangla.in 





Registration (Online)

Trainee REGISTRATION (ONLINE)

                                                                                    👇           👉             Click here for registration...